এখনো ড্রোনের সংখ্যা নির্ণয় করা হয়নি: বিমান প্রতিমন্ত্রী

আগের সংবাদ

শহীদ ৩০ লাখ হলেও গেজেটভুক্ত ৫৭৯৫

পরের সংবাদ

বিমান কর্মীদেরও দেহতল্লাশী করা হচ্ছে

কাগজ প্রতিবেদক

প্রকাশিত হয়েছে: সেপ্টেম্বর ১২, ২০১৯ , ৬:১৮ অপরাহ্ণ

এম আবদুল লতিফের এক প্রশ্নের জবাবে বিমান প্রতিমন্ত্রী বলেন, চোরাচালান বন্ধের জন্য বিমানের সকল স্থাপনায় সিসি ক্যামেরা স্থাপন সাপেক্ষে সার্বক্ষণিক নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। এছাড়া কর্মরতদের অফিসে প্রবেশ ও ত্যাগের প্রাক্কালে দেহতল্লাশী করা হয়। অবৈধ কোন জিনিস পেলে সাময়িক বরখাস্ত করা হয় এবং অভিযোগ তদন্তে প্রমাণ মিললে চাকরিচ্যুত পর্যন্ত করা হয়।

বৃহস্পতিবার (১২ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদে রুমিন ফারহানার এক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী জানান, ২০১৪-১৫ থেকে তিন অর্থ বছরে বিমান লাভ করলেও ২০১৭-১৮ অর্থ বছরে ২০১ কোটি ৪৭ লাখ টাকা লোকসান করে। বিমানের জ্বালানী তেলের মূল্য ২৫ শতাংশ বাড়ায়, লিজ খরচ বেড়ে যাওয়ায়, বৈদেশিক ঋণের সুদের হার বাড়ায় ককপিট ক্রুদের বেতনাদি বেড়ে যাওয়ায় খরচ বেশী হয়। ফলে ২০১৭-১৮ অর্থ বছরে বিমানের লোকসান হয়।

অপরদিকে বেগম ওয়াসিকা আয়শা খানের এক প্রশ্নের জবাবে বিমান প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার বিমানকে লাভজনক করার জন্য বেশকিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। এর মধ্যে রাজস্ব আদায়ের ক্ষেত্রে সম্পুর্ণ অটোমেশন করা হয়েছে, যার মধ্যে পুরোপুরি অটোমেশন করা হয়েছে বিমানের টিকিট বিক্রিকরণে, বিমান অবতারণের এক ঘণ্টার মধ্যে ল্যাগেজ বেল্টে পৌঁছানো নিশ্চিতকরণ এবং নির্ধারিত সময়ে ফ্লাইটের যাত্রা নিশ্চিত করা হয়েছে। এসব পদক্ষেপের ফলে ২০১৮-১৯ অর্থবছরে বিমানের লাভ হয়েছে ২৭২ কোটি টাকা।