ডেঙ্গু ও পরিবেশগত ব্যবস্থাপনা

আগের সংবাদ

রাজধানীতে ভবন থেকে পড়ে গৃহকর্মীর মৃত্যু

পরের সংবাদ

কাশ্মির এবং ৩৫৭ ধারা প্রসঙ্গে

রণেশ মৈত্র

রাজনীতিক ও কলাম লেখক

প্রকাশিত হয়েছে: August 16, 2019 , 8:49 pm

এমন পরিণতিতে লাভবান হবে উগ্র সাম্প্রদায়িকতা হিন্দুত্ব, মুসলমানত্ববাদী সব জঙ্গী গোষ্ঠী। আশা করি, কাশ্মিরিদের অধিকার ও মর্যাদা রক্ষায় সব দিক বিবেচনা করে এবং কালবিলম্ব না করে ৩৭০ ধারা বিনাশর্তে প্রত্যাহার এবং সঙ্গে সঙ্গে জারি করা কারফিউ, ১৪৪ ধারা জাতীয় তাবৎ নিবর্তনমূলক আদেশ, নিঃশর্ত মুক্তি পাবেন আটককৃত সব কাশ্মিরি নেতা ও কর্মীদের।

ছোটবেলায় বই-পুস্তকে পড়েছি, কাশ্মির ‘ভূস্বর্গ’ বলে পরিচিত। কাশ্মিরের প্রাকৃতিক মনোরম দৃশ্যাবলি শুধু ভারতবাসী হিন্দুদের বা মুসলমানদেরই নয়, সমগ্র পৃথিবীকে আকৃষ্ট করত। পর্যটকরা প্রতি বছর আসতেন ওই ভূস্বর্গ কাশ্মিরে পৃথিবীর নানা দেশ থেকে ওই দৃশ্যাবলি উপভোগ করতে। ভারতের বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের উৎসে পরিণত হয়েছিল।
‘কাশ্মিরি শাল’ ছিল বিখ্যাত। কম বিখ্যাত ছিল না কাশ্মিরি সিল্ক। শাল এবং কাশ্মিরি সিল্ক ভারতবর্ষের ক্রেতাদের চাহিদা মিটিয়ে চলে যেত বিদেশি বাজারগুলোতে অধিকতর পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা আদায়ের পথ প্রশস্ত হতো। পর্যটকদের জন্য হোটেল শিল্পেরও বিকাশ ঘটেছিল ওই রাজ্যে ব্যাপকভাবে। তার মাধ্যমে একদিকে যেমন বিপুলসংখ্যক বেকারের বেকারত্ব ঘুচত, তেমনি আবার তা বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের এক বিপুল বাড়তি আয়েরও উৎস হয়ে দাঁড়িয়েছিল। কাশ্মির সেকালে ছিল সমগ্র ভারতবর্ষের মধ্যে সর্বোৎকৃষ্ট স্বাস্থ্যকর স্থান। ইংরেজ গভর্নর জেনারেলরা তাদের স্বাস্থ্য উদ্ধারে প্রতি বছর দুই-এক মাসের বিশ্রাম ও স্বাস্থ্য উদ্ধারে কাশ্মিরে যেতেন। সেখানে তাদের জন্য সরকারি ব্যয়ে দৃষ্টিনন্দন স্বাস্থ্য নিবাসও গড়ে তোলা হয়েছিল। তাই ইংরেজদের লোভাতুর দৃষ্টি বরাবরের মতোই পড়েছিল কাশ্মিরের ওপরেও। তারা সেই সুযোগের সদ্ব্যবহার করতে বেছে নেয় ১৯৪৭-এ সাম্প্রদায়িকতার ভিত্তিতে ভারত বিভাগের প্রাক্কালে।
কাশ্মিরসহ কয়েকটি রাজ্য ভারতের নাকি পাকিস্তানের অংশভূত হবে সংশ্লিষ্ট পক্ষদের সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে তার গ্রহণযোগ্য সমাধান না করে ওই ৪-৫টি রাজ্যের তৎকালীন কর্ণধারদের সিদ্ধান্তেই তা নির্ধারিত হবে- এমন চতুরতাপূর্ণ সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দিয়ে ভারত থেকে বিদায় নিল। ওই ভিত্তিতে কাশ্মিরের হিন্দু রাজা রাজ্যবাসীর মতামত না নিয়ে একতরফাভাবেই সিদ্ধান্ত নিলেন কাশ্মির ভারতের অংশীভূত হবে। কিন্তু ওই রাজ্যবাসীর বিপুল সংখ্যাধিক্য ছিল ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের তথা মুসলিমদের। স্বভাবতই তৎকালীন উগ্র সাম্প্রদায়িক পরিবেশে কাশ্মিরের পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠল।
পাকিস্তান ওই সুযোগ ছাড়বে কেন? আর মুসলিম লীগের নেতা মোহাম্মদ আলী জিন্নাহও তো ইংরেজদের সঙ্গে গোপন সলাপরামর্শ করে কাশ্মির প্রশ্নে ওই মতেই সায় দিয়েছিলেন মুসলিম অধ্যুষিত কাশ্মিরকে পাকিস্তানের অংশভূত করার লক্ষ্যে। যখন কাশ্মিরকে একতরফাভাবে ভারতের অন্তর্ভুক্ত করা হলো তখন তারা কাশ্মির পাকিস্তানের অংশ বলে ঘোষণা করল।
পরিণতিতে সদ্য স্বাধীনতাপ্রাপ্ত দুটি দেশের মধ্যে যুদ্ধংদেহী মনোভাবের বিস্তার এবং শেষতক যুদ্ধ লেগেও গেল উভয় দেশের মধ্যে। যুদ্ধ হলো একবার নয়, একাধিকবার। প্রাণ গেল হাজার হাজার নিরীহ কাশ্মিরবাসীর। রক্তে লাল হলো উভয় দেশের সেনা সদস্যরা। এই সেনা সদস্য ও কাশ্মিরবাসীরা যারা দফায় দফায় যুদ্ধে প্রাণ হারালেন তারাও কিন্তু ধর্ম বিশ্বাসে কেউ হিন্দু, কেউবা মুসলিম। তবুও যুদ্ধ হলো যেন যুদ্ধ ছাড়া হিন্দু ধর্মও বাঁচবে না, ইসলামও অন্তত কাশ্মিরে টিকবে না। এক পর্যায়ে কাশ্মিরের বৃহৎ অংশটি ভারতের এবং ক্ষুদ্রতর অংশটি পাকিস্তানি রাষ্ট্রের দখলে চলে যাওয়ার পর লোকক্ষয়ের প্রাচুর্যে বিশ্ববিবেক নাড়া দিলে জাতিসংঘ স্থিতাবস্থা নিশ্চিত করলে যার দখলে যা তার দখলে তা থাকবে বলে উভয় পক্ষ মেনে নিলে সমস্যার আপাতত ফয়সালা হলো। কিন্তু উত্তেজনা কদাপি প্রশমিত হয়নি। কাশ্মিরের উভয় অংশ সেনা দখলে চলে যায় বাস্তবে।
পরিণতিতে সামরিক শান্তির দেখা মিললেও পরবর্তী সময় আবারো যুদ্ধ। এহেন পরিস্থিতিতে পুনরায় আন্তর্জাতিক হস্তক্ষেপ, স্থিতাবস্থা পুনরায় চালু এবং দ্বিপক্ষীয় আলোচনার মাধ্যমে কাশ্মির সমস্যার সমাধানের ফর্মুলা গৃহীত হয়। এই ফর্মুলা অনুযায়ীই কখনো কখনো ছাইচাপা আগুনের মতো পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলেও সৃষ্ট রাজ্য দুটি চলে আসছিল।
পাকিস্তান অধিকৃত রাজ্যে কদাপি নির্বাচন অনুষ্ঠানের খবর না জানা গেলেও ভারতের অংশীভূত অঞ্চলে নিজস্ব সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচন অনুষ্ঠান এবং নির্বাচনী ফলাফল অনুযায়ী সরকার গঠন ও রাজ্য শাসন চলছিল। ঘটনাক্রমে কংগ্রেসের নানাবিধ ব্যর্থতায় ও তার নেতৃত্বের দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে উগ্র সাম্প্রদায়িক কর্মসূচি নিয়ে নির্বাচনে এসে ভারতব্যাপী বিজেপি অধিকাংশ আসনে বিজয়ী দিল্লির সিংহাসন দখল করলে নির্বাচন সত্ত্বেও মানবাধিকার লঙ্ঘন, মুসলিমদের হিন্দুত্বে ধর্মান্তরিতকরণ, গোহত্যা ও গোমাংস রাখা ও খাওয়াকে কেন্দ্র করে ভারতজুড়ে মুসলিম নিধন চালাতে থাকে। ফলে বৃহৎ এই দেশটি সাম্প্রদায়িক বৈষম্যদুষ্ট, মানবাধিকার হরণ ও সাম্প্রদায়িক উগ্র আবহ বিরাজ করতে থাকে। এগুলোকে ভিত্তি করেই সম্প্রতি অনুষ্ঠিত সাধারণ নির্বাচনে ভারতব্যাপী বিজেপি অধিকতর আসনে বিজয়ী হয়ে নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে সরকার গঠন করলে দলটি আরো বেপরোয়া হয়ে ওঠে। নির্বাচনী ইশতেহারে অপরাপর বিষয়ের সঙ্গে তারা বাবরি মসজিদের স্থলে তথাকথিত রামমন্দির নির্মাণ ও কাশ্মির ৩৭০ ধারা বাতিলের মাধ্যমে কাশ্মিরের বিশেষ মর্যাদা বিলোপ করার প্রতিশ্রুতিও দেয়। এই নির্বাচনে বিজেপি ভারতের সর্ববৃহৎ ধনীদের সমর্থন পেয়ে লাখ লাখ কোটি টাকা ব্যয় এবং নানা অনিয়মের মাধ্যমে অধিকতর সংখ্যক আসনে বিজয় অর্জন করতে সক্ষম হয়ে আরো বেপরোয়া হয়ে ওঠে। সেই বেপরোয়া মনোভাবের উগ্র প্রতিফলন ঘটল ৩৭০ ধারা ও জম্মু ও কাশ্মিরের বিশেষ অধিকারগুলো, বিশেষ মর্যাদাগুলোকে তুড়ি মেরে উড়িয়ে দিয়ে জম্মু-কাশ্মির ও লাদাখকে কেন্দ্রীয় সরকারের শাসনাধীনে নিয়ে আসে।
অতঃপর অস্বাভাবিক পরিস্থিতির মধ্যেই তড়িঘড়ি করে ৩৭০ ধারা বাতিল বলে ঘোষণা করা হয়, বিশ্বব্যাপী নতুন আতঙ্কের উদ্বেগের সৃষ্টি হয়। সুযোগ বুঝে পাকিস্তান ঘোষণা করে তারা কাশ্মিরবাসীর সমর্থনে ৩৭০ ধারা বাতিলের তীব্র বিরোধিতা করে যাবে- তাদের অধিকার আদায়ের লড়াইয়ে সংহতিও প্রকাশ করে। ভারতও তাদের সৈন্য সংখ্যা বিপুলভাবে বাড়িয়ে দেয়। বুঝতে অসুবিধা হয় না উগ্র হিন্দুত্ব ও সাম্প্রদায়িকতাবাদী মোদি সরকার যে কোনো মূল্যে কাশ্মিরবাসীর বিশেষ অধিকার ও মর্যাদাগুলো স্থায়ীভাবে হরণে তাদের সর্বশক্তি নিয়োগে বিন্দুমাত্র দ্বিধা করবে না।
আর এই কাজে মার্কিন সাম্রাজ্যবাদসহ পশ্চিমা বিশ্বও ভারত তাদের পেছনে পাবে। যদিও জাতিসংঘের সাধারণ সম্পাদক উভয় পক্ষকে সংযত আচরণ করতে ও দ্বিপক্ষীয় আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে কাশ্মির সমস্যা সমাধানে সিমলা চুক্তির কথা উভয় পক্ষকে স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন। কিন্তু ভারতের সাম্প্রতিক একতরফা পদক্ষেপের মাধ্যমে কাশ্মিরিদের অধিকার ও মর্যাদাগুলো ইতোমধ্যেই চরমভাবে লুণ্ঠিত হয়েছে এবং তথাকথিত নিরাপত্তার নামে বিপুলসংখ্যক সেনা নিয়োগ, নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তার, ১৪৪ ধারা ও কারফিউ জারি এবং ইন্টারনেট বিচ্ছিন্ন করে নগ্নভাবে কাশ্মিরবাসীর মানবাধিকার একতরফাভাবে হরণ করে রেখেছে তা প্রত্যাহার করে স্থিতাবস্থা বজায় রাখার কথা না বলে কার্যত ৩৭০ ধারা বাতিলের সমর্থনেই তিনি প্রকারান্তরে দাঁড়িয়েছেন।
এর প্রতিক্রিয়া কেমন দাঁড়াতে পারে উপমহাদেশজুড়ে? ভারতে, কাশ্মিরে, পাকিস্তানে, শ্রীলঙ্কায়। অতীতের অভিজ্ঞতা যদি আমাদের সামান্যতমও শিক্ষা দিয়ে থাকে তবে নিশ্চিন্তে বলা যেতে পারে ৩৭০ ধারা বাতিল বহাল রাখলে কারফিউ ১৪৪ ধারা দিয়ে কাশ্মিরের পরিস্থিতি আদতে নিয়ন্ত্রণ করা যাবে না। কোনো না কোনো সময় তা বিস্ফোরণ আকারে ফুটবে।
এমন পরিণতিতে লাভবান হবে উগ্র সাম্প্রদায়িকতা হিন্দুত্ব, মুসলমানত্ববাদী সব জঙ্গী গোষ্ঠী। দ্রুতই তারা সংঘবন্ধ হয়ে নতুন করে হিন্দুর দ্বারা মুসলিম নিধন, মুসলমানের দ্বারা হিন্দু নিধন, পরস্পরের সম্পত্তিও লুণ্ঠন, নারী ধর্ষণ, মসজিদ-মন্দিরের ক্ষতি সাধন প্রভৃতিতে প্রদত্ত হবে হয়তোবা, এমনতরো ঘটনাবলি ঘটলে কারা জিতবেন? হিন্দুত্ববাদী? মুসলমানত্ববাদী বা গণতন্ত্র নাকি পরাজিত হবে মানুষ, লুণ্ঠিত হবে উপমহাদেশজুড়ে মানবাধিকার, গণতন্ত্র, সভ্যতা-সংস্কৃতিসহ মানবিক সব অর্জন? আর এ যাবৎ দীর্ঘকাল ধরে বিরাজিত পরিস্থিতিতে কোথায় হারিয়ে গেল কাশ্মিরি শাল, কাশ্মিরি সিল্ক, কাশ্মিরের নয়নাভিরাম প্রাকৃতিক দৃশ্যাবলি সেখানকার হোটেল শিল্প, সেখানকার রাজকীয় বিশ্রামাগার নামক প্রাসাদ এবং লাখ লাখ কোটি ডলার তুল্য বৈদেশিক মুদ্রা? কোথায়ই বা গেল কাশ্মির নামক স্বর্গরাজ্য বিদেশি লাখ লাখ পর্যটকের নিত্য পদচারণা?
আশা করি, কাশ্মিরিদের অধিকার ও মর্যাদা রক্ষায় সব দিক বিবেচনা করে এবং কালবিলম্ব না করে ৩৭০ ধারা বিনাশর্তে প্রত্যাহার এবং সঙ্গে সঙ্গে জারি করা কারফিউ, ১৪৪ ধারা জাতীয় তাবৎ নিবর্তনমূলক আদেশ, নিঃশর্ত মুক্তি পাবেন আটককৃত সব কাশ্মিরি নেতা ও কর্মীদের। আমরা বিগত দশকের শেষ দশকে দেখেছি বাবরি মসজিদ- রামমন্দিরকে কেন্দ্র করে উপমহাদেশজুড়ে ভয়াবহ সাম্প্রদায়িক উন্মত্ততা, যাকে কেন্দ্র করে উপমহাদেশের সব দেশের সব অঞ্চলের হিন্দু, মুসলমান, বৌদ্ধ, খ্রিস্টানদের প্রতি নেমে আসা কল্পনাতীত নির্যাতন যাতে সর্বত্র সংঘটিত তাণ্ডবলীলায় হাজার হাজার মন্দির, হাজার হাজার মসজিদ, লাখ লাখ বাড়িঘর, ব্যবসা কেন্দ্র দখল, লুণ্ঠন, হাজার হাজার হিন্দু-মুসলিম নারী ধর্ষণ, অপহরণ, ধর্মান্তরিতকরণ ইত্যাকার নৃশংস ঘটনাবলি।
তার পুনরাবৃত্তি ঘটুক এমনটা কি চাইব আমরা? পৃথিবীর বৃহত্তম গণতন্ত্র বলে পরিচিতি পেয়ে সমগ্র ভারতবাসী যে গৌরবের, যে অহঙ্কারের, যে মর্যাদার আসনে এতদিন অধিষ্ঠিত ছিলেন আজ তা প্রশ্নবিদ্ধ হতে বসেছে। কারণ সবাই জানেন, শুধু পাঁচ বছর অন্তর অন্তর নির্বাচন অনুষ্ঠানের অর্থই গণতন্ত্র নয়, গণতন্ত্র মানে সব ধরনের সংখ্যালঘু, সব রাষ্ট্রীয় ও সামাজিক ক্ষেত্রে সমানাধিকার, আইনের শাসন, রাষ্ট্রীয় সম্পদের সুষম বণ্টন, নারী-পুরুষের মর্যাদা সংরক্ষণ ও সব প্রকার লিঙ্গীয় বৈষম্য দূরীকরণ প্রভৃতি। ভারতের ধর্মনিরপেক্ষতায় বিশ্বাসী সব রাজনৈতিক দল, শিল্পী-সাহিত্যিক, নারী-পুরুষ দল-মত নির্বিশেষে ঐক্যবদ্ধ হয়ে সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ালে কাশ্মিরবাসী, ভারতবাসী তথা গোটা উপমহাদেশবাসী উপকৃত হবেন, ভারতের গণতন্ত্রও পুনরুজ্জীবিত হতে পারবে।

রণেশ মৈত্র : রাজনীতিক ও কলাম লেখক।