শাকিবকে প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানের অভিযোগপত্র

আগের সংবাদ

ট্রেনে অবৈধ মালামাল নিয়ন্ত্রণে স্ক্যানার বসানোর সুপারিশ

পরের সংবাদ

প্রথম দিনেই অভিজিৎ হত্যা মামলায় সাক্ষ্য হয়নি

প্রকাশিত হয়েছে: সেপ্টেম্বর ১১, ২০১৯ , ৪:৪৬ অপরাহ্ণ | আপডেট: সেপ্টেম্বর ১১, ২০১৯, ৪:৪৬ অপরাহ্ণ

Avatar

বিজ্ঞান মনস্ক লেখক ও মুক্তমনা ব্লগের প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ রায় হত্যা মামলায় প্রথম দিনেই সাক্ষী না আসায় সাক্ষ্য গ্রহণ হয়নি।
বুধবার মামলাটি সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য ধার্য ছিল। কিন্তু এদিন কোন সাক্ষী আদালতে হাজির হননি। এজন্য রাষ্ট্রপক্ষের প্রসিকিউটর জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী সাক্ষ্য গ্রহণ পেছানোর আবেদন করেন।
ঢাকার সন্ত্রাস বিরোধী ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. মজিবুর রহমান সময়ের আবেদন মঞ্জুর করে পরবর্তী সাক্ষ্য গ্রহণের তারিখ আগামী ৬ অক্টোবর ধার্য করেন।
এর আগে গত ১ আগষ্ট পলাতক বরখাস্তকৃত মেজর সৈয়দ জিয়াউল হক জিয়াসহ ৬ আসামির বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করে আজ সাক্ষ্য গ্রহণের তারিখ ধার্য করেন ট্রাইব্যুনাল।
আসামিরা হলেন-বরখাস্তকৃত মেজর সৈয়দ জিয়াউল হক জিয়া, আকরাম হোসেন ওরফে হাসিব ওরফে আবির ওরফে আদনান ওরফে আবদুল্লাহ, আবু সিদ্দিক সোহেল (সাংগঠনিক নাম সাকিব ওরফে সাজিদ ওরফে শাহাব), মোজাম্মেল হুসাইন ওরফে সায়মন (সাংগঠনিক নাম শাহরিয়ার), আরাফাত রহমান (সাংগঠনিক নাম সিয়াম ওরফে সাজ্জাদ ওরফে শামস্) ও শফিউর রহমান ফারাবি।
আসামিদের মধ্যে প্রথম দুই জন পলাতক রয়েছেন। পরের চার আসামিকে এদিন কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়।

প্রসঙ্গত, ২০১৫ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি রাত সোয়া ৯টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি এলাকায় সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের পাশে সন্ত্রাসীরা অভিজিৎ রায় ও তার স্ত্রী রাফিদা আহমেদকে কুপিয়ে জখম করে। আহত অবস্থায় তাদের ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে রাত সাড়ে ১০টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান অভিজিৎ।
পরদিন ২৭ ফেব্রুয়ারি অভিজিতের বাবা অজয় রায় শাহবাগ থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।
গত ১৩ মার্চ মেজর জিয়াসহ ছয়জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট জমা দেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশের কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের পরিদর্শক মনিরুল ইসলাম।
গত ১১ এপ্রিল এ মামলায় ছয় আসামির বিরুদ্ধে চার্জশিট গ্রহণ করেন ট্রাইব্যুনাল। পলাতক থাকায় মেজর জিয়া ও আকরাম হোসেনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত। এরপর গত ৫ মে তাদের সম্পত্তি ক্রোকের নির্দেশ দেন ট্রাইব্যুনাল।