মেঘ বরফের রাজ্য

আগের সংবাদ

প্রিয়া সাহার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের মামলা নয়: ওবায়দুল কাদের

পরের সংবাদ

কর্মক্ষেত্রে কাজপ্রিয় বস

প্রকাশিত হয়েছে: জুলাই ২১, ২০১৯ , ৪:০৬ অপরাহ্ণ | আপডেট: জুলাই ২১, ২০১৯, ৪:০৬ অপরাহ্ণ

Avatar

পৃথিবীতে অনেক কাজপ্রিয় মানুষ রয়েছে। এই মানুষগুলো সবসময় কাজ করতেই ভালোবাসেন। কিন্তু এদের মধ্যে কিছু মানুষ রয়েছে, যারা শুধুমাত্র কাজপ্রিয় নন, তারা কাজের নেশায় আসক্ত। এই মানুষগুলো কর্মজীবন এবং ব্যক্তিগত জীবনের মধ্যে পার্থক্য ভুলে যান। পরিবার, সমাজ, দেশ এমনকি নিজের প্রতি তাদের দায়িত্বও ভুলে যান। এই সমস্যাটি আরো প্রকট হয়, যখন এই কাজে আসক্ত মানুষগুলো নিজের নীতি অন্যের ওপর প্রয়োগ করতে চান।
কর্মক্ষেত্র নির্বাচনে সচেতন হন

কিছু কিছু বস বা ম্যানেজার রয়েছে, যারা অধিক কাজপ্রিয়। তারা কাজের সময় ভুলেই যান, তাদেরও একটি ব্যক্তিগত জীবন রয়েছে। শুধু তাই নয়, তার অধীনস্থদের ব্যক্তিগত জীবনের কথাও ভুলে যান। আবার এমন কিছু প্রতিষ্ঠান রয়েছে, যে প্রতিষ্ঠানের কর্মকান্ড চলে টানা কয়েক দিন থেকে কয়েক সপ্তাহ। জীবন মানে শুধু কাজ করে যাওয়া নয়। কর্মজীবন ও ব্যক্তিগত জীবনের মধ্যে ভারসাম্য হচ্ছে, আসল জীবনের মানে। এই বিষয়ে বিখ্যাত লেখক চেতন ভগত বলেছেন, ‘সফলতা মানে হচ্ছে, ভারসাম্যপূর্ণ জীবন। যেখানে, জীবনের প্রতিটি অংশ থাকবে সুষম পর্যায়ে। আপনি কাজের মাধ্যমে টাকা উপার্জন করতে পারবেন। কিন্তু টাকা দিয়ে জীবনের সুন্দর মুহূর্তগুলো কিনতে পারবেন না। এক সময় হতাশ হয়ে পড়বেন। তখন কিছুই করার থাকবে না।’ তাই কর্মক্ষেত্র নির্বাচনে সচেতন হন। এরকম একটি প্রতিষ্ঠান খুঁজে বের করুন, যেখানে কর্মজীবন এবং ব্যক্তিগত জীবন উপভোগ করতে পারবেন।

একটি সীমারেখা তৈরি করুন
যদি ভুলক্রমে এরকম কোনো প্রতিষ্ঠানে যোগদান করেন অথবা কাজের নেশায় আসক্ত ম্যানেজারের অধীনে কাজ করতে হয়, তাহলে ভয় না পেয়ে ম্যানেজারের সঙ্গে আলোচনা করুন। রেগে যাবেন না। শান্ত থেকে আপনার মতামত শেয়ার করুন। লেখক ব্রায়ান রবিনসন বলেন, শান্ত থেকে সমস্যার কথা বলুন। যদি আরো বেশি সমস্যা তৈরি করে, তাহলে কর্মক্ষেত্রটি ছুঁড়ে ফেলে জীবনকে সামনে নিয়ে আসুন। একজন কাজের নেশায় আসক্ত ব্যক্তি বুঝতে পারে না, তিনি যে নীতি অনুসরণ করে হাঁটছেন সেটি জীবনকে ভারসাম্যহীন করে তুলছে। শুধু তাই নয় অন্যের জীবনকেও ভারসাম্যহীন করে দিতে পারে। এই মানুষগুলো যেকোনো মূল্যে কাজ আদায় করে নিতে চান। এক্ষেত্রে ম্যানেজার এবং প্রতিষ্ঠানকে স্পষ্ট করে বলুন, আপনি আপনার নির্দিষ্ট সময়ের অতিরিক্ত কাজ করতে পারবেন না।

আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করুন
বস একটি কাজের জন্য সাপ্তাহিক ছুটির দিনেও অফিসে আসতে বললেন। যদি এটি খুব গুরুত্বপূর্ণ হয়, তাহলে বসের অনুরোধ রাখা যেতে পারে। কিন্তু যদি নিয়মিত হয়, সেক্ষেত্রে আপনি ভেবে দেখুন, আপনার পক্ষে সম্ভব কি না। যদি সম্ভব না হয়। তাহলে নমনীয়ভাবে বলুন, ‘আমি কাজটির গুরুত্ব বুজতে পেরেছি, কিন্তু কিছু পারিবারিক সমস্যার কারণে আসতে পারবো না’।

  • আরও পড়ুন
  • লেখকের অন্যান্য লেখা