‘বঙ্গবন্ধুর আদর্শেই আমাদের বড় শক্তি’

আগের সংবাদ

কেবল বৃক্ষরোপণ নয়, বৃক্ষের যত্নও নিতে হবে

পরের সংবাদ

মহেশখালের ৮১টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ

প্রকাশিত হয়েছে: আগস্ট ২৫, ২০১৯ , ৬:১৫ অপরাহ্ণ | আপডেট: আগস্ট ২৫, ২০১৯, ১০:২১ অপরাহ্ণ

কাগজ প্রতিবেদক

বন্দরনগরীর অন্যতম প্রধান সমস্যা জলাবদ্ধতা নিরসনে গৃহীত মেগা প্রকল্পের আওতায় উচ্ছেদ অভিযান চালিয়ে নগরের মহেশখালের উপর গড়ে ওঠা ৮১টি অবৈধ স্থাপনা গুঁড়িয়ে দেয়া হয়েছে। গতকাল রবিবার সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত এই অভিযান চলে। জলাবদ্ধতা নিরসনে ‘মেগা প্রকল্প’ বাস্তবায়নকারী সংস্থা বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সহায়তায় চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ-সিডিএ’র স্পেশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সাইফুল আলম চৌধুরী এ অভিযান পরিচালনা করেন।
সিডিএর নির্বাহী প্রকৌশলী ও জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্প পরিচালক আহমেদ মাঈনুদ্দিন বলেন, নগরীর হালিশহর এলাকায় মহেশখালের উপর গড়ে উঠা ৮১টি স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে। এর মধ্যে ১৪টি পাকা, ১৮টি সেমিপাকা, টিনশেড ৩২টি, কাঁচা ঘর ১১টি এবং বাউন্ডারি ওয়াল ছিল ৬টি। পর্যায়ক্রমে নগরের ১৩টি খালের উপর গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হবে। ইতোমধ্যে একাধিক খালের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে।
২০১৮ সালের ৯ এপ্রিল চট্টগ্রাম শহরের জলাবদ্ধতা নিরসনে ৫ হাজার ৬১৬ কোটি ৫০ লাখ টাকা ব্যয়ে গৃহীত মেগা প্রকল্প বাস্তবায়নে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সঙ্গে সিডিএর সমঝোতা চুক্তি সই হয়। এরপর সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়ারিং কোর খালের উভয় পাশে রিটেইনিং ওয়াল, রাস্তা নির্মাণ ও নিচু ব্রিজগুলো ভেঙে উঁচু করার কাজ শুরু করে। পাশাপাশি খাল থেকে ময়লা পরিষ্কার কার্যক্রমও শুরু হয়। তিন বছর মেয়াদি এ প্রকল্পে প্রাথমিক পর্যায়ে ২০১৮ সালে ৩৬ খালের মাটি অপসারণসহ ৩০০ কিলোমিটার নতুন ড্রেন নির্মাণ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়। এ ছাড়া প্রকল্পের আওতায় নতুন করে ১০০ কিলোমিটার ড্রেন নির্মাণ, ২০২০ সালের মধ্যে নগরে ৩৬টি খাল খনন, খালের পাশে ১৭৬ কিলোমিটার প্রতিরোধক দেয়াল, ৮৫ কিলোমিটার সড়ক, ৪২টি সিল্ট ট্র্যাপসহ নানা অবকাঠামো নির্মাণ করার কথা রয়েছে।