ম্যাঙ্গো ইয়োর্গাড পপসিকল

আগের সংবাদ

মোটরসাইকেলের সতর্কতা

পরের সংবাদ

আপনি কি বাইক কেনার কথা ভাবছেন

প্রকাশিত হয়েছে: আগস্ট ২০, ২০১৯ , ৪:০০ অপরাহ্ণ | আপডেট: আগস্ট ২০, ২০১৯, ৪:০০ অপরাহ্ণ

Avatar

কর্মব্যস্ত জীবনে দৈনন্দিন যাতায়াতের জন্য নিজের একটি বাহন হবে আপনার। এতে বাঁচবে মূল্যবান সময়, সাশ্রয় করবে অর্থ আর কমাবে ক্লান্তি। সাধ ও সাধ্যের মধ্যে কেমন বাইক কিনবেন এটা ভেবেই হয়তো হয়রান হয়ে গেছেন বা যাচ্ছেন। সেই ভাবনা সহজ করতে আপনার জন্য বাইক নিয়ে কিছু তথ্য হাজির করা হলো। এর সঙ্গে মিলিয়ে আপনি কিনতে পারবেন আপনার পছন্দের বাইক। বাজারে প্রয়োজন ও সাধ্যের রকমফের অনুযায়ী বিভিন্ন দাম ও ধরনের মোটরবাইক রয়েছে। বাংলাদেশের বাজারে এই মুহূর্তে ৫০ হাজার টাকার একটু ওপর থেকে শুরু করে ব্র্যান্ড ও মডেলভেদে পাঁচ লাখ টাকারও বেশি দামের বাইক রয়েছে।
বাংলাদেশের বাজারে মোটামুটি চার ধরনের বাইক রয়েছে। এগুলো হলো কমিউটার বাইক, প্রিমিয়াম ক্যাটাগরি বাইক, স্পোর্টস বাইক ও ক্রুজার বাইক। এর বাইরেও কয়েকটি রকমফের রয়েছে। প্রতিদিনের যাতায়াতের জন্য আরামদায়ক ও তেলসাশ্রয়ী বাইকগুলোকে সাধারণত বলা হয় কমিউটার বাইক। প্রায় প্রতিটি মোটরসাইকেল কোম্পানিই এ ধরনের বাইক তৈরি করে থাকে। স্বাভাবিকভাবে এ ধরনের বাইক কিনতে গেলে আপনি পাচ্ছেন অনেক বিকল্প পছন্দ। কমিউটার বাইকের মধ্যে একটু কেতাদুরস্তগুলোকে বলা হয় প্রিমিয়াম কমিউটার। ইঞ্জিনের শক্তির দিক থেকে একই রকম হলেও সৌন্দর্যের কারণে এগুলোর দাম একটু বেশি হয়। কমিউটার বাইকের ইঞ্জিন সাধারণত ৮০ থেকে ১২৫ সিসি পর্যন্ত হয়ে থাকে। এ ধরনের বাইকগুলো তেলসাশ্রয়ী এবং এগুলোর রক্ষণাবেক্ষণ অপেক্ষাকৃত সহজ। কমিউটার বাইক কিনলে আপনার দৈনন্দিন যাতায়াতের খরচ কমে যাবে বেশ খানিকটা। রাস্তায় চলাচলকারী মোটরবাইকগুলোর বেশির ভাগই কমিউটার ক্যাটাগরির বাইক। আমাদের দেশে যেসব কোম্পানির মোটরবাইক বাজারজাত করে, তাদের প্রায় সবাই কমিউটার বাইক তৈরি ও বাজারজাত করে থাকে। কমিউটার বাইকের দাম ওঠানামা করবে ৯০ হাজার টাকা থেকে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত।
যদি নিজের জন্য হালফ্যাশনের বাইক খুঁজতে থাকেন, সে ক্ষেত্রেও বাজারে মিলবে অনেক ধরনের বাইক। বাংলাদেশে বর্তমানে ১৬০ সিসি ইঞ্জিন পর্যন্ত মোটরবাইকের অনুমতি রয়েছে। তাই বাংলাদেশের মোটামুটি সব প্রিমিয়াম ক্যাটাগরির বাইকই ১৫০ থেকে ১৬০ সিসি ইঞ্জিনের হয়। সম্ভবত এ মুহূর্তে বাংলাদেশের তরুণদের কাছে সবচেয়ে জনপ্রিয় এ ধরনের বাইকগুলো হচ্ছে ইয়ামাহা ফেজার ও এফ জেড, সুজুকি জিক্সার ও জিক্সার এস এফ, টিভিএস এপাচি ১৫০ ও ১৬০, বাজাজ পালসার ও পালসার এন এস, হিরো হাঙ্ক এবং হোন্ডা হর্নেট। জাপানিজ হোন্ডা একসময় বাংলাদেশের বাজারে রাজত্ব করলেও এ মুহূর্তে প্রিমিয়াম কমিউটারের ক্ষেত্রে একটু পিছিয়ে আছে। এ ছাড়া বাজারে রয়েছে আমাদের দেশি রানারসহ আরো বেশ কিছু দেশিবিদেশি কোম্পানির এ ধরনের মোটরসাইকেল। এ কেতাদুরস্ত বাইকগুলো আপনাকে দেবে শক্তিশালী ইঞ্জিন, নিয়ন্ত্রণ আর গতির উদ্দামতা।

বিষয়:
  • আরও পড়ুন
  • লেখকের অন্যান্য লেখা