টেস্ট খেলতে মুখিয়ে মুমিনুল

আগের সংবাদ

প্রাথমিকে আরো ২০ হাজার শিক্ষক নিয়োগ

পরের সংবাদ

ল্যাঙ্গাভেল্টের ক্লাসে এবার পেসারদের কঠিন পরীক্ষা

প্রকাশিত হয়েছে: আগস্ট ২২, ২০১৯ , ৮:৫১ অপরাহ্ণ | আপডেট: আগস্ট ২২, ২০১৯, ৮:৫১ অপরাহ্ণ

Avatar

আগেরদিন স্টেডিয়ামে এসে পরিচিতি পর্ব সেরেছিলেন। কথা বলেছিলেন ক্রিকেটারদের সঙ্গে। অনুশীলনে ক্রিকেটারদের দেখেছেন ভালো করে। এরপর সংবাদ সম্মেলনে এসে নতুন কোচ রাসেল ডোমিঙ্গো এবং পেস বোলিং কোচ চার্ল ল্যাঙ্গাভেল্ট কথা বললেন নিজেদের লক্ষ্য এবং পরিকল্পনা নিয়ে।

সেখানেই পেস বোলিং কোচ চার্ল ল্যাঙ্গাভেল্ট জানিয়েছিলেন, বাংলাদেশের পেসাররা যেন বিদেশের মাটিতে গিয়ে ভালো করতে পারে, সে বিষয়টিকেই সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়ে দেখবেন তিনি।

একই সঙ্গে ফিটনেস ও বোলারদের লাইন-লেন্থ ঠিক করার বিষয়টিকেও গুরুত্ব দিলেন ল্যাঙ্গাভেল্ট। তিনি বলেছিলেন, ‘ছেলেদের জন্য প্রথম বার্তা থাকবে নিজেদের সেরা ছন্দ পাওয়ার পথটা বের করা এবং ফিটনেসের প্রতি বাড়তি তাগিদ দেয়া। লাইন-লেন্থ অবশ্যই যেকোনো বোলারের জন্য প্রথম বিষয়। একইসঙ্গে পরিশ্রম এবং বুদ্ধিমত্তা দিয়েই এগিয়ে যেতে হবে।’

দ্বিতীয় দিন, তথা আজ থেকেই মূলতঃ পুরোদমে বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের নিয়ে অনুশীলনে নেমে পড়লেন কোচরা। মিরপুর স্টেডিয়ামে যখন কোচ রাসেল ডোমিঙ্গো ব্যাটসম্যানদের নিয়ে ব্যস্ত, তখন অন্যপাশে নিজের ক্লাসে পেসারদের নিয়ে ব্যস্ত থাকতে দেখা গেছে চার্ল ল্যাঙ্গাভেল্টকে।

ক্যারিবীয় কিংবদন্তি কোর্টনি ওয়ালশ দীর্ঘ সময় বাংলাদেশের পেসারদের পেস বোলিং কোচ ছিলেন। তিনি নিরেট ভদ্র মানুষ। কিন্তু বাংলাদেশের পেস বোলিংয়ে কোনো উন্নতি করতে পারেননি। বাংলাদেশের পেসাররা বড় চ্যালেঞ্জ নেয়ার জন্য মোটেও উপর্যুক্ত হিসেবে গড়ে ওঠেননি।

এমনকি সাবেক পেস বোলিং কোচ হিথ স্ট্রিকের মানের কাজও করতে পারেননি ওয়ালশ। হিথ স্ট্রিকের সময় বাংলাদেশের পেস বোলিং অনেক উন্নত করেছিল। বেশ ভালো একটা জায়গায় রেখে গিয়েছিলেন সাবেক জিম্বাবুইয়ান পেসার।

এবার চার্ল ল্যাঙ্গাভেল্টের সামনে বিশাল চ্যালেঞ্জ। বাংলাদেশের পেসারদের একটা কাংখিত মানে নিয়ে আসার। মোস্তাফিজ, রুবেল, তাসকিন, আবু জায়েদ রাহি, আবু হায়দার রনি থেকে শুরু করে নতুন-পুরনো পেসারদের কার্যকর পেসার হিসেবে গড়ে তোলার কঠিন চ্যালেঞ্জ নিয়েই আজ দায়িত্বটা আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু করলেন ল্যাঙ্গাভেল্ট।

মিরপুর স্টেডিয়ামে দেখা গেলো ল্যাঙ্গাভেল্ট একেবারে হাতে ধরে পেসারদের লাইন-লেন্থ দেখিয়ে দিচ্ছেন। হাতের সঙ্গে কোমরের পজিশন, বলের গ্রিপ ধরার টেকনিক- সব শিখিয়ে দিচ্ছেন তিনি। তার আগে বোলারদের স্ট্রেচিং করিয়েছেন। তাদের ফিটনেস লেভেল যাতে ঠিক থাকে- সেদিকেই সবচেয়ে বেশি নজর বোলিং কোচের।

বলা যায়, নতুন কোচের অধীনে বাংলাদেশের পেসারদের কঠিন পরীক্ষাই শুরু হলো। এই পরীক্ষায় গুরু-শিষ্য কে কতটা ভালো করতে পারে- সেটাই দেখার বিষয়।