উত্থানে ফিরেছে পুঁজিবাজার

আগের সংবাদ

রাজধানীতে অবৈধ যানবাহন প্রবেশ নিষিদ্ধ

পরের সংবাদ

এক্সপোর্টার্স এসোসিয়েশন

বাজেট ব্যবসাবান্ধব ও জনকল্যাণমুখী

প্রকাশিত হয়েছে: জুন ১৯, ২০১৯ , ২:৩৯ অপরাহ্ণ | আপডেট: জুন ১৯, ২০১৯, ২:৩৯ অপরাহ্ণ

Avatar

প্রস্তাবিত ২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেটকে পুরোপুরি জনকল্যাণ ও ব্যবস্যাবান্ধব বলে বলে আখ্যা দিয়েছে এক্সপোর্টার্স এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ইএবি)। এ ধরনের সর্বজনীন জনকল্যাণমুখী ও ব্যবসা সহায়ক বাজেট দেশের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রাকে আরো গতিশীল ও টেকসই করবে বলে মনে করছে সংগঠনটি।
তবে বাজেটে তৈরি পোশাক খাতের স্থানীয় বাজার সংশ্লিষ্ট সব পণ্য ও সেবায় ভ্যাট আওতামুক্ত রাখার জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন সংগঠনটির সভাপতি আব্দুস সালাম মুর্শেদী। প্রস্তাবিত ২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেটের ওপর এক প্রতিক্রিয়ায় ইএবি এসব কথা বলে। গতকাল মঙ্গলবার ইএবির পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানা গেছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, প্রস্তাবিত বাজেটের একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো, দেশে উৎপাদিত কোনো পণ্য ও নিত্য ব্যবহার্য কোনো দেশীয় পণ্যের ওপর কোনো ধরনের কর বৃদ্ধি করা হয়নি বরং কোনো কোনো ক্ষেত্রে কমেছে। যার ফলে এবার বাজার স্থিতিশীল হয়েছে। প্রবাসী বাংলাদেশিদের প্রেরিত অর্থের ওপর ২ শতাংশ প্রণোদনা জাতীয় অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। কোনো প্রতিষ্ঠান মোট জনবলের ১০ শতাংশ প্রতিবন্ধীদের নিয়োগ দিলে কর রেয়াতের সুবিধা এসডিজি অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভ‚মিকা পালন করবে এবং অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রা অব্যাহত ও আরো গতিশীল হবে। অর্থনৈতিক অঞ্চল ও হাইটেক পার্কে শিল্প প্রতিষ্ঠান স্থাপনে ২০২৪ সাল পর্যন্ত কর অবকাশ সুবিধা, শিল্প ও বিনিয়োগ উৎসাহিত ও টেকসই হবে। তৈরি পোশাক খাতে ১ শতাংশ প্রণোদনা দেয়া হয়েছে যা অপ্রতুল, বর্তমানে তৈরি পোশাক খাতে কঠিন বাস্তবতার পরিপ্রেক্ষিতে প্রণোদনা কমপক্ষে ৩ শতাংশ করার অনুরোধ জানায় সংগঠনটি।
ক্যান্সার ওষুধ ও চিকিৎসার জন্য ব্যবহৃত গ্যাস তৈরির কাঁচামালের শুল্ক হ্রাস করা হয়েছে। যা স্বাস্থ্যসেবাকে আরো উন্নত করবে। স্বাস্থ্যসেবা খাতে আরো বেশি বরাদ্দ বাড়ানোর অনুরোধ করা হয়। আর্থিক খাতে মার্জার, এক্যুইজেশন, দেউলিয়া আইন ও ব্যাংক কমিশন গঠনের প্রস্তাবনা আর্থিক খাতকে গতিশীল করবে। তরুণ উদ্যোক্তাদের কর্মসংস্থান ও ব্যবসায়িক স্টার্ট আপ, গবেষণা ও উদ্ভাবন খাতে বরাদ্দ খুবই তাৎপর্যপূর্ণ।
সামাজিক নিরাপত্তা খাতে বরাদ্দ প্রশংসনীয়। অগ্নিনিরাপত্তা সংক্রান্ত মাত্র কয়েকটি উপকরণের আমদানি শুল্ক কমিয়ে ৫ শতাংশ করা হয়েছে। তবে সব অগ্নিনিরাপত্তা সংক্রান্ত উপকরণের আমদানি শুল্ক প্রত্যাহারের জন্য বলা হয়েছে। তৈরি পোশাক খাতে ব্যবহারিত গ্যাস, পানি ও বিদ্যুৎ বিলের ওপর ভ্যাট অব্যাহতি দেয়া হয়েছে। তৈরি পোশাক খাতে স্থানীয় বাজার সংশ্লিষ্ট সব পণ্য ও সেবাগুলো ভ্যাট আওতামুক্ত রাখার অনুরোধ করা হয়েছে।
নতুন মাল্টিপোল আইন এই অর্থবছর থেকে চালু করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। ভ্যাট আইনের সুষ্ঠু ব্যবহার ও বাস্তবায়ন প্রত্যাশা করে সংগঠনটি রপ্তানি খাতকে সম্পূর্ণ ভ্যাট আওতামুক্ত রাখার অনুরোধ জানিয়েছে।