১১ হাজার কোটি টাকার ঋণচুক্তি

আগের সংবাদ

চার সেকেন্ডে ৬০ মাইল গতি

পরের সংবাদ

অনুপ্রেরণা দিয়েও উপকার করা সম্ভব

প্রকাশিত হয়েছে: জুলাই ১, ২০১৯ , ৩:০৭ অপরাহ্ণ | আপডেট: জুলাই ১, ২০১৯, ৩:০৭ অপরাহ্ণ

Avatar

অনুপ্রেরণার মাধ্যমে নতুন উদ্যোগ সৃষ্টি করার মানসিকতা তৈরি করাও সম্ভব। অনুপ্রেরণার কারণে মানুষের মনে নতুন জিনিস, নতুন উদ্যোগ ও নতুন তথ্য নিয়ে কাজ করার আগ্রহ বাড়ে। যার ফলে নিত্যনতুন সমস্যার সমাধান হওয়ার সম্ভাবনাও বেড়ে যায়। যে কোনো কোম্পানির সাফল্যের জন্য শ্রম ব্যবস্থাপনা খুবই জরুরি। অনুপ্রেরণার ছাড়া এই শ্রম ব্যবস্থাপনার বেশিরভাগ কাজই সম্ভব হবে না। অনুপ্রেরণার ফলে মানুষের বিভিন্ন জ্ঞান ও সম্পদের আর্থিক ও অনার্থিক সুবিধার দিকে বিবেচনা করার শক্তি বেড়ে যায়। এতে করে শ্রমিক ও মালিক উভয় পক্ষের স্বার্থই সংরক্ষিত হয়।

অনুপ্রেরণার গুরুত্ব অনেক
অনুপ্রেরণা কাজের দক্ষতা বৃদ্ধি করে। এটি মানুষের কাজের ইচ্ছাকে জাগিয়ে তুলতে সাহায্য করে। এটা মানুষের কাজের আকাক্সক্ষার সঙ্গে সম্পর্কিত। মানুষের স্বতঃস্ফুর্তভাবে কাজ করার জন্য অনুপ্রেরণার গুরুত্ব অনেক। যে কোনো উদ্যোগেই কর্মচারীদের যদি অনুপ্রেরণা যোগানো হয়, তাহলে তাদের কাজের গতি খুবই বৃদ্ধি পায়। অনুপ্রেরণাই কোনো কাজের জন্য আগ্রহ ও ইচ্ছার সৃষ্টি করতে পারে। যে কোনো প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন ক্ষেত্রের ও উপাদানের অপচয় রোধেও অনুপ্রেরণার গুরুত্ব অসীম। একটা দলকে কাজের মধ্যে অনুপ্রেরণা জোগালে ক্লাজের গতির পাশাপাশি, তাদের কাজের সর্বোচ্চ ক্ষমতায় পৌঁছানো সম্ভব। ফলে একইসঙ্গে সময় ও সম্পদের অপচয় রোধ করা সম্ভব।

অনুপ্রেরণা কাজের গুরুত্ব বাড়ায়
অনুপ্রেরণার মাধ্যমে জনবলের মধ্যে মনোবল ও কর্মের আগ্রহ বাড়িয়ে তোলা যায়। আর প্রতিষ্ঠানের সাফল্যের জন্য এই ধরনের কর্মস্পৃহা খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। অনুপ্রেরণার কারণে কাজে উৎসাহ বাড়ে। এতে করে শ্রমিকরা কাজ করার আগ্রহ পায়, আরো বেশি করে তারা কাজের দিকে মনোনিবেশ করে। বেশি করে কাজে মনোযোগ দেয়ার ফলে পণ্যের উৎপাদনও বৃদ্ধি পায়। যত বেশি শ্রমিক কাজে মনোযোগী হবে, তত সুন্দর ও সুষ্ঠু পরিবেশ সৃষ্টি করা যায়।
অনুপ্রেরণা মানসিক প্রফুল্লতা বাড়ায়
যে কোনো কোম্পানির কাজের ক্ষেত্রে পরিবেশ অনেক গুরুত্বপূর্ণ একটা দিক হিসেবে বিবেচিত হয়। পরিবেশের এই সুস্থতা তখনই বজায় থাকবে, যখন সেই পরিবেশের বাকি উপাদানগুলো সঠিকভাবে কাজ করবে। আর এর জন্যে প্রয়োজন উদ্দীপনা, যেটা তৈরি করতে হবে অনুপ্রেরণার দ্বারা। জনশক্তির সম্মতি এবং আর্থিক ও অনার্থিক অনুপ্রেরণায় কাজের গতি বৃদ্ধি পায়। এতে কর্মীরা কাজে মনোযোগ দিতে পারে। যা সর্বোপরি প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নের পথ ত্বরান্তিত করে। যে কোনো প্রতিষ্ঠানে অনুপ্রেরণামূলক কর্মসূচি পালন করা হলে জনসম্পদের সন্তুষ্টি বৃদ্ধি পায়।

অনুপ্রেরণা স্বপ্ন দেখতে শেখায়
অনুপ্রেরণার ফলে প্রত্যেক শ্রমিকের একে অপরের প্রতি সহযোগিতামূলক মনোভাব বজায় থাকে। ফলে তারা একে অপরকে কাজে সাহায্য করতে পারে ও পরিবর্তনকে স্বাগত জানায়। যার ফলে ম্যানেজমেন্ট খাতে খুব সহজেই সৌহার্দ্যতা বজায় থাকে। বর্তমানে প্রায় প্রত্যেক প্রতিষ্ঠানকেই বিভিন্ন ধরনের সমস্যা ও চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে হয়। সে ক্ষেত্রে যদি অনুপ্রেরণা দেয়া যায় তাহলে সেসব চ্যালেঞ্জ ও সমস্যা মোকাবেলা করাটা সহজ হয়ে পড়ে। এ ছাড়াও যে কোনো কিছু শেখাও সহজ হয়ে যায় যদি শ্রমিকদের মধ্যে একতা বজায় থাকে। আর সেজন্যে দরকার অনুপ্রেরণার।