তামিমের নতুন অধ্যায়

আগের সংবাদ

ফেসঅ্যাপ ব্যবহারকারীর তথ্য তৃতীয় পক্ষের হাতে

পরের সংবাদ

পুরনো আইপ্যাডের ছয় কাজ

প্রকাশিত হয়েছে: জুলাই ২১, ২০১৯ , ৩:৪৪ অপরাহ্ণ | আপডেট: জুলাই ২১, ২০১৯, ৩:৪৪ অপরাহ্ণ

Avatar

মোবাইল কম্পিউটিংয়ের দারুণ একটি অনুষঙ্গ ট্যাবলেট। ক্রমবর্ধমান চাহিদার কারণে প্রতিনিয়ত উন্নত হচ্ছে আইপ্যাডের মতো ট্যাবলেট ডিভাইস। যে কারণে পুরনোটি ফেলে নতুন বা হালনাগাদ আইপ্যাড কেনার আগ্রহ দেখা যায় গ্রাহক পর্যায়ে। একপর্যায়ে পুরনো আইপ্যাড ফেলে রাখা হয়। তবে আইপ্যাড ডিভাইস পুরনো হলেও সচল থাকলে, তা বাসাবাড়ির যত্রতত্র ফেলে না রেখে নানা কাজে লাগানো যায়। পুরনো আইপ্যাড নতুনভাবে যে ছয় কাজে ব্যবহার করা যেতে পারে, তা নিয়ে আজকের আয়োজন-

 

ডিজিটাল ফটো ফ্রেম
পুরনো কিন্তু সচল আইপ্যাড ডিভাইস ডিজিটাল ফটো ফ্রেম হিসেবে দারুণ অভিজ্ঞতা দিতে পারে।
কারণ গতানুগতিক ডিজিটাল ফটো ফ্রেমে ডিসপ্লে রেজল্যুশন অনেক কম থাকে। যে কারণে ছবি মনমতো দেখায় না। হাই রেজল্যুশনের ডিসপ্লে-সংবলিত আইপ্যাড ডিজিটাল ফটো ফ্রেম হিসেবে ব্যবহার করলে তা স্পষ্ট ছবি প্রদর্শন করবে।
পাশাপাশি মিলবে কয়েক হাজার ছবি সংরক্ষণের সুবিধা। এর ফলে নির্দিষ্ট সময় পরপর স্লাইড শোয়ের মাধ্যমে ছবি পরিবর্তনের সুবিধাও মিলবে।

মিউজিক সার্ভার
বিশ্বব্যাপী মিউজিক স্ট্রিমিং সেবার পেইড গ্রাহক বাড়ছে। এসব অনলাইনভিত্তিক সেবা ব্যবহারের জন্য ডেডিকেটেড মিউজিক সার্ভার হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে আইপ্যাড। আইওএস প্ল্যাটফর্মভিত্তিক হওয়ায় অ্যাপল মিউজিকের পাশাপাশি আরো বেশকিছু অনলাইন মিউজিক সেবায় প্রবেশের সুযোগ মিলবে।
ডিভাইসটির সঙ্গে ইয়ারবাড কিংবা ব্লু -টুথ স্পিকার যুক্ত করেই তা ডিজিটাল মিউজিক সার্ভার কিংবা প্লেয়ার হিসেবে ব্যবহার করা যাবে।
ডেডিকেটেড ই-বুক বা ম্যাগাজিন রিডার
বই কিংবা কমিকস পছন্দ করেন, কিন্তু এ কাজের জন্য ই-রিডার কিনতে চান না। এক্ষেত্রে বাসায় পড়ে থাকা পুরনো আইপ্যাড ব্যবহার করা যেতে পারে। আইওএস প্ল্যাটফর্মভিত্তিক হওয়ায় যে কোনো ই-বুক বা ম্যাগাজিন অ্যাপে প্রবেশাধিকার মিলবে। কাজেই অ্যামাজন কিন্ডল কিংবা আইবুকসের মতো অ্যাপ ডাউনলোড করে খুব সহজে পুরনো আইপ্যাড ডিভাইস ই-বুক কিংবা ম্যাগাজিন রিডার হিসেবে ব্যবহার করা যাবে। অ্যামাজন থেকে ই-বুক কিনেও পড়ার সুবিধা মিলবে।

রান্নার সাহায্যকারী
পুরনো আইপ্যাড ডিভাইস রান্নাঘরের দারুণ সাহায্যকারী হতে পারে। রেসিপি দেখা কিংবা বিভিন্ন আইটেম রান্নার তথ্য অনুসন্ধানের জন্যই নয়, একই সঙ্গে রান্নার সময় দেখে নেয়া যেতে পারে বিশ্বের কোথায় কী ঘটছে।
এ কাজের জন্য আন্ডার কেবিনেট টেবিল মাউন্ট স্থাপন করে পুরনো আইপ্যাড ডিভাইস চোখের লেবেল বরাবর বসিয়ে নিতে হবে। ফলে রান্নার সময় আগুনের উত্তাপ থেকে রক্ষা পাবে ডিভাইসটি। রান্নার সহায়তা নিতে হাউ টু কুক এভরিথিং কিংবা বাটারবল কুকবুক প্লাসের মতো অ্যাপ ডাউনলোড করে নেয়া যেতে পারে।
সেকেন্ডারি মনিটর
ডিজিটাল প্রডাক্টিভিটির ক্ষেত্রে ডুয়াল মনিটর সেটআপ দারুণ সহায়ক হতে পারে। তবে ল্যাপটপের মতো ডিভাইসে কাজের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত এলসিডি ডিসপ্লে ব্যবহার খুব একটা সুবিধাজনক হবে না।
আইপ্যাডে এয়ার ডিসপ্লের মতো অ্যাপ ইনস্টল করে ডেস্কটপ মনিটরের বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে। এর ফলে ডেস্কটপের সামনে বসে না থেকেও দ্বিতীয় স্ক্রিন ব্যবহার করে মেইল আদান-প্রদান ও প্রাথমিক বিভিন্ন কমান্ড দেয়া সম্ভব হবে।

এভি রিমোট
বেশির ভাগ মিডিয়া স্ট্রিমিং ডিভাইস রিমোট কন্ট্রোলসহ সরবরাহ করা হয়। কিন্তু রিমোট কন্ট্রোল ডিভাইস ক্ষুদ্র আকৃতির হওয়ায় অনেক সময় খুঁজে পাওয়া যায় না। রিমোট কন্ট্রোল নষ্টও হয়ে যায় খুব অল্প সময়ে। অ্যাপল টিভি, ফায়ার টিভি স্টিক কিংবা রকুর মতো মিডিয়া স্ট্রিমিং ডিভাইসের রিমোট কন্ট্রোল নষ্ট কিংবা হারিয়ে গেলে নতুন না কিনে পুরনো অব্যবহূত আইপ্যাডকে রিমোট কন্ট্রোল হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে। শুধু সংশ্লিষ্ট অ্যাপ ডাউনলোড করেই পুরনো আইপ্যাডকে রিমোট কন্ট্রোল হিসেবে ব্যবহার করা যাবে।