জীবন পাওয়া রোহিতের ফিফটি

আগের সংবাদ

নারায়ণগঞ্জে বাসচাপায় যুবক নিহত

পরের সংবাদ

অক্টোপাথ ট্রাভেলার

প্রকাশিত হয়েছে: জুলাই ২, ২০১৯ , ৫:০২ অপরাহ্ণ | আপডেট: জুলাই ২, ২০১৯, ৫:০২ অপরাহ্ণ

Avatar

গেমের কাহিনীর দিকে নজর দেয়া যাক। বহুকাল আগে গেমের দুনিয়া অরস্টেরাকে ধ্বংসের হাত থেকে বাঁচাতে ১২ জন দেবতা মিলে অপদেবী গ্যালডেরাকে আফটারওয়ার্লডে আটক করে। মাকে ফিরিয়ে আনার জন্য এক পরিকল্পনা
করে গ্যালডেরার কন্যা লাইবাক। তাকে থামাতে আট চরিত্রের সম্মিলিত চেষ্টা নিয়েই গেমটি তৈরি করা হয়েছে।

খেলতে যা যা লাগবে
৬৪ বিট উইন্ডোজ ৭

ইন্টেল কোর আই৩ বা এএমডি এফএক্স প্রসেসর
৪ গিগাবাইট র‌্যাম
এনভিডিয়া জিটিএক্স ৭৫০ বা এএমডি রেডিওন আর৭ ২৬০এক্স জিপিউ
৫ গিগাবাইট জায়গা।

বয়স
গেমটি ১২ বছর বা ততোধিক বয়সীদের জন্য তৈরি।
প্রায় সব গেমেই একটি মূল চরিত্র থাকে। গেমের কাহিনীও এগিয়ে যায় তাকে কেন্দ্র করেই। এদিক থেকে ‘অক্টোপাথ ট্রাভেলার’ গেমটি ভিন্ন। একটি বা দুটি নয়, মোট আটটি মূল চরিত্র ও তাদের কাহিনী নিয়ে তৈরি করা হয়েছে এই গেম। গ্রাফিকস বর্তমান সব গেমের সমকক্ষ হলেও গেমটি খেলতে হবে সাইড-স্ক্রলার দৃষ্টিকোণ থেকে। গেমপ্লে রাখা হয়েছে ‘ফাইনাল ফ্যান্টাসি’র মতো টার্ন-বেজড কম্ব্যাট। মোটকথা, অক্টোপাথ ট্রাভেলারে নিন্টেন্ডো গেমের স্বাদ পুরোটাই বিদ্যমান।
এবার গেমের কাহিনীর দিকে নজর দেয়া যাক। বহুকাল আগে গেমের দুনিয়া ‘অরস্টেরা’কে ধ্বংসের হাত থেকে বাঁচাতে ১২ জন দেবতা মিলে অপদেবী গ্যালডেরাকে আফটারওয়ার্লডে আটক করে। মাকে ফিরিয়ে আনার জন্য এক পরিকল্পনা করে গ্যালডেরার কন্যা লাইবাক। তাকে থামাতে আট চরিত্রের সম্মিলিত চেষ্টা নিয়েই গেমটি তৈরি করা হয়েছে। শুরুতে চরিত্রগুলোর মধ্যে কোনো সংযোগ দেখা যাবে না। তাদের প্রত্যেকেই নিজেদের স্বাভাবিক জীবন নিয়ে ব্যস্ত। প্রত্যেকের কর্মক্ষেত্র আলাদা, চালচলন ও স্কিলেও তেমন মিল নেই। অথচ নিজেদের অজান্তে হলেও তারা লাইবাকের পক্ষে বা বিপক্ষেই কাজ করে যাচ্ছে।
এভাবে কাহিনী চলতে চলতে একসময় সব হিরোর দেখা হবে চূড়ান্ত লড়াইয়ের সময়। তখন একই সঙ্গে সবাইকে নিয়ন্ত্রণ করে খেলতে হবে গেমারকে, যা মোটেও সহজ কাজ নয়। অক্টোপাথ ট্রাভেলারকে গেমের পাশাপাশি ইন্টারঅ্যাক্টিভ উপন্যাসও বলা যেতে পারে। যদিও এ ঘরানার গেম বাজারে বেশ আছে। তবে গেমপ্লের দিক থেকে গেমটি বাকি গেম থেকে আলাদা। অনেক অ্যাকশন থাকায় গেমটি কখনো মন্থর মনে হবে না।
সব চরিত্রকে গেমে কিভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে তার ওপর নির্ভর করবে গেমের কাহিনী। এ জন্য গেমের প্রতিটি অংশই খেলতে হবে মনোযোগের সঙ্গে। টার্ন বেজড কম্ব্যাট হওয়ায় লড়াই করার ক্ষেত্রে অ্যাকশন নয়, বরং খাটাতে হবে বুদ্ধি। প্রতিটি চরিত্রের ক্ষমতার সঠিক প্রয়োগ করেই শুধু গেমটিতে এগোনো যাবে। মূলত গেমিং কনসোল ‘নিন্টেন্ডো সুইচ’ এর জন্য তৈরি গেমটি পিসিতেও খেলা যাবে কিবোর্ড মাউস ব্যবহার করে। তবে কন্ট্রোলার ব্যবহার করতে পারলে গেমটির সবটুকু মজা পাওয়া যাবে। ডটনেট ডেস্ক