খুলনায় ট্রাকচাপায় নিহত ১

আগের সংবাদ

মাদকে বুঁদ কিশোর গ্যাং

পরের সংবাদ

নেপাল-ভারত-বাংলাদেশ

বন্যাকবলিত তিনটি দেশে বহু প্রাণহানি

প্রকাশিত হয়েছে: জুলাই ১৬, ২০১৯ , ১২:০৮ অপরাহ্ণ | আপডেট: জুলাই ১৬, ২০১৯, ১২:২১ অপরাহ্ণ

Avatar

প্রবল বর্ষণে মৌসুমী বন্যার কবলে পড়েছে ভারতীয় উপমহাদেশের তিন দেশ নেপাল, ভারত ও বাংলাদেশের একটি বড় অংশ। নেপালে ভারি বৃষ্টিপাতে আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে গত রবিবার পর্যন্ত চার দিনে মৃতের সংখ্যা ৫৫ ছাড়িয়েছে।
নেপালের সরকারি সূত্রের বরাতে বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানায়, টানা কয়েকদিনের বৃষ্টিপাতে নেপালের বহু এলাকা জলমগ্ন হয়ে পড়েছে, ঘরবাড়ি ডুবে গেছে। এছাড়াও দেশটির বিভিন্ন এলাকায় বেশ কয়েকটি সেতু ও সড়ক ধসে গেছে। এ পরিস্থিতিতে ঘরবাড়ি ছাড়তে বাধ্য হয়েছে প্রায় ১০ হাজার লোক।
নেপালের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে ৫৫ জনের মৃত্যুর খবর জানিয়ে বলা হয়, এখনো নিখোঁজ রয়েছে ৩০ জন। বাড়তে থাকা এই বন্যায় ১০ লাখের বেশি লোক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত ১০ হাজার বাড়ি থেকে সহস্রাধিক লোককে উদ্ধার করেছে পুলিশ।

রাজধানী কাঠমান্ডুতে একটি বাড়ির একাংশ ধসে পড়লে এক পরিবারের তিন জনের মৃত্যু ঘটে। আগামী কয়েক দিন ভারি বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে আবহাওয়ার পূর্বাভাস।
এদিকে, বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয় চীন, ভারত ও বাংলাদেশের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত ব্রহ্মপুত্র নদীর পানি তীর ছাপিয়ে উপচে পড়েছে। এতে ভারতের উত্তরপূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য আসামের ৩৩টি জেলার মধ্যে ২৮টি জেলা বন্যাকবলিত হয়েছে। এসব জেলায় ডুবে গেছে ৩ হাজারের বেশি গ্রাম এবং ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ২৬ লাখের বেশি লোক।
রাজ্যটিতে বন্যা ও ভূমিধসে অন্তত ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানায় ভারতের আনন্দবাজার পত্রিকা। টানা বৃষ্টিতে বাংলাদেশের রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরেও মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। চলতি মাসে ওই এলাকায় ৫৮ দশমিক পাঁচ সেন্টিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে বলে জানায় আবহাওয়া বিভাগ।
বিবিসির খবর অনুযায়ী, এপ্রিল থেকে এ পর্যন্ত ভূমিধসের ঘটনায় রোহিঙ্গা আশ্রয় শিবিরে অন্তত ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে। গত সপ্তাহেও ভূমিধসে মারা গেছে দুটি শিশু। প্রতিবছর জুন থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বিস্তৃত বর্ষা মৌসুমে দক্ষিণ এশিয়ার এ অঞ্চলগুলোতে এসব ক্ষয়ক্ষতি প্রায় নিয়মিত ঘটনা। বিবিসি জানায়, গত বছর এ অঞ্চলে ঝড় ও ভূমিধসে অন্তত ১২০০ মানুষের প্রাণহানি ঘটে।