শেষ হলো বাজেট অধিবেশন

আগের সংবাদ

কুমিল্লায় বাস-ট্রাক সংঘর্ষে নিহত ৪

পরের সংবাদ

নুসরাত হত্যা: পরীক্ষার হলে ১৫ মিনিট দেরিতে মনি-পপির প্রবেশ

প্রকাশিত হয়েছে: জুলাই ১১, ২০১৯ , ১০:০২ অপরাহ্ণ | আপডেট: জুলাই ১১, ২০১৯, ১০:০২ অপরাহ্ণ

কাগজ প্রতিবেদক

ফেনীর আলোচিত মাদরাসাছাত্রী নুসরাত জাহান রাফিকে আগুনে পুড়িয়ে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় দশম দিনের সাক্ষ্যগ্রহণ ও জেরা শেষ হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১১ জুলাই) নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মামুনুর রশিদের আদালতে নুসরাতের মাদরাসা শিক্ষক আবুল খায়েরের পূর্বনির্ধারিত সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য করেন। দুপুরে তার সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়েছে। এ নিয়ে হত্যা মামলার ১৩ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হলো। আগামী ১৪ জুলাই আরও দু’জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ হবে। তারা হচ্ছেন- আবদুল হালিম মামুন ও মো. ইউসুফ।

মামলার বাদীপক্ষের আইনজীবী এম শাহজাহান সাজু বলেন, এ পর্যন্ত ১৩ জনের সাক্ষ্য ও জেরা শেষ হয়েছে। বৃহস্পতিবার মাদরাসা শিক্ষক আবুল খায়ের সাক্ষ্য দিয়েছেন। সাক্ষীর জবানবন্দিতে আবুল খায়ের আদালতকে জানান, গত ৬ এপ্রিল পরীক্ষার হলে কামরুন নাহার মনি ও উম্মে সুলতানা পপি ১৫ মিনিট দেরিতে প্রবেশ করেন। এ বিষয়ে তারা জানিয়েছিল, তারা বাথরুমে ছিল। তার কিছুক্ষণ পরে নুসরাতের অগ্নিকাণ্ডের খবর শুনতে পান শিক্ষক আবুল খায়ের।

এর আগে গত ২৭ জুন মামলার বাদী ও প্রথম সাক্ষী নুসরাতের বড় ভাই মাহমুদুল হাসান নোমানের সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়। পরে রাফির বান্ধবী নিশাত সুলতানা ও সহপাঠী নাসরিন সুলতানা, মাদরাসার পিয়ন নুরুল আমিন, নৈশপ্রহরী মো. মোস্তফা, কেরোসিন বিক্রেতা লোকমান হোসেন লিটন, বোরকা দোকানদার জসিম উদ্দিন ও দোকানের কর্মচারী হেলাল উদ্দিন ফরহাদ, নুসরাতের ছোট ভাই রাশেদুল হাসান রায়হান, জহিরুল ইসলাম, হল পরিদর্শক বেলায়েত হোসেন, নুসরাতের মা শিরিন আখতার ও শিক্ষক আবুল খায়েরর সাক্ষ্যগ্রহণ এবং জেরা শেষ হয়।

চলতি বছরের ২৭ মার্চ সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল মাদরাসার আলিম পরীক্ষার্থী নুসরাত জাহান রাফিকে যৌন নিপীড়নের দায়ে মাদরাসার অধ্যক্ষ সিরাজ উদ দৌলাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ৬ এপ্রিল ওই মাদরাসা কেন্দ্রের সাইক্লোন শেল্টারের ছাদে নিয়ে অধ্যক্ষের সহযোগীরা নুসরাতের শরীরে আগুন ধরিয়ে দেয়। টানা পাঁচদিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়ে ১০ এপ্রিল মারা যান নুসরাত জাহান রাফি।