সুস্মিতা সেন আসছেন বিচারক হয়ে

আগের সংবাদ

ফাইনালে মেদভেদেভ-নাদাল

পরের সংবাদ

কেমন আছেন খালেদা!

প্রকাশিত হয়েছে: সেপ্টেম্বর ৭, ২০১৯ , ১০:৫৩ অপরাহ্ণ | আপডেট: সেপ্টেম্বর ৭, ২০১৯, ১০:৫৯ অপরাহ্ণ

কাগজ প্রতিবেদক

কেমন আছেন খালেদা জিয়া? রোববার (৮ সেপ্টেম্বর) জানাবে বিএনপি। বেলা ১১টায় দলীয় মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জনগণকে তা জানাবেন। দলীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে কারাবন্দী খালেদা জিয়ার সর্বশেষ স্বাস্থ্য পরিস্থিতি জানাবেন। খালেদার স্বাস্থ্য নিয়ে উদ্বিগ্ন বিএনপি। শনিবার রাতে দলের স্থায়ী কমিটির বৈঠকে খালেদার স্বাস্থ্য পরিস্থিতি জানানোর এ সিদ্ধান্ত নেয় দলটি।

বিএসএমএমইউতে চিকিৎসাধীন খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার আরো অবনতি হয়েছে জানিয়ে দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, তার যথাযথ চিকিৎসা হচ্ছে না। বিষেশায়িত হাসপাতালে চিকিৎসা করাতে চাইলেও তাকে সেই সুযোগ দেয়া হচ্ছে না। সরকার অন্যায় ভাবে আমাদের নেত্রীকে কারাগারে আটকে রেখেছে। তিনি অত্যান্ত অসুস্থ। দিন দিন তার শারীরিক অবস্থার আরো অবণতি হচ্ছে।

এর আগে গত ২৪ মে দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া কারও সাহায্য ছাড়া বিছানা থেকে উঠতে পারেন না। খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যের অবনতি হচ্ছে জানিয়ে তাঁর মুক্তি ও সুচিকিৎসা দাবি করেন বিএনপির মহাসচিব। তিনি বলেন, খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যের বিষয়টি যেভাবে জাতির সামনে আসা দরকার, সেভাবে আসছে না।

মির্জা ফখরুল বলেন, খালেদা জিয়ার শরীর-স্বাস্থ্য এত খারাপ হয়ে গেছে যে এখন তিনি বিছানা থেকেই উঠতে পারেন না। তিনি অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিসে ভুগছেন এবং আমার কাছে তথ্য আছে, ইনসুলিন নিচ্ছেন উনি। ইনসুলিন নেওয়ার পরেও তাঁর ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে আসছে না। সুগার লেভেল ১০ থেকে ১৬ তে ওঠা-নামা করে। তাঁর এই অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিসে পরিণতি কী হতে পারে, তা আমরা সবাই জানি। চিকিৎসা না হলে পরিণতি কী হতে পারে, সেদিকেই তিনি এগিয়ে যাচ্ছেন। আগে তাঁর বাঁ কাঁধ ফ্রোজেন ছিল, এখন ডান কাঁধ ফ্রোজেন হয়ে যাচ্ছ। হাত পা নাড়াতে পারছেন না। কোনো সাহায্য ছাড়া বিছানা থেকে উঠতে পারছেন না।

খালেদা জিয়ার উন্নত চিকিৎসা হচ্ছে না জানিয়ে বিএনপির মহাসচিব বলেন, খালেদা জিয়ার আইনগত যে প্রাপ্যতা, তা সরকার উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে বিলম্বিত করছে। আদালতের ওপর হস্তক্ষেপ করার চেষ্টা করা হচ্ছে, যা আইনের শাসনের বিরোধী। এটা অমানবিক ও মানবাধিকারের লঙ্ঘন। খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যর বিষয়ে নিয়মিত জানানো হচ্ছে না এবং স্বজনদের সঙ্গে ২০-২৫ দিনেও দেখা করতে দেওয়া হয় না। দলীয় নেতাদের সঙ্গেও দেখা করতে দেওয়া হয় না বলে জানান মির্জা ফখরুল।