ঈদের লম্বা ছুটিতে পর্যটকদের পদচারণায় মুখরিত সিলেট

আগের সংবাদ

দেওয়ানগঞ্জে বজ্রপাতে দুই ভাইয়ের মৃত্যু

পরের সংবাদ

লাখো পর্যটকে মুখর কক্সবাজার

প্রকাশিত হয়েছে: আগস্ট ১৬, ২০১৯ , ৩:২২ অপরাহ্ণ | আপডেট: আগস্ট ১৬, ২০১৯, ৩:২২ অপরাহ্ণ

Avatar

ঈদুল আজহার ছুটিতে লাখো পর্যটকে মুখরিত হয়ে উঠেছে বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত নগরী কক্সবাজার। ঈদের ছুটি লম্বা হওয়ায় এবার পর্যটকের ভিড়ও বেশি। ১৭ আগস্ট (আগামীকাল) পর্যন্ত পর্যটকদের ভিড় থাকবে কক্সবাজারে। মূলত ঈদের পরদিন থেকে পর্যটকের আনাগোনা বাড়তে থাকে। সৈকতের ১১টি পয়েন্টসহ হিমছড়ি, ইনানী, রামু, মহেশখালী ও আশপাশের পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে ভ্রমণ করছেন পর্যটকরা। এদিকে পর্যটকদের ভ্রমণ নির্বিঘ্ন করতে সৈকত ও আশপাশের এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। হোটেল ব্যবসায়ীরা বলেছেন, সাপ্তাহিক ছুটি যোগ হয়ে গত ৮ আগস্ট থেকে ঈদের ছুটি শুরু হয়। তবে ঈদের পরদিন থেকে পুরোদমে পর্যটক আসা শুরু হয়েছে কক্সবাজারে। এ কয়দিনে এখানকার প্রায় ৪০০ হোটেল, মোটেল ও গেস্ট হাউস শতভাগ বুকিং হয়ে গেছে। ধারণা করা হচ্ছে, এ পাঁচদিনে কক্সবাজারে আগত পর্যটকদের সংখ্যা তিন লাখ ছাড়িয়ে যাবে। ঢাকা থেকে আসা রাশেদুল ইসলাম বলেন, সমুদ্রের প্রতি আমার টান দীর্ঘদিনের। তাই ছুটি পেলেই এখানে ছুটে আসি। এবার ঈদের ছুটিতে পরিবার নিয়ে কক্সবাজার এসেছি। ভালো সময় কাটবে আসা করি।
সিলেট থেকে আসা সামিয়া ও রফিকুল দম্পতি বলেন, সারা বছরই ব্যস্ততার মধ্যে সময় চলে যায়। ছুটি পেলেই একটু ঘোরাঘুরি করার সুযোগ হয়। আর কক্সবাজার তো অসাধারণ একটি জায়গা। এখানে এলেই মনটা ভালো হয়ে যায়। কক্সবাজার হোটেল-মোটেল ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতির সাধারণ সম্পাদক আবুল কাসেম সিকদার জানান, এখানকার চার শতাধিক আবাসিক হোটেল, মোটেল ও গেস্ট হাউসে সোয়া লক্ষাধিক মানুষের রাত যাপনের ব্যবস্থা রয়েছে। তিনি বলেন, ঈদের ছুটিতে কক্সবাজার বেড়াতে আসা পর্যটকদের সর্বোচ্চ সেবা দিতে আমরা প্রস্তুত। আশা করি, পর্যটকরা ভ্রমণের ভালো স্মৃতি নিয়ে ফিরবেন। কক্সবাজার তারকামানের হোটেল দি কক্সটুডের সহকারী পরিচালক (প্রশাসন) আবু তালেব ভোরের কাগজকে বলেন, পর্যটকদের ভ্রমণ আনন্দদায়ক করতে হোটেলগুলোতে নানা আয়োজন রাখা হয়েছে।
কক্সবাজার ট্যুরিস্ট পুলিশের এসপি মো. জিল্লুর রহমান ভোরের কাগজকে বলেন, পর্যটকদের নিরাপদ ভ্রমণ নিশ্চিত করতে শুধু কক্সবাজার সৈকত নয়, আশপাশের হিমছড়ি, ইনানী, মেরিন ড্রাইভরোডসহ অন্যান্য পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। কক্সবাজার জেলা প্রশাসক মো. কামাল হোসেন বলেন, পর্যটকদের বাড়তি চাপ সামলানোর পাশাপাশি পর্যটকদের নিরাপদ ভ্রমণ নিশ্চিত করতে পোশাকধারী
পুলিশের পাশাপাশি সাদা পোশাকেও দায়িত্ব পালন করছে।