বিশ্বের সবচেয়ে ধনী বিনোদনদাতা অক্ষয়

আগের সংবাদ

সুখে-দুঃখে দেশের জনগণের পাশে আছি, থাকব: প্রধানমন্ত্রী

পরের সংবাদ

বিচার কার্যক্রম নিয়ন্ত্রিত হওয়ায় ধর্ষণ মহামারী: সেলিমা

প্রকাশিত হয়েছে: জুলাই ১২, ২০১৯ , ৭:৩৮ অপরাহ্ণ | আপডেট: জুলাই ১২, ২০১৯, ৭:৩৮ অপরাহ্ণ

Avatar

‘সাহস থাকলে বিএনপি তাদের নেত্রীকে আন্দোলন করে বের করে আনুক’ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের এমন বক্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য বেগম সেলিমা রহমান।

তিনি বলেন, ‘খালেদা জিয়াকে আমরা মুক্ত করে আনবো। কিন্তু আপনাদের মুখে বড় বড় কথা মানায় না। কারণ আপনারা নির্বাচন করেননি। যদি আপনাদের সাহস থাকতো তাহলে ২৯ ডিসেম্বর মধ্যরাতে নির্বাচন করতেন না। জনগণের উপর আস্থা থাকলে ৩০ ডিসেম্বর নির্বাচন করতেন। সেটা করেননি কারণ আপনারা জানেন জনগণ থেকে আপনারা সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন।’

আজ শুক্রবার (১২ জুলাই) দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবে বাংলাদেশ ছাত্র মিশন আয়োজিত সংগঠনের ২০১৯ সালের কাউন্সিল উপলক্ষে আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।

ওবায়দুল কাদেরের উদ্দেশে তিনি আরো বলেন, ‘আপনারা অনেক কথা বলছেন। অথচ বিচার ব্যবস্থা সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস করেছেন। সে কারণে আজকে আমরা দেখতে পাচ্ছি ধর্ষণ মহামারী আকার ধারণ করেছে। দুই বছরের শিশু থেকে ৮০ বছরের বৃদ্ধা কেউ নিস্তার পাচ্ছেন না। বাচ্চারা মাঠে খেলতে গেলে সেই বাবা মা জানে না তার মেয়ে আর ঘরে ফিরে আসবে কিনা। কেন এটা হচ্ছে, কারণ এখন দেশে কোনো বিচার নেই, আজকে সম্পূর্ণ বিচার ব্যবস্থা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় এবং আইন মন্ত্রণালয় নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে। কোনো জজ নিরপেক্ষভাবে রায় দিতে পারছেন না।’

তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেতা শেখ হাসিনার ট্রেন বহরে গুলির ঘটনায় সম্প্রতি দেয়া রায়ের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে সেলিমা বলেন, ‘পাবনায় বিএনপি নেতাদের বিরুদ্ধে যে রায় দেয়া হয়েছে সেটি সম্পূর্ণভাবে হাস্যকর। ২৫ বছর আগের ঘটনা যেখানে কেউ আহত হয়নি কারো গায়ে একটু টোকাও পর্যন্ত লাগেনি অথচ সেখানে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়েছে, যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে।

বেগম খালেদা জিয়াকে বিনা চিকিৎসায় সরকার মেরে ফেলার ষড়যন্ত্র করছে মন্তব্য করে সেলিমা বলেন, ‘তিনি অসুস্থ। অসুস্থ অবস্থায় তাকে মেরে ফেলার চেষ্টা চলছে। কারণ তারা বেগম জিয়াকে ভয় পায়। তারা জানে যদি বেগম জিয়া বাইরে থাকেন সমগ্র দেশের জনগণ তাদের উপর ঝাঁপিয়ে পড়বে মানুষের ঢল নামবে বাংলাদেশে।

তিনি বলেন, ‘সরকার ছাত্র সমাজকে ধ্বংস করেছে। সমগ্র দেশে দেখতে পাই এক ভয়ঙ্কর চিত্র। ২০-২৫ বছরের ছেলেরা আজকে বিভিন্ন অপরাধে যুক্ত। বরগুনায় ০০৭ নামে সন্ত্রাসী বাহিনী গড়ে উঠেছে, এদেরকে তৈরি করেছে কারা? এদের পেছনে রয়েছে বড় বড় রাজনৈতিক শক্তিধর ব্যক্তিরা।’

আয়োজক সংগঠনের সভাপতি সৈয়দ মো. মিলনের সভাপতিত্বে কাউন্সিলের লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, শিক্ষক নেতা জাকির হোসেন, কৃষক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য লায়ন মিয়া মোহাম্মদ আনোয়ার, কে এম রকিবুল ইসলাম রিপন প্রমুখ বক্তব্য দেন।