ভারত ২০২৩ বিশ্বকাপের আয়োজক

আগের সংবাদ

বাংলাদেশে বিনিয়োগ বাড়াতে কোরিয়ার আগ্রহ প্রকাশ

পরের সংবাদ

বিশ্বকাপে আলো ছড়িয়েছেন যারা

প্রকাশিত হয়েছে: জুলাই ১৫, ২০১৯ , ১২:৫২ অপরাহ্ণ | আপডেট: জুলাই ১৫, ২০১৯, ১২:৫২ অপরাহ্ণ

Avatar

ইংল্যন্ড-নিউজিল্যান্ডের ফাইনালের মধ্য দিয়ে পর্দা নামল দ্বাদশ বিশ্বকাপের। আবার চার বছর অপেক্ষার পর ভারতের মাটিতে ২০২৩ সালে পর্দা উঠবে ত্রয়োদশ বিশ্বকাপের। এবারই প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের মতো বড় মঞ্চে খেলতে এসে আলো ছড়িয়েছেন বেশ কয়েকজন ক্রিকেটার। দুর্দান্ত পারফরমেন্স করে নজর কেড়েছেন ক্রিকেট বোদ্ধা, ভক্ত-সমর্থকদের। তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন পেসার মোস্তাফিজুর রহমান, মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন, মোহাম্মদ আমির, শাহিন শাহ আফ্রিদি, লুকেশ রাহুল, জোফরা আর্চার, লকি ফার্গুসন, শাই হোপ, জেসন রয় ও জনি বেয়ারস্টো। এবারের বিশ্বকাপে ৮ ম্যাচ খেলে ২০ উইকেট তুলে নিয়েছেন বাংলাদেশের মোস্তাফিজুর রহমান। যার মধ্যে শক্তিশালী দল ভারত ও পাকিস্তানের বিপক্ষে আলাদাভাবে তুলে নিয়েছেন ৫টি করে উইকেট। তিনি প্রথম বাংলাদেশি খেলোয়াড় যিনি বিশ্বকাপের দুই ম্যাচে ৫ উইকেট নেয়ার কীর্তি গড়েছেন। দ্যুতি ছড়ানোর তালিকায় রয়েছেন আরেক বাংলাদেশি খেলোয়াড় মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন। বিশ্বকাপে ৭ ম্যাচ খেলে তিনি তুলে নেন ১৩টি উইকেট। ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও পাকিস্তানের বিপক্ষে ৩টি করে উইকেট পেয়েছিলেন তিনি। ভারতের বিপক্ষে গ্রুপ পর্বের ম্যাচে দলের অন্য ব্যাটসম্যানরা যখন ব্যর্থ হয়েছিলেন ৫১ রানে অপরাজিত থেকে একাই লড়ে বাংলাদেশি সমর্থকদের জয়ের আশা দেখিয়েছিলেন তিনি। পাকিস্তানের মোহাম্মদ আমির বিশ্বকাপের প্রথম থেকেই ছিলেন বেশ উজ্জ্বল। ৮ ম্যাচ খেলে তিনি তুলে নেন ১৭টি উইকেট। তিনি প্রথম পাকিস্তানি হিসেবে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ৫ উইকেট তুলে নিয়েছিলেন যা ওয়াসিম আকরামও পারেননি। আরেক তরুণ পাকিস্তানি পেসার শাহিন শাহ আফ্রিদিও ছিলেন বেশ উজ্জ্বল। তিনি কতটা ভয়ানক হতে পারেন তা দেখিয়েছিলেন বাংলাদেশের বিপক্ষে শেষ ম্যাচে। সেই ম্যাচটিতে ৬ উইকেট নিয়ে বাংলাদেশকে তিনি একাই থামিয়ে দিয়েছিলেন। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে ভারতের লুকেশ রাহুল পেয়েছিলেন সেঞ্চুরি। বাংলাদেশের বিপক্ষে মাত্র ৮ রানের জন্য সেঞ্চুরি করতে পারেননি। চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তানের বিপক্ষেও পেয়েছিলেন হাফ সেঞ্চুরির দেখা। ইংল্যান্ডের পেসার জোফরা আর্চার ইংলিশদের হয়ে পুরো বিশ্বকাপে নিয়মিতভাবে পারফরমেন্স করে গেছেন। এবারের বিশ্বকাপে ১১টি ম্যাচ খেলেছেন যার মধ্যে ৫টি ম্যাচেই ৩টি করে উইকেট তুলে নিয়েছেন তিনি। সবমিলিয়ে ১১ ম্যাচ থেকে তার নামের পাশে রয়েছে ১৯টি উইকেট। নিউজিল্যান্ডের পেসার লকি ফার্গুসনের গতির কাছে হার মেনেছে বাঘা বাঘা সব ব্যাটসম্যান। এবারের বিশ্বকাপে ৯ ম্যাচ খেলে তিনি তুলে নিয়েছেন ১৮ উইকেট। এক ম্যাচে সর্বোচ্চ চারটি উইকেট তুলে নিয়েছিলেন আফগানিস্তানের বিপক্ষে। ওয়েস্ট ইন্ডিজের শাই হোপ তার দল ভালো করতে না পারলেও তিনি ছিলেন উজ্জ্বল। তিন ম্যাচে সেঞ্চুরি থেকে মোট ২৭৪ রান করেছেন তিনি। এর মধ্যে বাংলাদেশের বিপক্ষে খেলেছিলেন ৯২ রানের এক ঝলমলে ইনিংস। ইংল্যান্ডকে ফাইনালে তুলতে জেসন রয়ের অবদান অনস্বীকার্য। তিন মাত্র সাত ম্যাচ খেলে ৪টিতে হাফ সেঞ্চুরি ও একটি সেঞ্চুরি করেছিলেন। বাংলাদেশের বিপক্ষে সর্বোচ্চ ১৫৩ রান করেন তিনি। আরেক ইংলিশ ব্যাটসম্যান জনি বায়ারস্টো ১২ ম্যাচ খেলে করেছেন ৪৯৬ রান। যার মধ্যে রয়েছে ২টি সেঞ্চুরি ও ২টি হাফ সেঞ্চুরি। ইংল্যান্ডকে ফাইনালে ওঠানোর পেছনে তিনিও বড় অবদান রাখেন।