ভারত-বাংলাদেশের মাঝে ‘পরাধীন’ এক গ্রাম

আগের সংবাদ

দাম কমেছে স্বর্ণের

পরের সংবাদ

গ্রিনল্যান্ড কিনতে চান ট্রাম্প

প্রকাশিত হয়েছে: আগস্ট ১৭, ২০১৯ , ৩:৪৮ অপরাহ্ণ | আপডেট: আগস্ট ১৭, ২০১৯, ৪:৩৫ অপরাহ্ণ

Avatar

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ডেনমার্কের স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল গ্রিনল্যান্ড কেনার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। গতকাল শুক্রবার আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ কথা জানানো হয়। ট্রাম্পের সহযোগী ও পরামর্শকদের বরাত দিয়ে পত্রিকাটি এ কথা জানায়।
প্রতিবেদনে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের শাসনাধীন এলাকা বাড়ানোর উদ্দেশ্যে সহযোগী ও পরামর্শকদের সঙ্গে ব্যক্তিগত পর্যায়ে গ্রিনল্যান্ড কেনার ব্যাপারে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন ট্রাম্প। ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট পরিচিত দুটি সূত্রের বরাত দিয়ে রয়টার্স এ তথ্য জানায়। উত্তর আটলান্টিক ও উত্তর সাগরের মধ্যে অবস্থিত বরফাচ্ছাদিত অঞ্চল গ্রিনল্যান্ড। এটি কেনার ব্যাপারে ট্রাম্পের আগ্রহকে প্রথমে ঠাট্টা ভেবে হেসেই উড়িয়ে দেন কয়েক পরামর্শক। কিন্তু বাকিদের অনেকেই তার কথাকে গুরুত্বের সঙ্গে নেন বলে সূত্র জানায়। এর আগে ৩৩তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট হ্যারি ট্রুম্যানের মাথায় সর্বপ্রথম গ্রিনল্যান্ড কেনার চিন্তার উদয় হয় বলে ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল জানিয়েছে। ১৯৪৬ সালে তিনি ১০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের বিনিময়ে গ্রিনল্যান্ড কেনার প্রস্তাব দেন। ট্রাম্প বর্তমানে নিউজার্সি অঙ্গরাজ্যের বেডমিনস্টারের গলফ ক্লাবে অবস্থান করছেন। চলতি বছরের সেপ্টেম্বরে তার ডেনমার্ক সফরের কথা। সে সময় ডেনিশ কর্মকর্তাদের সঙ্গে গ্রিনল্যান্ড কেনার বিষয়ে কোনোরকম আলাপ-আলোচনা হবে বলে এখন পর্যন্ত জানা যায়নি। গ্রিনল্যান্ডে থুল নামে মার্কিন একটি বিমানঘাঁটি রয়েছে। তবে অন্য দেশের কাছ থেকে বিশাল ভূখণ্ড অঞ্চল কেনার ব্যাপারে যুক্তরাষ্ট্রের পূর্ব ইতিহাস আছে। ১৮৬৭ সালে ৭২ লাখ মার্কিন ডলারের বিনিময়ে রাশিয়ার কাছ থেকে ৫ লাখ ১৮ হাজার ৮০০ বর্গ কিলোমিটারের ভূখণ্ড আলাস্কা কিনে নেয় দেশটি। অলাভজনক অঞ্চল ভেবে সে সময় আলাস্কাকে আমেরিকার কাছে বেচে দেয় রাশিয়া। কিন্তু তার কিছু কাল পরই আলাস্কাতে আবিষ্কৃত হয় সোনার খনি। রাতারাতি বদলে যায় ওই অঞ্চলের গুরুত্ব। সেই আলাস্কা এখন যুক্তরাষ্ট্রের জন্য বিশাল এক সাফল্য। শুধু সোনার খনির কারণেই নয়, এর মধ্য দিয়ে আর্কটিক ও বেরিং সাগর অঞ্চলে নিজের ক্ষমতাও প্রতিষ্ঠিত করে যুক্তরাষ্ট্র। অন্যদিকে এখনো আলাস্কা হাতছাড়া হওয়ার আফসোস বয়ে বেড়ায় রাশিয়াবাসী।