দীপিকা নয়, ঋত্বিকের নায়িকা ক্যাটরিনা

আগের সংবাদ

সেন্টমার্টিনে ৩৫ হাজার ইয়াবা জব্দ

পরের সংবাদ

ব্যবসা করছে না আমদানি ছবি

প্রকাশিত হয়েছে: জুলাই ২১, ২০১৯ , ৮:৪৩ অপরাহ্ণ | আপডেট: জুলাই ২১, ২০১৯, ৮:৪৩ অপরাহ্ণ

Avatar

৫ জুলাই মুক্তি পায় বাংলাদেশের ছবি ‘আব্বাস’। এরপর থেকে দেশের প্রেক্ষাগৃগুলোতে ঈদুল আজহা পর্যন্ত যেসব ছবি মুক্তি পাচ্ছে, সবই ভারতের কলকাতার। ১২ জুলাই দেশের ৬৫টি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পায় কলকাতা থেকে আমদানি করা ছবি ‘কিডন্যাপ’। ঈদের আগে আগে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির তালিকায় নেই নতুন কোনো দেশি ছবি। তবে আছে কলকাতা থেকে আমদানি করা ছবি। গতকাল মুক্তি পেয়েছে জিৎ, কোয়েল মল্লিক ও ঋত্বিকা অভিনীত কলকাতার ছবি ‘শেষ থেকে শুরু’। আগামী ২৬ জুলাই মুক্তি পাবে অঙ্কুশ ও নুসরাত ফারিয়া অভিনীত ‘বিবাহ অভিযান’। আগামী ২ আগস্ট মুক্তি পাবে সোহম, ওম ও শ্রাবন্তী অভিনীত ‘ভ‚তচক্র’। ১২ জুলাই মুক্তিপ্রাপ্ত কলকাতার ‘কিডন্যাপ’ ছবিটি আমদানি করে বাংলাদেশে মুক্তি দিয়েছে শাপলা মিডিয়া। ‘শেষ থেকে শুরু’ ছবিটিও এনেছে ওই একই প্রতিষ্ঠান। ‘কিডন্যাপ’ নিয়ে বিভিন্ন হলের কর্মকর্তারা খুশি নন। দেশের প্রতিটি প্রেক্ষাগৃহেই ছবির ব্যবসায় ধস নেমেছে। কোথাও ভালো চলেনি ‘কিডন্যাপ’। এর আগে ২৯ জুন মুক্তি পেয়েছিল কলকাতার ছবি ‘ভোকাট্টা’। ওম অভিনীত ছবিটির রীতিমতো ভরাডুবি ঘটেছিল।


আমদানি ছবির এমন রুগ্ণদশার পরও ছবি আমদানি বন্ধ নেই। শুরুতে মুনাফার আশায় ছবি আমদানি শুরু হলেও এখন দেশীয় ছবি সংকটের কারণে ছবি আমদানি করছেন প্রদর্শকরা। কিন্তু তাতে সিনেমা হলে ছবি সংকট কাটলেও ব্যবসার মান বাড়ছে না। দেশীয় ছবির ব্যবসায় চলছে লম্বা খরা, এরপর গত ঈদে শাকিব খান অভিনীত ‘পাসওয়ার্ড’ চুটিয়ে ব্যবসা করেছে। মন্দা বাজারে বেশ ঢেউ তুলেছে ‘পাসওয়ার্ড’।
কিন্তু দেশীয় ছবি কালে-ভদ্রে ব্যবসা করলেও আমদানি ছবি একেবারেই ব্যবসা করতে পারছে না। এই পরিস্থিতিতে প্রদর্শকরা উদ্বিগ্ন। কোনোভাবেই বাজারকে চাঙ্গা করা যাচ্ছে না। দর্শকদের সিনেমা হলে নিয়মিত উপস্থিতি নিশ্চিত করতে চাই তাদের মনের মতো ছবি। কলকাতার জনপ্রিয় তারকা জিৎ ও দেবের ছবি সেই উদ্দেশ্যেই আমদানি করা হচ্ছে। কিন্তু জনপ্রিয় হোক আর স্বল্প-পরিচিত হোক, কারো ছবিই চলছে না। কলকাতার ছবি হলেই মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে দর্শকরা। অথচ এই আমদানি ছবির জন্য প্রদর্শকরা কয়েক বছর ধরেই সমালোচনার শিকার হচ্ছেন। ধর্মঘটের মতো সিদ্ধান্তও মাঝখানে নিয়েছিলেন প্রদর্শকরা। সেই আন্দোলনের ফলেই ভারত থেকে ছবি আমদানির পথ শিথিল হয়েছে যা আগে ছিল পিচ্ছিল। সবকিছুরই লক্ষ্য ব্যবসা। সেই ব্যবসার মুখ দেখতে না পারায় আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলো হতাশ। হতাশ প্রদর্শকরাও। এ পর্যন্ত আমদানিকৃত ছবিগুলোর মধ্যে একটি দুটি ছাড়া কোনো ছবিই ব্যবসা করতে পারেনি। আমদানি ছবিগুলোর মধ্যে এ যাবত ‘ভাইজান এলো রে’ ও ‘চালবাজ’ অনেকটা ব্যবসা করেছে। সেগুলো ছিল যৌথ প্রযোজনায় নির্মিত, নানা জটিলতায় পরে আমদানি ছবি হিসেবে মুক্তি পেয়েছে। একই ধারায় নির্মিত প্রসেজিৎ অভিনীত ‘ইয়েতি অভিযান’ ও জিৎ অভিনীত ‘সুলতান’ও ব্যবসা করেনি।