আর নয় জল খরচে দৃশ্যধারণ

আগের সংবাদ

ঝালকাঠিতে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু

পরের সংবাদ

আমার কাছে জরুরি হচ্ছে ইমোশনাল কানেকশন-ঋত্বিক রোশন

প্রকাশিত হয়েছে: জুলাই ৭, ২০১৯ , ৪:৪৯ অপরাহ্ণ | আপডেট: জুলাই ৭, ২০১৯, ৪:৪৯ অপরাহ্ণ

Avatar

কঙ্গনা রানাউত বা দিদি সুনয়নাকে নিয়ে কোনো প্রশ্ন নয়। এই শর্তেই ভারতীয় একটি গণমাধ্যমকে সাক্ষাৎকার দিতে রাজি হলেন বলিউড অভিনেতা ঋত্বিক রোশন। কথা বললেন নিজের আগামী ছবি ‘সুপার থার্টি’ নিয়ে। সেই সাক্ষাৎকারটি তুলে আনা হলো মেলার পাঠকদের জন্য

আনন্দ কুমারের ভূমিকায় নিজেকে প্রস্তুত করার অভিজ্ঞতা কেমন ছিল?
ঋত্বিক রোশন : এক কথায় এনরিচিং! ম্রুনালের (ঠাকুর) সঙ্গে কাজের অভিজ্ঞতাও ভালো। ও ব্রিলিয়ান্ট অভিনেত্রী। আনন্দ কুমারের সম্পর্কে যখন জানলাম, আমার কাছে স্ক্রিপ্ট ছিল না। স্ক্রিপ্ট হাতে আসার পরে আমি ওর লেখা বইও পড়ি। অনেকবার দেখা হয়েছে ওর সঙ্গে এবং যতবার দেখা হয়েছে শেখার মাত্রাও বেড়েছে। ওর সঙ্গে দেখা করার সময়গুলো মুহূর্তের মধ্যে শেষ হয়ে যেত। পুরো প্রসেসটা খুব উপভোগ করেছি।
আপনাকে গ্রিক গড বলা হয়। এই ছবিতে ডি-গ্ল্যাম আপনি। নিজেকে ক্যামেরায় দেখে কী মনে হলো?
ঋত্বিক রোশন : অভিনেতা হিসেবে প্রত্যেকেরই একটা প্রসেস থাকে। চরিত্রের কাছাকাছি যাওয়ার জন্য মেকআপ, কস্টিউম, ডায়লগ বলা এগুলো এক একটা ধাপ। তবে আমার কাছে জরুরি হচ্ছে ইমোশনাল কানেকশন। অভিনেতা হিসেবে চরিত্রের কাছে পৌঁছতে পারলে আমি সবচেয়ে খুশি হই।
বিহারি ভাষাটা ভালো রপ্ত করেছেন?
ঋত্বিক রোশন : বিহারের বিভিন্ন জায়গায় ভিন্ন ভিন্ন ভাষায় মানুষ কথা বলেন। আমি একটা নির্দিষ্ট ডায়লেক্ট বলেছি। দু’মাস লেগেছিল সেটা শিখতে। একটা মিষ্টি ব্যাপার আছে ভাষাটার মধ্যে। হয়তো আগের জন্মে আমি বিহারি ছিলাম!
শিক্ষাব্যবস্থায় সংরক্ষণকে আপনি কীভাবে দেখেন?
ঋত্বিক রোশন : হঠাৎ করে এই বিষয়ে জবাব দেয়া সম্ভব নয় আমার পক্ষে। এর জন্য সময় লাগবে। তবে যে কোনো সমাজে ব্যালান্স রাখাটা খুব জরুরি। সংরক্ষণ যদি তা করতে পারে, তা হলে তো খুবই ভালো। কিন্তু সেটা না করতে পারলে খতিয়ে দেখা উচিত।
আপনি কেমন ছাত্র ছিলেন?
ঋত্বিক রোশন : খুব ভালো ছাত্র ছিলাম। কেহনে মে কেয়া জাতা হ্যায়! ক্লাস টেনের বোর্ডের পরীক্ষায় আমি ভালো ফল করেছিলাম। পেয়েছিলাম ৬৮.৫ শতাংশ। কিন্তু সবাইকে বলতাম ৭০ শতাংশ।
বাবা হিসেবে আপনার দুই ছেলেকে কী শিক্ষা দেন?
ঋত্বিক রোশন : কয়েকটা বেসিক জিনিস বলি ওদের। আত্মনির্ভরশীল হওয়া। একটা সিদ্ধান্ত নিয়ে তাতে দৃঢ় থাকা। কোনো পরিস্থিতিতেই সিদ্ধান্ত বদল না করা। ভালো চরিত্র গঠন খুব জরুরি। আর সেন্স অব হিউমার ভালো হতে হবে। দুঃসময় এলেও মুখের হাসিটা যেন বজায় থাকে।
আপনার সেরা শিক্ষক কে?
ঋত্বিক রোশন : জীবনের সব ভালো-মন্দ সিদ্ধান্তই আমাকে কিছু না কিছু শিখিয়েছে।
‘কৃশ ফোর’-এর এখন কী অবস্থা? কাজ এগিয়েছে?
ঋত্বিক রোশন : এই মুহূর্তে সবচেয়ে জরুরি বাবার (রাকেশ রোশন) স্বাস্থ্য। আগে উনি ঠিক হন। তার পরে এই নিয়ে ভাবনাচিন্তা হবে।

  • আরও পড়ুন
  • লেখকের অন্যান্য লেখা