টেবিলের শীর্ষে জার্মানি 

আগের সংবাদ

ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যে পবিত্র আশুরা পালন

পরের সংবাদ

সাংবাদিককে গাড়িতে তুলে নিয়ে ভিডিও ডিলিট করালেন শোভন

প্রকাশিত হয়েছে: সেপ্টেম্বর ১০, ২০১৯ , ৫:৫৩ অপরাহ্ণ | আপডেট: সেপ্টেম্বর ১১, ২০১৯, ১১:৩৪ পূর্বাহ্ণ

কাগজ প্রতিবেদক

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) এক সংবাদিককে জোর করে নিজ গাড়িতে তুলে ভিডিও ডিলিট করতে বাধ্য করার অভিযোগ উঠেছে ছাত্রলীগ সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভনের বিরুদ্ধে। অভিযোগকারী সাংবাদিক দৈনিক ইনকিলাব পত্রিকার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি নুর হোসেন ইমন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির সদস্যও।

মঙ্গলবার দুপুরে (১০ সেপ্টেম্বর) মধুর ক্যান্টিনে ছাত্রলীগ সভাপতির দুই অনুসারীর মধ্যে মারামারিতে একজনের কপাল ফেটে যায়। সাংবাদিক নুর হোসেন নিজ মোবাইলে ঘটনাটি ধারণ করার পর দেখতে পান আরেক সহ-সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয়। তিনি নুর হোসেনের হাতে থাকা মোবাইলটি কেড়ে নেয়ার চেষ্টা করেন। ইমন দিতে অস্বীকার করলে জয় ও  ছাত্রলীগের অন্য কর্মীরা তাকে সভাপতি শোভনের কাছে নিয়ে যান। এ সময় শোভন তাকে নিজের গাড়িতে তোলেন। পরে তার কাছে থাকা ভিডিওটি ডিলিট করে ছেড়ে দেন।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ভুক্তভোগাী সাংবাদিক নুর হোসেন বলেন, মূলত ভিডিও’র কারণেই জয়সহ কিছু ছাত্রলীগ নেতা এ কাণ্ড ঘটিয়েছে। এ বিষয়ে ঢাবি সাংবাদিক সমিতির সভাপতি আবির রায়হান বলেন, প্রাথমিকভাবে শোভনের সঙ্গে কথা বলে ঘটনাটির প্রতিবাদ জানিয়েছি। এ ধরণেরে আচরণ প্রত্যাশিত নয়। আমরা ছাত্রলীগকে ক্ষমা চাইতে বলেছি। যদি তারা আনুষ্ঠানকিভাবে ক্ষমা না চান, তবে সমিতির সভা ডেকে পরবর্তী করণীয় ঠিক করব।

এ বিষয়ে জানতে ছাত্রলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয়ের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগ করলেও তিনি সাড়া দেননি। অন্যদিকে রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, এরকম কোনো ঘটনা ঘটেনি।

এর আগে আদর্শগত দ্বন্দ্বের জন্য কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে মারমারিতে জড়িয়ে পড়েন শোভনের অনুসারী হিসেবে পরিচিত কেন্দ্রীয় সহসভাপতি তৌহিদুল ইসলাম চৌধুরী জহির ও শাহরিয়ার কবির বিদ্যুৎ। আহত বিদ্যুৎ ঢাবি মেডিকেল সেন্টার থেকে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।