ভারতের সামনে মাত্র ২৪০ রানের লক্ষ্য দিল নিউজিল্যান্ড

আগের সংবাদ

রুট-স্টার্ক জ্বলে উঠার লড়াই

পরের সংবাদ

অরিত্রীর আত্মহত্যা প্ররোচনায় দুই শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন

প্রকাশিত হয়েছে: জুলাই ১০, ২০১৯ , ৪:৩৬ অপরাহ্ণ | আপডেট: জুলাই ১০, ২০১৯, ৪:৩৬ অপরাহ্ণ

Avatar

ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের নবম শ্রেণির ছাত্রী অরিত্রী অধিকারীর আত্মহত্যায় প্ররোচনা মামলায় ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক নাজনীন ফেরদৌস ও শাখা প্রধান জিন্নাত আরার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মধ্যদিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে এ মামলার বিচার শুরু হয়েছে।

বুধবার ঢাকার তৃতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ রবিউল আলম অভিযোগ গঠন করে সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য আগামী ২৭ অক্টোবর দিন ধার্য করেন।

জামিনে থাকা ভিকারুননিসার দুই শিক্ষক এসময় কাঠগড়ায় ছিলেন।
আসামিপক্ষের আইনজীবী মোশাররফ হোসেন কাজল আসামিদের মামলা থেকে অব্যাহতি র আবেদন আর বাদীপক্ষের আইনজীবী সবুজ বাড়ই অব্যাহতির আবেদনের বিরোধিতা করে শুনানি শেষে বিচারক অব্যাহতির আবেদন নাকচ করে দিয়ে অভিযোগ গঠন করেন।

২০১৮ সালে ৩ ডিসেম্বর রাজধানীর শান্তিনগরের নিজ বাসায় ফ্যানের সঙ্গে গলায় ফাঁস দেয় শিক্ষার্থী অরিত্রী। মুমূর্ষু অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। পরে ভিকারুননিসার বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা আন্দোলন শুরু করে।

ওই ঘটনায় ৪ ডিসেম্বর রাজধানীর পল্টন থানায় ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক নাজনীন ফেরদৌস, প্রভাতী শাখার প্রধান জিনাত আক্তার ও শ্রেণি-শিক্ষিকা হাসনা হেনার বিরুদ্ধে আত্মহত্যায় প্ররোচণার অভিযোগে অরিত্রীর বাবা দিলীপ অধিকারী মামলা করেন। মামলার এজাহারে অরিত্রীর আত্মহত্যার কারণ সম্পর্কে তিনি বলেন, অরিত্রীর স্কুলের বার্ষিক পরীক্ষা চলছিল। ২ ডিসেম্বর (২০১৮) সমাজবিজ্ঞান পরীক্ষা চলার সময় তার কাছে একটি মোবাইল ফোন পাওয়া যায়। এ জন্য স্কুল কর্তৃপক্ষ আমাদের (বাবা-মা) ডেকে পাঠায়। ৩ ডিসেম্বর স্কুলে গেলে স্কুল কর্তৃপক্ষ আমাদের জানায়, অরিত্রি মোবাইল ফোনে নকল করছিল, তাই তাকে বহিষ্কারের (টিসি) সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। স্কুল কর্তৃপক্ষ মেয়ের সামনে আমাকে (বাবা) অনেক অপমান করে। এই অপমান এবং পরীক্ষা দিতে না পারার মানসিক আঘাত সইতে না পেরে সে (অরিত্রী) আত্মহত্যার পথ বেছে নেয়। বাসায় ফ্যানের সঙ্গে গলায় ফাঁস দেয়।

স্কুল কর্তৃপক্ষের দাবি, অরিত্রী পরীক্ষায় মোবাইল ফোনে নকল নিয়ে টেবিলে রেখে লিখছিল।

২০ মার্চ মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) পরিদর্শক কাজী কামরুল ইসলাম ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ নাজনীন ফেরদৌস, শাখা প্রধান জিন্নাত আরাকে অভিযুক্ত করে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। শ্রেণিশিক্ষিকা হাসনা হেনার বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়ার সুপারিশ করেছেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা।