যুগ্মসচিব পদে পদোন্নতি পেলেন ১৩৬ কর্মকর্তা

আগের সংবাদ

উচ্চস্বরে নিজের সঙ্গে কথা বলা ভালো

পরের সংবাদ

নিজেকে সতর্ক রাখুন

প্রকাশিত হয়েছে: জুন ১৬, ২০১৯ , ৩:৫০ অপরাহ্ণ | আপডেট: জুন ১৬, ২০১৯, ৩:৫৩ অপরাহ্ণ

Avatar

চাকরির জন্য কয়েক মাস ধরেই হয়তো নিজেকে প্রস্তুত করেছেন আপনি। এরপরও ভাইভা বোর্ডে আপনার কিছু আচরণে পন্ড হতে পারে আপনার সব প্রয়াস। যেসব আচরণে আপনার ইন্টারভিউ ব্যর্থ হতে পারে সেগুলো জেনে নিন। এরপর সে অনুযায়ী নিজেকে সতর্ক রাখুন।

লক্ষ্য না জানা : বেশিরভাগ সময় চাকরি প্রার্থীরা মনে করেন, চাকরির ব্যাপারে কয়েকটি প্রশ্নের উত্তর দেয়াই ইন্টারভিউয়ের মূল লক্ষ্য। কিন্তু প্রকৃত পক্ষে ওই প্রতিষ্ঠানের জন্য কতটুকু যোগ্য সেটা উপস্থাপন করা এবং চাকরিটার জন্য ঠিক কতটুকু মানানসই তা পর্যবেক্ষণ করা হলো ইন্টারভিউয়ের মূল লক্ষ্য।
চাকরির জন্য খুব কাঙাল হওয়া : চাকরির জন্য খুব বেশি কাঙাল হওয়া সম্ভবত এক নম্বর ক্ষতিকর কারণ। তাই ইন্টারভিউ কক্ষে ঢোকার আগে অদ্ভুত একটা কথা মনে রাখতে হবে আপনাকে : ‘এই চাকরিটা আপনার প্রয়োজন নেই। আপনার জন্য সবার আগে প্রয়োজন খাদ্য, বাতাস, পানি এসব।’ এ চাকরিটা না হলে আপনি মরে যাবেন না।
খাপছাড়া আচরণ : ইন্টারভিউ রুমে ঢুকে যদি আচরণ খাপছাড়া হয়, তাহলে চাকরি লড়াইয়ে পিছিয়ে পড়বেন প্রথমেই। তাই আত্মবিশ্বাসী মনোভাব দেখাতে হবে আচরণ ও কথাবার্তায়। ইন্টারভিউ রুমে ঢুকুন সোজা হয়ে, প্রশ্নকর্তাদের চোখের দিকে তাকিয়ে কথা বলুন, কুশল বিনিময় করুন।
নিজেকে ছোট মনে করা : যখন ইন্টারভিউ দিতে যাবেন, তখন নিজেকে মোটেও প্রশ্নকর্তার চেয়ে ছোট মনে করবেন না। তাহলে তা নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে। নিজেকে প্রশ্নকর্তার সমান পর্যায়ের ভেবে প্রশ্নের উত্তর দিন।
শুধু গৎবাঁধা ভঙ্গিতে প্রশ্নের উত্তর দেয়া : ইন্টারভিউ মানে কথোপকথন। শুধু প্রশ্নের উত্তর দিয়েই ক্ষান্ত হবেন না। এতে নিজেকে যোগ্য প্রার্থী হিসেবে প্রকাশ করতে কষ্টকর হতে পারে আপনার জন্য। যেহেতু ইন্টারভিউতে আপনার প্রতিভার ভরপুর স্বাক্ষর রাখা দরকার, তাই প্রয়োজনে প্রশ্ন করুন কোম্পানি বা আপনার পদ সম্পর্কে।
এলোমেলো উত্তর দেয়া : প্রশ্নকর্তা যা প্রশ্ন করবেন, সে প্রসঙ্গ ছাড়া বাড়তি কোনো প্রসঙ্গে উত্তর দিলে আপনার জন্য তা বিপদ বয়ে আনতে পারে। উত্তরগুলো এক থেকে দেড় মিনিটের মধ্যে শেষ করুন। আর সেগুলো হতে হবে প্রাসঙ্গিক। অবশ্যই মনোযোগ দিতে হবে মূলত কি ধরনের প্রশ্ন করছেন প্রশ্নকর্তা সে বিষয়ে। যদি পরিবেশ গুমোট থাকে, তারপরও অপ্রাসঙ্গিক কথা বলে নিজেকে হালকা করবেন না।
বেশি গা ছাড়া ভাব দেখানো : একজন ভালো ইন্টারভিউয়ার হয়তো ইন্টারভিউ কক্ষে প্রথম ১০ মিনিটের মধ্যেই আপনার জন্য সহজ সাবলীল পরিবেশ তৈরি করে দেবেন।
তবে এর মানে এটি নয় যে তারা আপনার ভালো বন্ধু হয়েছেন। আপনি সেখানে গেছেন কিছু প্রশ্নের উত্তর দিয়ে, নিজেকে যোগ্যতর প্রমাণ করে একটি চাকরি পাওয়ার জন্য। তাই পেশাগত মনোভাব ও আচরণ বজায় রাখতে হবে আপনাকে। বেশি মাত্রায় গা ছাড়া ভাব দেখালে ক্ষতিগ্রস্ত হবেন আপনি।
ভুল অনুমান করা : ইন্টারভিউতে প্রশ্নকর্তার কোনো প্রশ্নের প্রেক্ষিতে ভুল অনুমান করা ক্ষতিকর। সময় নিন। ভালো করে বুঝুন তিনি কি জিজ্ঞেস করছেন। অনুমান না করে বরং তার কাছ থেকে আবার প্রশ্নটি জেনে নিয়ে তারপর উত্তর দিন।

  • আরও পড়ুন
  • লেখকের অন্যান্য লেখা