চট্টগ্রামে মারা গেল আরো এক ডেঙ্গু রোগী

আগের সংবাদ

জাপায় দেবর-ভাবির বিরোধের নেপথ্যে

পরের সংবাদ

চবি শিক্ষক সমিতির দুই নেতা

অভিন্ন নীতিমালা বিশ্ববিদ্যালয় স্বায়ত্তশাসনের ওপর হস্তক্ষেপ

প্রকাশিত হয়েছে: সেপ্টেম্বর ৬, ২০১৯ , ১১:০৬ অপরাহ্ণ | আপডেট: সেপ্টেম্বর ৬, ২০১৯, ১১:০৬ অপরাহ্ণ

Avatar

শিক্ষক নিয়োগের অভিন্ন নীতিমালাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বায়ত্তশাসনের ওপর হস্তক্ষেপ বলে দাবি করছেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি। শুক্রবার শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক জাকির হোসেন এবং সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. অঞ্জন কুমার চৌধুরী ভোরের কাগজের কাছে তাদের ক্ষোভ প্রকাশ করে এ মন্তব্য করেছেন। তবে ইউজিসির চেয়ে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির নেতাদের ওপরই তাদের বেশি ক্ষোভ।

তারা বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের কেন্দ্রীয় সংগঠন শিক্ষক সমিতি ফেডারেশনের নিষ্ক্রীয়তার কারণে এমন একটি সিদ্ধান্ত নেয়ার সুযোগ পেয়েছে ইউজিসি। শিক্ষক নিয়োগের বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের কোনো সুপারিশ থাকলে তারা তা বিশ্ববিদ্যালয়কে জানাতে পারে। বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব যেসব পর্ষদ আছে তারা সিদ্ধান্ত নিবে। তবে কোনো সিদ্ধান্ত ইউজিসি চাপিয়ে দিতে পারে না। তারা আরো বলেন, শিক্ষক নিয়োগে যে অভিন্ন নীতিমালা হচ্ছে সেখানে শিক্ষকদের কোনো প্রতিনিধি নেই। যাতে করে শিক্ষকদের পক্ষে যেসব বক্তব্য রয়েছে তা তুলে ধরা যাচ্ছে না। তা ছাড়া শিক্ষক সমিতি ফেডারেশন এ ব্যাপারে পরিষ্কার কোনো মনোভাব পোষণ করেনি। এতে শিক্ষকদের মধ্যে ক্ষোভ রয়েছে। কেউ কেউ ফেডারেশন থেকে বের হয়ে যেতে চাচ্ছেন। এসব বিষয়ে ফেডারেশনের অবশ্যই জোরালো ভূমিকা থাকা উচিত।

এই ইস্যুতে আগামীতে কোনো কর্মসূচি আছে কিনা এবং অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো শিক্ষক সমিতি ফেডারেশন থেকে বের হয়ে আসার কোনো পরিকল্পনা আছে কিনা জানতে চাইলে চবি শিক্ষক সমিতির এই দুই নেতা বলেন, সরকারের সঙ্গে কোনো বিষয়ে আলোচনা করতে হলে একটি প্লাটফর্ম দরকার। এখনো ফেডারেশনের বিকল্প কোনো প্লাটফর্ম তৈরি হয়নি। এখনই এমন সিদ্ধান্ত নেয়ার সময় আসেনি। তবে শনিবার চবি শিক্ষক সমিতির সঙ্গে শিক্ষক সমিতি ফেডারেশনের মিটিং রয়েছে। সেখানে এ বিষয়ে আমাদের অবস্থান জানাব এবং ফেডারেশনের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে জানব। এরপর চবি শিক্ষক সমিতির সাধারণ সভায় তা জানানোর পর সর্বসম্মতিক্রমে পরবর্তী করণীয় ঠিক করব।

এর আগে বৃহস্পতিবার চবি শিক্ষক সমিতির জরুরি সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের প্রস্তাবিত অভিন্ন নীতিমালাটি ১৯৭৩ সালের বিশ্ববিদ্যালয় আইনের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ, সাংঘর্ষিক এবং বাস্তবতা বিবর্জিত বলে মত দেন শিক্ষকরা।