প্রযুক্তিভিত্তিক স্বাস্থ্যসেবা উদ্যোগের সঙ্গে পেপারফ্লাই

আগের সংবাদ

যুগ্মসচিব পদে পদোন্নতি পেলেন ১৩৬ কর্মকর্তা

পরের সংবাদ

না পিছিয়ে স্বপ্নকে বাঁচিয়ে রাখুন

প্রকাশিত হয়েছে: জুন ১৬, ২০১৯ , ৩:৪৬ অপরাহ্ণ | আপডেট: জুন ১৬, ২০১৯, ৩:৪৬ অপরাহ্ণ

Avatar

সফল শব্দটি শুনতে যতটা কোমল মনে হয়, আসলে সফলতার পথ ততটা মসৃণ নয়। আজকে যারা সফল, তারা অনেক বন্ধুর পথ পাড়ি দিয়ে সফলতা নামক সোনার হরিণের দেখা পেয়েছেন। আপনিও সফল হতে পারেন, যদি অন্তরে কিছু মন্ত্র পুষে উপযুক্ত সময়ে ব্যবহার করেন। আপনার স্বপ্নকে বাঁচিয়ে রাখুন, পিছিয়ে যাবেন না এবং সফলতার মন্ত্রগুলো প্রয়োগ করতে চেষ্টা করুন।

যখন রাগ হয় : যদি আপনার রাগে ফেটে পড়ার প্রবণতা থাকে, তাহলে আপনার রাগের উপসর্গ শনাক্ত করুন। আপনার হার্ট রেট দ্রুত হতে পারে অথবা আপনার শরীর টাইট অনুভব হতে পারে। যদি বুঝতে পারেন যে এসব উপসর্গ আসছে, তাহলে থামুন ও গভীর শ্বাস নিন। গভীর শ্বাস মস্তিষ্ককে শান্ত হতে সংকেত পাঠায়। এবার ঠান্ডা মাথায় পুরো পরিস্থিতি শুরু থেকে স্মরণ করুন। যদি আপনার ভুল হয়ে থাকে, তাহলে ভুলভ্রান্তি জীবনেরই একটি অংশ মেনে নিয়ে নিজেকে শোধরানোর চেষ্টা করুন।

যখন সমস্যায় পড়েন : যখন সমস্যা দেখা দেয়, তখন আমাদের সহজাত প্রবৃত্তি হচ্ছে নিজেকে রক্ষার মোডে নিয়ে যাওয়া এবং অন্যকে দোষারোপ করা। কিন্তু অন্যকে দোষারোপ করলেই সমস্যা থেকে বের হওয়া যায় না, বরং সমস্যাটি আরো বড় আকারে রূপ নিতে পারে। সমস্যাটি সমাধানের প্রচেষ্টাকে প্রাধান্য দেয়া উচিত, যে কারণেই সমস্যাটির সূত্রপাত হয়ে থাকুক না কেন। সমস্যা সমাধানের পর নিজেকে আরো প্রস্তুত করুন ও উপায় খুঁজুন যেন ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা আর না ঘটে।
আপনার সমস্যার প্রতি আপনিই ভালো সাড়া দিতে পারবেন, তাই যথাসম্ভব নিজের সমস্যা নিজেই সমাধান করুন। সমস্যার প্রকৃতির ওপর ভিত্তি করে প্রয়োজনে অন্যের সাহায্য নিন।
বিরক্তি আসে : আমাদের জীবনে এক বা একাধিক লোকের আবির্ভাব ঘটতে পারে, যাদের কাজ বা জীবনের লক্ষ্য বিরক্তির উদ্রেক করতে পারে। কিন্তু আপনার বিরক্তি প্রকাশ করতে যাবেন না, এর পরিবর্তে ভাবুন যে এ লোকটি আমার শিক্ষক। নেতিবাচক শক্তিকে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগে রূপান্তর করুন। কারো দ্বারা বিরক্তির উদ্রেক হতে পারে আপনার ধৈর্য্যরে পরীক্ষা অথবা এটি হতে পারে যোগাযোগ দক্ষতা উন্নয়নের উপায়। আপনারা দুজন রাতারাতি সর্বোত্তম বন্ধু হতে পারবেন না, কিন্তু আপনার সহনশীলতা আপনাদের সম্পর্কের উন্নয়ন ঘটাবে।

যখন কাউকে অ্যাসাইনমেন্ট দেন : যদি আপনি ইমার্জেন্সি রেসপন্ডার অথবা মিলিটারি অফিসার না হয়ে থাকেন, তাহলে কোনো কাজ করতে আপনার কর্মচারী বা সহকর্মীদেরকে আদেশ দেয়ার প্রয়োজন নেই। এর পরিবর্তে বলুন, ‘আপনার এটা করা প্রয়োজন’ অথবা জিজ্ঞেস করুন, ‘আপনি কি এ কাজটি করতে আগ্রহী?’ আপনি কিভাবে বলছেন তার ওপর ভিত্তি করে কোনো কর্মচারী বা সহকর্মীর কাজ করার স্পৃহা বাড়তে পারে বা কমতে পারে। আপনি যখন কাউকে কোনো কাজ করতে পারবে কিনা জিজ্ঞেস করবেন, তখন তার মধ্যে কাজটি ভালোভাবে করার জন্য তাড়না সৃষ্টি হবে।