নতুন ঠিকানায় মুশফিক

আগের সংবাদ

টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে বাসচাপায় নিহত ৩

পরের সংবাদ

হিলি স্থলবন্দরে বেড়েছে মসলাজাতীয় পণ্যের দাম

প্রকাশিত হয়েছে: আগস্ট ৪, ২০১৯ , ১২:৪৬ অপরাহ্ণ | আপডেট: আগস্ট ৪, ২০১৯, ১২:৪৬ অপরাহ্ণ

Avatar

দরজায় কড়া নারছে মুসলামনদের দ্বিতীয় বৃহত্তম ধর্মীয় উৎসব ঈদুল আযহা। কোরবানি ঈদের আগমুহূর্তে হিলি স্থলবন্দরের আড়ৎ গুলোতে কমেছে আদা, রসুন ও পেঁয়াজের দাম। অন্যদিকে বেড়েছে মসলা জাতীয়পণ্য সাদা এলাচ, লং, দারুচিনি, গোলমরিচ ও জিরার দাম। ঈদের আগে দৈনন্দিন ব্যবহৃত মসলার দাম বাড়ায় মসলা কিনতে এসে বিপাকে পড়ছেন ক্রেতারা। অন্য মসলা গুলোর দাম কম থাকলেও আমদানি কম হওয়ার কারণে এই চার মসলাজাতীয় পণ্যের দাম বেড়েছে বলে জানান আড়ৎদাররা। এরই মধ্যে দৈনন্দিন নিত্যপ্রয়োজনীয় ভোগ্যপণ্য কেনা-কেটায় ব্যস্ত হয়ে পড়েছে মুসলমান সম্প্রদায়ের মানুষজন। আর ঈদুল আযহা উপলক্ষে মসলাজাতীয় পণ্যের চাহিদা অনেকটাই বেশি থাকে। এদিকে কোরবানি ঈদের আগমুহূর্তে হিলি স্থলবন্দর এলাকায় আড়ৎ গুলোতে বেড়েছে বেচা কেনা, সেই সাথে দোকানদারদের বেড়েছে ব্যস্ততা।

সরেজমিনে গিয়ে জানাযায়, বন্দরের আড়ৎ গুলোতে আদা, রসুন ও পেঁয়াজের দাম কমলেও কিছুটা বেড়েছে সাদা এলাচ, জিরা, লং, দারুচিনি ও গোল মরিচের দাম। আড়ৎ গুলোতে কেজি প্রতি ২০ টাকা কমে রসুন বিক্রি হচ্ছে ১শ থেকে ১১০ টাকা, আদা ৪০ টাকা কমে বিক্রি হচ্ছে ১৪০ থেকে ১৫০ টাকা ও পেঁয়াজের দাম ৭ টাকা কেজিতে কমে বিক্রি হচ্ছে ১৮ থেকে ২০ টাকা। অন্যদিকে সাদা এলাচ কেজিতে দেড় থেকে ২শ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার ৪শ থেকে ২ হাজার ৬শ টাকায়, দারুচিনি কেজিতে ১শ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ৪শ টাকায়, গোল মরিচ কেজিতে ১শ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ৬শ টাকায় এবং জিরা কেজিতে ৩০ থেকে ৪০ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ৩শ ৩০ টাকায়। এই কয়েকটি মসলার দাম আগামীতে আরো বাড়তে পারে বলে জানান দোকানী শাহাবুল ইসলাম।

এদিকে বেচাকেনা ভালো হওয়ায় খুশি আড়ৎদার ও পাইকাররা। অন্যদিকে মসলা পণ্যের দাম একটু বাড়লেও কেনা কাটায় কমতি রাখছেন না ক্রেতারা। অপরদিকে কোরবানি ঈদকে সামনে রেখে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে ভারত থেকে পেঁয়াজের আমদানি। ঈদের আগের পেঁয়াজের দাম বাড়ার কোন সম্ভাবনা নেই এবং বাজার স্বাভাবিক থাকবে বলে জানান আমদানিকারক মনোয়ার চৌধুরী।

কাষ্টমস তথ্যমতে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে গত ৬ কর্ম দিবসে শুধুমাত্র পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে ২১২ ট্রাকে প্রায় সাড়ে ৫ হাজার মেট্রিকটন।