ওসি মোয়াজ্জেমের জামিন নামঞ্জুর, কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ

আগের সংবাদ

কম দামি ভেসপা বাজারে

পরের সংবাদ

বদলে ফেলুন দেখার-চিন্তার দুনিয়া

কাগজ প্রতিবেদক

প্রকাশিত হয়েছে: জুন ১৭, ২০১৯ , ৩:০৮ অপরাহ্ণ

জীবনে যদি অভ্যাসগত কিংবা আচরণগত পরিবর্তন আনতে চান, তাহলে কাগজ-কলমে লক্ষ্য লিখে এরপর সময় দিয়ে নিজেকে বদলাতে হবে। একটু সময় নিয়ে নিজের সঙ্গে বোঝাপড়া বাড়ালেই কিন্তু জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব। এভাবেই ধীরে ধীরে বদলে ফেলুন নিজেকে, নিজের সমস্ত নেতিবাচক চিন্তা-ভাবনাগুলোকে। তারুণ্যের এগিয়ে যাওয়াটা হোক ইতিবাচক সুন্দর জীবন উপভোগ করার মধ্যে দিয়ে।
হুট করেই কি নিজেকে বদলে ফেলা যায়? সকালে ঘুম ভেঙেই কি নিজেকে বদলে ফেলতে পারবেন? নিজেকে ইতিবাচক উপায়ে পরিবর্তন করতে হলে নিজেকে সময় দিতে হবে, নিজেকে নিয়ে ভাবতে হবে। মনে মনে যদি পরিবর্তন চান, তাহলে কখনই নিজেকে বদলে ফেলা যাবে না।

যা পরিবর্তন করতে চান তা নির্ধারণ করুন: মনে করুন, আগামী ছয় মাসের মধ্যে আপনি প্রতিদিন সকালে খুব ভোরে ঘুম থেকে উঠবেন। তাহলে একটি কাগজে তা লিখে প্রতিদিন চোখে পড়ে এমন জায়গায় সাঁটিয়ে রাখুন। এভাবে একটি পরিকল্পনা গ্রহণ করুন। হুট করেই কাল সকালেই আপনি ভোরে ঘুম থেকে উঠতে পারবেন না। আর উঠলেও পরশু দিন আবার ওঠার আগ্রহও চলে যেতে পারে। সকালে ঘুম থেকে ওঠার পরে কী কী করবেন, তা ঠিক করুন।

সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনায় স্থির থাকুন: আমাদের মস্তিষ্ক অনেক সময় মনে করিয়ে দেয় যে কোন কাজগুলো শুরু করেও আমরা শেষ করিনি। আর এ কারণে যখন আপনি মনোযোগ দিয়ে কোনো কাজ করছেন তখন দেখবেন আরেকটি বিষয় মনে এসে আপনার কাজের ব্যাঘাত ঘটিয়ে দিচ্ছে। এজন্য মনোবিজ্ঞানীরা বলেন কোনটা করবেন তা লিখে ফেলুন এবং সে অনুযায়ী কাজ করুন।

যে জিনিসগুলো আপনাকে দমিয়ে রেখেছে সেগুলোর মুখোমুখি হোন: যেসব বিষয় আপনাকে এগুতে দিচ্ছেনা বা দমিয়ে রাখছে সেগুলোর মুখোমুখি হোন। হয়তো মনে হবে বিষয়টি সুখকর নাও হতে পারে। তারপরেও মোকাবেলা করুন। দেখবেন শেষ পর্যন্ত সন্তুষ্টিই আসবে।

সারা দিন গুছিয়ে নিন: জীবনের একটি বিষয়ে ইতিবাচক পরিবতন আনতে চাইলে আপনার পুরো দিনকেই সেভাবে সাজাতে হবে। আপনি হয়তো সকালে ঘুম থেকে ওঠেন কিন্তু সারা দিন কোনো রকমেই হাঁটাচলা না করে পার করে দেন। এমনটা করবেন না, একটি পরিপূর্ণ পরিকল্পনা গ্রহণ করুন।
ইতিবাচক মনের মানুষদের খুঁজে বের করুন: একা একা নিজেকে পরিবর্তন করা বেশ কঠিন একটি কাজ। সমমনা মনের মানুষ বা বন্ধুদের খুঁজে বের করুন। তাদের সহায়তা নিন। যারা নেতিবাচক কথা বলেন, তাদের এড়িয়ে চলুন।

যেখানে আগ্রহ, সেখানে সময় দিন: আপনার যে কাজটি করতে ভালো লাগে, সেখানে সময় দিন। কাজের গুণগত মান উন্নয়নে সময় দিন। কীভাবে প্রতিদিন নিজেকে ছাড়িয়ে যাওয়া যায়, সেদিকে খেয়াল রাখুন।
শিখুন: প্রতিদিন নিজের শেখার পরিবেশে রাখুন। চারপাশ থেকে শিখুন। নিজের ভুল থেকে শেখার চেষ্টা করুন। নিজেকে কখনই ছোট ভাববেন না। ছোট-বড় সবার কাছ থেকে শেখার চেষ্টা করুন। পুরোনোকে নতুন করে শেখার মাধ্যমে নিজেকে ইতিবাচক কাজে ব্যস্ত রাখুন।
বদ অভ্যাস ত্যাগ: একেক জনের একেক রকমের বদ অভ্যাস থাকে। কিছু লোক আছেন শুধু মাত্র অলস আর কাজের প্রতি অনীহা। এটাও এক ধরনের বদ স্বভাব। এসব ত্যাগ করতে পারা হচ্ছে প্রথম উদ্যোগ। আপনাকে পরিবর্তনের জন্য এটি সবার আগে জরুরী।

পরিশ্রমী হয়ে উঠুন: পরিশ্রম হচ্ছে সৌভাগ্যের একমাত্র চাবি। এটা অনেকবার পড়েছেন। আজকাল যাদের আপনার চোখের সামনে প্রতিষ্ঠিত দেখেন তারা কে কেমন পরিশ্রম করেছেন তা একদিন জিজ্ঞেস করে নিবেন।
চাই সুস্থতা : সুস্থ্য থাকার জন্য দরকার হচ্ছে যেসব কারনে অসুখ বিসুখ হয় সেসব কারন এড়িয়ে চলা। এছাড়াও ভাল মানের খাবার নিয়মিত খেয়ে আর অন্যান্য শরীর চর্চা করে দিন কাটালে অনেকটা সুস্থ্য থাকা যায়।

ধৈর্য্যশীল হয়ে উঠুন: মানুষের জীবনে ধৈর্য্য অনেক বেশি কাজের। যে কোন কিছু পেতে হলে মনে জোর নিয়ে ধৈর্য্য ধরে অপেক্ষা করতে হয়। রাগে কিংবা অন্যান্য খারাপ পরিস্থিতিতেও ধৈর্য্য ধারন করতে হয়।