অবশেষে রিজেন্টকে ক্ষমা করলেন মাহবুব তালুকদার

আগের সংবাদ

বৃষ্টি কমবে দু’দিন পর, প্লাবিত হচ্ছে নতুন এলাকা

পরের সংবাদ

দেশের কোথাও রাস্তার পাশে পশুরহাট নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রকাশিত হয়েছে: জুলাই ১৪, ২০১৯ , ৯:৫৪ অপরাহ্ণ | আপডেট: জুলাই ১৫, ২০১৯, ১২:৪৮ পূর্বাহ্ণ

কাগজ প্রতিবেদক

আসন্ন ঈদ উল আজহায় দেশে কোথাও রাস্তার পাশে পশুর হাট বসতে দেওয়া হবে না। রোববার (১৪ জুলাই) এমনটাই জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল। একই সঙ্গে কোরবানির পশুবাহী ট্রাক ও ট্রলারে চাঁদাবাজি বন্ধে নির্দিষ্ট হাটের ব্যানার টাঙানোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।

রোববার (১৪ জুলাই) সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আসন্ন ঈদ উপলক্ষে দেশের সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যালোচনা, নিয়ন্ত্রণে করণীয় ও প্রাসঙ্গিক বিষয় নিয়ে অনুষ্ঠিত সভায় তিনি একথা বলেন।

এবারের ঈদুল আজহায় রাজধানীতে সিটি করপোরেশন নির্ধারিত স্থান ছাড়া কোনো স্থানে পশু কেরবানি দেওয়া যাবে না। সিটি করপোরেশন কর্তৃপক্ষ আমাদের পুলিশ কমিশনারের সঙ্গে আলোচনা করে নির্ধারিত স্থান নির্ধারণ করবেন। সেই স্থানের বাইরে কোথাও কোরবানির হাট ও পশু জবাই করা যাবে না। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, রাস্তার পাশে পশুর হাট না বসানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছি আমরা। এ সিদ্ধান্ত সব স্থানে বলবৎ থাকবে। এছাড়া কোরবানির পশুর হাটের নিরাপত্তায় হাটগুলোতে অস্থায়ী পুলিশ ক্যাম্প, সিসিটিভি স্থাপন, গোয়েন্দা নজরদারি, সাদা পোশাকে পুলিশ মোতায়েন করা হবে।

তিনি বলেন, কোরবানির পশুবাহী ট্রাক যাতে কেউ জোরপূর্বক নির্দিষ্ট কোনো হাটে যেতে বাধ্য করতে না পারে সে বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। এজন্য আমরা প্রত্যেক জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে নির্দেশনা দেবো। সারাদেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের কর্মকর্তারা নির্দেশনা দেবেন কোথায় পশুরহাট হবে।

হাটে জালনোট শনাক্ত ও হাসিল আদায়ের বিষয়ে তিনি বলেন, গরুর হাটে সান্ধ্যকালীন টাকা-পয়সা লেনদেনে বুথ খোলা রাখার বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকে অনুরোধ করা হয়েছে। তারা সে বিষয়ে ব্যবস্থা নেবে। এছাড়া হাটে জালনোট শনাক্তকারী মেশিন থাকবে এবং টাকা-পয়সা পরিবহনে মানি স্কোয়াডের ব্যবস্থা থাকবে। জনসাধারণের সুবিধার্থে পশুরহাটে হাসিলের চার্ট উন্মুক্ত স্থানে টাঙিয়ে রাখতে বলা হয়েছে।

চামড়া পাচার রোধের বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, চামড়া বেচাকেনায় যাতে অপ্রীতিকর পরিস্থিতর সৃষ্টি না হয় সেজন্য সীমান্ত এলাকায় চামড়া পাচার রোধে নজরদারি বাড়ানো হবে। ঈদে সন্ত্রাসীচক্র ও দুষ্কৃতিকারীদের তৎপরতা রোধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। পশুরহাট, বাস, রেল, লঞ্চ টার্মিনালে বিশেষ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নিয়োগ দেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

এবারের ঈদুল আজহায় রাজধানীতে সিটি করপোরেশন নির্ধারিত স্থান ছাড়া কোনো স্থানে পশু কোরবানি দেওয়া যাবে না। সিটি করপোরেশন কর্তৃপক্ষ আমাদের পুলিশ কমিশনারের সঙ্গে আলোচনা করে নির্ধারিত স্থান নির্ধারণ করবেন। সেই স্থানের বাইরে কোথাও কোরবানির হাট ও পশু জবাই করা যাবে না।