চট্টগ্রামে কাল বিএনপির সমাবেশ

আগের সংবাদ

চরম দুর্ভোগে বানভাসিরা ত্রাণের জন্য হাহাকার

পরের সংবাদ

ইরানের ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি যুক্তরাষ্ট্রের

কাগজ প্রতিবেদক

প্রকাশিত হয়েছে: জুলাই ১৯, ২০১৯ , ১:৫০ অপরাহ্ণ

মার্কিন নৌবাহিনীর জাহাজ ইউএসএস বক্মার হরমুজ উপকূলে ইরানের একটি ড্রোন ‘ধ্বংস করেছে’ বলে দাবি করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে ইরান বলছে, ড্রোন ভূপাতিত হওয়ার কোনো খবর তাদের কাছে নেই।।

বৃহস্পতিবার সকালে ওই ড্রোনটি মার্কিন নৌযানের ১ হাজার গজের মধ্যে উড়ে এসে হুমকি দেয়ায় পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে ইউএসএস বক্সার নামে জলে এবং স্থলে চলতে পারে এমন একটি যুদ্ধ জাহাজ প্রতিরক্ষামূলক পদক্ষেপের অংশ হিসেবে এটিকে ভূপাতিত করে

হরমুজকে ঘিরে ওয়াশিংটন-তেহরান ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই সেখানে এ ড্রোন ভূপাতিতের দাবি উঠল বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

“ড্রোনটি ইউএসএস বক্সারের ১ হাজার গজের মধ্যে উড়ে এসেছিল, সরে যাওয়ার জন্য সেটিকে কয়েকবার বলা হলেও ড্রোনটি তা অবজ্ঞা করে,” হোয়াইট হাউসের এক অনুষ্ঠানে এমনটাই জানান মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প।

যুক্তরাষ্ট্র এ ঘটনাকে আন্তর্জাতিক জলসীমায় জাহাজ চলাচলে বিঘ্ন ঘটাতে ইরানের ধারাবাহিক উসকানির অংশ হিসেবে বিবেচনা করছে।

ট্রাম্প বলেন “নিজেদের লোকজন, স্থাপনা ও স্বার্থ রক্ষার অধিকার রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের। আর তাই তাৎক্ষণিকভাবে ওই ড্রোনটি ধ্বংস করে দেওয়া হয়,।

পেন্টাগনের মুখপাত্র কমান্ডার রেবেকা রেবারিচ জানান,“আমাদের মূল্যায়ন বলছে, ড্রোনটি ছিল ইরানি,” বলেছেন ওয়াশিংটন ড্রোন ভূপাতিতের দাবি করলেও ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রী জাভেদ জারিফ তাদের কাছে এখন পর্যন্ত ড্রোন হারানোর কোনো খবর নেই বলে জানিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার ইউএসএস বক্সারের কাছে উড়ে আসা ড্রোনটিকে ‘ইলেকট্রনিক জ্যামিংয়ের’ মাধ্যমে ভূপাতিত করা হয় বলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মার্কিন কর্মকর্তা রয়টার্সকে জানান।

এর আগে গত মাসে ইরান তাদের আকাশসীমায় ‘অবৈধভাবে অনুপ্রবেশ করা’ একটি মার্কিন ড্রোনকে গুলি করে ভূপাতিত করেছিল।

যুক্তরাষ্ট্র সেসময় বলেছিল, তাদের ড্রোনটি ইরানি নয়, আন্তর্জাতিক আকাশসীমায় ছিল।
এর আগে, তেহরান জানায়, জ্বালানি চোরাচালানের অভিযোগে বিদেশি একটি ট্যাঙ্কার এবং ১২ জন ক্রু আটক করেছে তারা।

গত মে মাস থেকে বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ জাহাজ চলাচল এলাকায় ইরানের বিরুদ্ধে ট্যাংকারে হামলার অভিযোগ করে আসছে যুক্তরাষ্ট্র। তবে সব অভিযোগ নাকোচ করেছে ইরান।

সাম্প্রতিক এসব ঘটনা ওই এলাকায় সামরিক সংঘাত শুরু করতে পারে বলে আশঙ্কা তৈরি করেছে।