কুমিল্লায় বাস-ট্রাক সংঘর্ষে নিহত ৪

আগের সংবাদ

রিফাত হত্যা: ৬ নম্বর আসামি রাব্বি গ্রেপ্তার

পরের সংবাদ

সাতাশ বছর পর ফাইনালে ইংল্যান্ড

প্রকাশিত হয়েছে: জুলাই ১১, ২০১৯ , ১০:৩০ অপরাহ্ণ | আপডেট: জুলাই ১১, ২০১৯, ১০:৩০ অপরাহ্ণ

কাগজ প্রতিবেদক

দীর্ঘ সাতাশ বছর পর ফাইনাল নিশ্চিত করলো এউইন মরগ্যানের দল। ১৯৯২ বিশ্বকাপের ফাইনালে খেলার পর মাঝে পাঁচটি বিশ্বকাপ পার হয়ে গেলেও ফাইনালের মুখ দেখেনি ইংল্যান্ড। অবশেষে ঘরের মাঠে এলো সেই কাঙ্ক্ষিত ফাইনাল।

৯২’র বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠলেও ট্রফি জেতা হয়নি ইংল্যান্ডের। পাকিস্তানের কাছে মাত্র ২২ রানে হেরে যে ফাইনালের পথ বন্ধ হয় সেটা ২০১৯ সালে এসে খুলেছে। ফাইনালে এবারের প্রতিপক্ষ নিউজিল্যান্ড।

বার্মিংহ্যামে দ্বাদশ বিশ্বকাপের দ্বিতীয় সেমিফাইনালে টস জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল অস্ট্রেলিয়া। গোটা আসরে ব্যাটে-বলে দুর্দান্ত পারফর্ম করা অজিদের সেমি-ফাইনালে এসে এমন হতাশার ব্যাটিং হয়তো তারা আশাও করেনি।

ব্যাটিংয়ে নেমে সে কি নিদারুণ শুরু অজিদের। ব্যক্তিগত শূন্য রানে অ্যারণ ফিঞ্চের বিদায়, ৯ রান করে ডেভিড ওয়ার্নারও শেষ। পিটার হ্যান্ডসকম্ব বিশ্বকাপে নিজের প্রথম ম্যাচ খেলতে নেমে হতাশ করেন ৪ রান করে।

দলীয় ১৪ রানে যখন ৩ উইকেট শেষ, তখন টেনে তোলার চেষ্টা স্টিভ স্মিথ আর অ্যালেক্স ক্যারির। ইংলিশ বোলারদের তোপের মুখেও গড়েন ১০৩ রানের জুটি। এর মাঝে জোফরা আর্চারের বলের আঘাতে মুখ থেতলে গেলেও হাল ছাড়েননি ক্যারি।

শেষ পর্যন্ত ৭০ বলে ৪৬ রানের ইনিংস খেলে বিদায় নেন আদিল রশিদের বলে ক্যাচ দিয়ে দলীয় ১১৭ রানের মাথায়।

এরপর স্টিভ লড়ে গেছেন গ্লেন ম্যাক্সওয়েল আর মিচেল স্টার্ককে নিয়ে। অজিদের এমন দুঃসময়ে দলের কাণ্ডারি হয়ে উঠেন এই ডান-হাতি।

ম্যাক্সওয়েল ২৩ বলে করেন ২২ রান, স্ট্রার্কের ব্যাটে আসে ৩৬ বলে ৩৯ রান। স্মিথ শেষ পর্যন্ত ১১৯ বলে ৮৫ রান করে বিদায় নেন রান আউট হয়ে। এরপর শেষের ব্যাটসম্যানদের ব্যর্থতায় ৪৯ ওভারে ২২৩ রানে অল-আউট হয়ে যায় অস্ট্রেলিয়া।

সমান ৩টি করে উইকেট নেন ক্রিস ওকস ও আদিল রশিদ। ২টি উইকেট নেন জোফরা আর্চার ও ১টি উইকেট নেন মার্ক উড।

ইংল্যান্ডের সামনে মাত্র ২২৩ রানের লক্ষ্য ফাইনালে যেতে হলে। এত সহজ সুযোগ কি আর ছেড়ে দেয়া যায়! ইংলিশরা আজ অন্তত অজিদের কাছে হারেনি, লিগ পর্বে হারলেও।

বলা যায় ইংলিশ দুই উদ্বোধনী জনি বেরিস্টো আর জেসন রয়ের জুটিই হারিয়ে দেয় অজিদের। ১২৪ রানের জুটি গড়ে ম্যাচ নিজেদের নিয়ন্ত্রণে এনে দিয়ে দলীয় ১২৪ রানের মাথায় ৩৪ রানে সাজঘরে ফেরেন বেরিস্টো।

জনি তখন ছুটছেন শতক ছোঁয়ার পথে। কিন্তু হলো না। আম্পায়ারের ভুল সিদ্ধান্তে ৮৫ রানের মাথায় জেসন রয় ফেরেন পেট কামিন্সের বলে।

দলীয় ১৪৭ রানের মাথায় দুই উইকেট হারালেও শেষদিকে রুট আর এউইন মরগ্যানের অপরাজিত ৭৯ রানের জুটি ১৭.৫ ওভার হাতে রেখে ৮ উইকেটের সহজ জয় এনে দেন। দলকে তুলে দেন ফাইনালে। মরগ্যানের ব্যাটে আসে ৪৪ আর রুট করেন ৪৯ রান।

অস্ট্রেলিয়ার হয়ে ১ টি করে উইকেট নেন মিচেল স্টার্ক ও প্যাট কামিন্স।