মশা মারতে ডিএনসিসির কারিগরি কমিটি

আগের সংবাদ

এরশাদ : ভালোমন্দ মিলায়ে সকলি

পরের সংবাদ

অভিনন্দন ইংল্যান্ড ক্রিকেট দল

প্রকাশিত হয়েছে: জুলাই ১৫, ২০১৯ , ৯:২৬ অপরাহ্ণ | আপডেট: জুলাই ১৫, ২০১৯, ৯:২৬ অপরাহ্ণ

অনলাইন প্রতিবেদক

ক্রিকেটের জন্মভিটায় ভূমিপুত্ররা ৪৪ বছর পর প্রথমবারের মতো শ্রেষ্ঠত্বের স্বীকৃতি পেল। ২০১৯ ক্রিকেট বিশ্বকাপের ফাইনালে জয়ী হলো ইংল্যান্ড। অভিনন্দন ইংল্যান্ড ক্রিকেট দলকে। রবিবার বিশ্বকাপ ইতিহাসের সেরা ফাইনালটি দেখা গেল লর্ডসে। ফাইনালের প্রথম অংশে ম্যাচ টাই হলো। এরপর খেলা গড়াল সুপার ওভারে। সেই সুপার ওভারে ইংল্যান্ড আগে ব্যাট করে করল ১৫ রান। নিউজিল্যান্ড সেই রান তুললে আবার হলো টাই।

বেশি বাউন্ডারি মারায় জয় পায় ইংল্যান্ড। ফাইনালে ২৬টি বাউন্ডারি ইংলিশদের আর কিউইদের ১৭টি। সেই হিসেবেই জয়ী ঘোষিত হয় ইংল্যান্ড। ভাগ্য নিজের হাতে করে ট্রফি তুলে দিল ইংল্যান্ডের হাতে। ম্যান অব দ্য ফাইনাল হয়েছেন বেন স্টোকস। ম্যান অব দ্য টুর্নামেন্ট হয়েছেন কেন উইলিয়ামসন। এর আগে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে ৫০ ওভারে ৮ উইকেটে ২৪১ রান করে নিউজিল্যান্ড।

নির্ধারিত ওভারের শেষ বলে অলআউট হওয়ার আগে ইংল্যান্ডের সংগ্রহ ছিল সমান, ২৪১। ম্যাচ গড়ায় সুপার ওভারে। ট্রেন্ট বোল্টের হাতে বল তুলে দেন কিউই অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন। স্টোকস ও বাটলার সুপার ওভারে ১৫ রান তুলেছেন। ইংল্যান্ড বল তুলে দেয় জোফরা আর্চারের হাতে। ওয়াইড দিয়ে শুরু, পরের বলে দুই রান। তৃতীয় বলে ৬ মেরে ম্যাচ সহজ করে নেয় নিউজিল্যান্ড। দুই রান আউটে সুপার ওভারে ১৫ রান তুলে আবারো টাই করে কিউইরা।

সুপার ওভারে গড়ানো ম্যাচও টাই হয়, কিন্তু বাউন্ডারি সংখ্যায় এগিয়ে থাকার কারণে ট্রফি ওঠে মরগ্যানদের হাতে। এর আগে ১৯৭৯, ১৯৮৩ ও ১৯৯২ সালের বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠেও শিরোপা জিততে পারেনি ইংল্যান্ড। চতুর্থবার বিধাতা মুখ ফিরিয়ে নেয়নি ইংলিশদের থেকে। বিশ্বকাপ ক্রিকেট নিয়ে আমাদেরও উল্লাস কম নয়।

১৯৯৭ সালে মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরে অনুষ্ঠিত ষষ্ঠ আইসিসি ট্রফির ফাইনালে কেনিয়াকে দুই উইকেটে হারিয়ে বিশ্বকাপ খেলার যোগ্যতা অর্জন করে বাংলাদেশ। ১৯৯৯ সালে বিশ্বকাপে প্রথমবার যোগ দিয়েই বিশ্বকে চমকে দিয়েছিল বাংলাদেশ। সেবার শক্তিশালী পাকিস্তানকে হারিয়ে বাংলাদেশের আগমনী বার্তা জানিয়ে দিয়ে এসেছিল টাইগাররা।

এরপর ধীরে ধীরে ক্রিকেট বিশ্বে নিজেদের সামর্থ্য জানান দিতে শুরু করে। এবার বিশ্বকাপে বাংলাদেশের অবস্থান ছিলও উজ্জ্বল। আফগানিস্তান, ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও সাউথ আফ্রিকাকে হারিয়ে নিজের শক্ত অবস্থান জানান দেয়। তবে বিশ্বকাপের ফাইনালে না থেকেও ছিল বাংলাদেশ। ব্যক্তিগত পুরস্কারের দৌড়ে এগিয়ে ছিল লাল-সবুজের এ লড়াই।

দেশের প্রতিনিধি হয়ে বিশ্বকাপের সেরা খেলোয়াড় হওয়ার লড়াইয়ে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত ভালোভাবেই টিকেছিলেন সাকিব আল হাসান। আট ম্যাচ খেলে ৬০৬ রান ও ১১ উইকেট নিয়ে প্রশংসা কুড়ান তিনি। বিশ্ব ক্রিকেটে বাংলাদেশ এখন এক দুর্নিবার শক্তি এটা ক্রিকেটবোদ্ধারা মেনে নিচ্ছেন। আগামী বিশ্বকাপ ক্রিকেটে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল আরো ভালো করবে এমন প্রত্যাশা রাখছি।

  • আরও পড়ুন
  • লেখকের অন্যান্য লেখা