উখিয়ার কুতুপালং রোহিঙ্গা শিবিরে ইট ভর্তি ট্রাক উল্টে মা ছেলে নিহত

আগের সংবাদ

শেরপুরে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি

পরের সংবাদ

রামগড়ে মায়ের সহযোগীতায় পিতার বিরুদ্ধে মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগ

প্রকাশিত হয়েছে: জুলাই ১৯, ২০১৯ , ৪:০৫ অপরাহ্ণ | আপডেট: জুলাই ১৯, ২০১৯, ৪:০৫ অপরাহ্ণ

Avatar

জেলার রামগড়ের নোয়াপাড়ার ৮ম শ্রেণীর এক মাদ্রাসা ছাত্রী তার পিতার বিরুদ্ধে মায়ের সহযোগীতায় থানায় ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে।

বৃহস্পতিবার রাতে এলাকাবাসী মেয়ে ও তার মাকে থানায় নিয়ে আসলে পুলিশের কাছে পিতার হাতে যৌন নির্যাতনের অভিযোগটি করা হয়। মেয়েটি আরো জানায়, ধর্ষণ করতে পিতাকে সহযোগিতা করতো তারই মা। এ ঘটনা জানাজানির পর দিনমজুর পিতা এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যান।

নির্যাতিত মেয়েটি জানান, তার পিতা আবুল কাশেম (৪৩) গত ২ জুলাই রাতে জোরপূর্বক প্রথমবার তাকে ধর্ষণ করে। একইভাবে আরো ২/৩ বার পিতার দ্বারা ধর্ষণের শিকার হয় সে। পিতার পা ধরে ক্ষমা চেয়ে কাকুতি মিনতি করেও ধর্ষণের হাত থেকে নিজেকে বাঁচাতে পারেনি সে। সর্বশেষ গত ১২ জুলাই গভীর রাতে ছোট ভাইবোন নিয়ে ঘুমিয়ে থাকা অবস্থায় তাকে ধর্ষণ করতে গেলে সে তার বাবাকে বলে কালকে আমার কোরআন মজিদ পরীক্ষা। আমার সাথে খারাপ কাজ না করে বিষ খাইয়ে মেরে ফেলেন। এতকিছুর পরও মেয়েটিকে পাষন্ড পিতা আবারও ধর্ষণ করে। মেয়েটি জানায়, সে চিৎকার চেঁচামেচি করতে চাইলে মা তার মুখ চেপে ধরতো। ধর্ষণের কথা প্রকাশ করলে তাকে গলাটিপে হত্যা করে লাশ বস্তায়ভরে মাটিতে পুঁতে ফেলারও ভয়ভীতি দেখাতো তার পিতা। মেয়েটি আরো জানায়, ঘটনাটি প্রথমে তার দাদীকে বলেন। কিন্তু দাদী কোন পদক্ষেপ না নেয়ায় গত ১৪ জুলাই তার চাচা ওমর ফারুককে জানান।

স্থানীয় ইউপি মেম্বার আব্দুল হান্নান বলেন, বৃহস্পতিবার মেয়েটির চাচা ওমর ফারুক ঘটনাটি সমাজের সভাপতিকে জানালে তারা মেয়ের মুখে অভিযোগটি শুনার পর বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে মেয়ে ও তার মাকে থানায় নিয়ে আসেন।

রামগড় থানার ওসি (তদন্ত) মো: মনির হোসেন বলেন, মেয়ে ও তার মাকে আলাদাভাবে এবং সামনা-সামনি জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। মেয়েটি একাধিকবার তার পিতার হাতে ধর্ষণের শিকার হওয়ার অভিযোগ করেছেন এবং মাও বিষয়টি স্বীকার করেছেন। তিনি আরো বলেন, ধর্ষক পিতাকে গ্রেপ্তার এবং মামলা রুজুর প্রস্তুতি চলছে।