জন্মদিনে পঙ্কজ ভট্টাচার্যকে নাগরিক সংবর্ধনা

আগের সংবাদ

এসএমই নীতিমালার অনুমোদন

পরের সংবাদ

অধিনায়কত্ব নিতে অনিচ্ছুক সাকিব

প্রকাশিত হয়েছে: সেপ্টেম্বর ৯, ২০১৯ , ৮:৩৭ অপরাহ্ণ | আপডেট: সেপ্টেম্বর ৯, ২০১৯, ৯:০৫ অপরাহ্ণ

Avatar

শেষ দিনে বৃষ্টির কারণে ম্যাচ বাঁচানোর সুযোগ তৈরি হয় বাংলাদেশের সামনে। কিন্তু টাইগার ব্যাটসম্যানরা সে সুযোগ কাজে লাগাতে পারেননি। ফল যা হওয়ার তাই। ২২৪ রানের লজ্জাজনক ব্যবধানের হার।

সোমবার আফগানদের বিপক্ষে ম্যাচ হারের পর প্রেজেন্টশন অনুষ্ঠানে টাইগার দলপতি সাকিব আল হাসান এমন কিছু কথা বলেছেন যাতে আছে নেতৃত্বের প্রতি তার অনীহার সুস্পষ্ট ইঙ্গিত।

টেস্ট, ওয়ানডে কিংবা টি-টোয়েন্টি সব ফরম্যাটের ক্রিকেটেই বাংলাদেশ দলের সবচেয়ে বড় তারকা সাকিব। তার পারফরমেন্সের ওপরই নির্ভর করে টাইগারদের জয়-পরাজয়। কারণ তিনি ব্যাটিংয়ে যেমন দলের অন্যতম আস্থার প্রতীক, তেমনি বোলিংয়েও প্রতিপক্ষ ব্যাটসম্যানদের ভাবনার কারণ।

২০০৭ সালে টেস্ট অভিষেক হওয়া সাকিবকে অভিজ্ঞতার বিচারেও পিছিয়ে রাখার সুযোগ নেই। ইতোমধ্যেই খেলে ফেলেছেন ৫৬টি টেস্ট। সাদা পোশাকে বাংলাদেশের পক্ষে সর্বোচ্চ উইকেট শিকারি তিনি। যেখানে তার ধারেকাছেও নেই অন্যরা। টেস্টে সাকিবের নামের পাশে আছে ২১০ উইকেট। অপরদিকে সর্বোচ্চ রান সংগ্রহকারী টাইগার ব্যাটসম্যানদের তালিকায় তিনি আছেন তিন নম্বরে। টেস্টে সাকিবের রান ৩৮৬২।

ইংল্যান্ড এন্ড ওয়েলস বিশ্বকাপে ব্যাট হাতে ৬০৬ ও বোলিংয়ে ১১ উইকেট নেয়া সাকিবের কাছে চট্টগ্রাম টেস্টে প্রত্যাশা ছিল অনেক বেশি। কিন্তু অধিনায়ক সাকিব সেই প্রত্যাশা খুব একটা পূরণ করতে পারেননি। ১ম ইনিংসে দলের চরম বিপর্যয়ে তিনি আউট হন মাত্র ১১ রানে। আর ২য় ইনিংসে ৪৪ রান করলেও যেভাবে আউট হয়েছেন তা রীতিমতো উইকেট বিলিয়ে দেয়ারই নামান্তর।

অপরদিকে বল হাতে উভয় ইনিংস মিলিয়ে ৫ উইকেট নেন তিনি।

ব্যাটিংয়ে সাকিবের প্রত্যাশানুযায়ী পারফর্ম করতে না পারার পেছনে অনেকেই নেতৃত্বের চাপকে দায়ী করছেন। সোমবার চট্টগ্রাম টেস্ট শেষে প্রেজেন্টশন অনুষ্ঠানে সাকিবের বলা কথাতেও এমন কিছুরই ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। তার ভাষায়, ভবিষ্যতে দলকে নেতৃত্ব দিতে হলে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সঙ্গে আলোচনা করেই সিদ্ধান্ত নেব। আর যদি নেতৃত্ব দিতে না হয় তাহলে সেটা আমার ক্যারিয়ারের জন্যই ভালো।

  • আরও পড়ুন
  • লেখকের অন্যান্য লেখা