এ দেশের পর্দায় ‘ওয়ান্স আপন আ টাইম ইন হলিউড’

আগের সংবাদ

সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি কাজে লাগাতে রাষ্ট্রপতির আহ্বান

পরের সংবাদ

টেকনাফে যুবলীগ নেতা হত্যার প্রতিবাদে সড়ক অবরোধ

প্রকাশিত হয়েছে: আগস্ট ২৩, ২০১৯ , ৪:৪৭ অপরাহ্ণ | আপডেট: আগস্ট ২৩, ২০১৯, ৭:২৪ অপরাহ্ণ

Avatar

টেকনাফে যুবলীগ নেতা ওমর হত্যার প্রতিবাদে সড়কে নেমে এসেছে স্থানীয় জনতা। তারা শুক্রবার সকাল থেকে টেকনাফ কক্সবাজার সড়কের জাদিমুরা এলাকায় সড়কে টায়ার জ্বালিয়ে অবরোধ, বিক্ষোভ ও ভাংচুর করে। এসময় তারা হত্যাকারী রোহিঙ্গা স্বশস্ত্র সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তারের দাবি জানায় তারা।
এদিকে ২২ আগস্ট রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন ভেস্তে যাওয়ার সাথে সাথে এমন পরিস্থিতে এলাকাবাসীদের মধ্যে চরম উদ্বেগ ও উৎকন্ঠা বিরাজ করছে।
খবর পেয়ে টেকনাফ উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা যুবলীগ সভাপতি নুরুল আলম, ইউএনও মো. রবিউল হাসান, সহকারী কমিশনার আবুল মনসুর, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা প্রদীপ কুমার দাশ সহ র‌্যাব-পুলিশ ও অন্যান্য আইন শৃংখলা বাহিনী ঘটনাস্থলে রয়েছেন। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত জনতাকে শান্ত করা যায়নি। পুলিশ বলছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
প্রসঙ্গত, টেকনাফে যুবলীগ নেতা ওমর ফারুক (২৪) কে গুলি করে হত্যা করেছে রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীরা। বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে হ্নীলা ইউনিয়নের জাদিমুরা এলাকায় একদল রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী ওমরকে খুব কাছ থেকে গুলি করে পাহাড়ের দিকে পালিয়ে যায় বলে জানিয়েছেন প্রত্যক্ষদশীরা। তিনি একই এলাকার আব্দুল মুনাফ সওদাগরের ছেলে। নিহত ওমর হ্নীলা ইউনিয়ন যুবলীগ ৯নং ওয়ার্ড সভাপতি ও জাদিমুড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি ছিলেন। নিহতের পিতা জানান, কোন কারণ ছাড়াই রোহিঙ্গা ডাকাত নুর মোহাম্মদ ও সেলিমের নেতৃত্বে একদল অস্ত্রধারী তার ছেলেকে খুন করেছে। প্রত্যক্ষদশীরা জানান, এসময় ওমর বাড়ি থেকে বের হয়ে স্কুল সংলগ্ন জাদিমুরা বাজারে একটি দোকানে কেনাকাটা করছিলেন। অতর্কিতে অস্ত্রধারীরা সেখানে গিয়ে তাকে টেনেহিচড়ে অন্ধকার স্থানে নিয়ে গুলি করে সটকে পড়ে।

টেকনাফ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) এবিএমএস দোহা জানান, পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে প্রেরণ করেছে। এ ব্যাপারে তদন্ত সাপেক্ষ্যে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।
এদিকে তাৎক্ষনিক ওমর হত্যার ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। প্রত্যক্ষদশী গ্রামবাসীরা জানান, ঘটনায় শতাধিক অস্ত্রধারী রোহিঙ্গা অংশগ্রহন করে। তারা হত্যাকাণ্ড শেষে দলবেঁধে শালবাগার পাহাড়ের দিকে চলে যায়।