নারায়ণগঞ্জে ট্রাক-কাভার্ড ভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ১

আগের সংবাদ

মিজানকাণ্ডে ফাঁসলেন দুদক কর্মকর্তা বাছির

পরের সংবাদ

মেগা প্রকল্পে মেগা বরাদ্দ

প্রকাশিত: জুন ১১, ২০১৯ , ১১:৪০ পূর্বাহ্ণ আপডেট: জুন ১১, ২০১৯ , ১১:৪০ পূর্বাহ্ণ

‘সমৃদ্ধ আগামীর পথযাত্রায় বাংলাদেশ’ শীর্ষক সবচেয়ে বড় বাজেট দিতে যাচ্ছে সরকার। ২০১৯-২০ অর্থবছরের জন্য সম্ভাব্য বাজেটের আকার ধরা হয়েছে ৫ লাখ ২৩ হাজার ১৯০ কোটি টাকা। আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী, ‘আমার গ্রাম আমার শহর’ কর্মসূচি বাস্তবায়নে সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর সুবিধাভোগীর সংখ্যা ১৩ লাখ বাড়িয়ে ৮৭ লাখে উন্নীত করাসহ শিক্ষা, স্বাস্থ্য, অবকাঠামো উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও দারিদ্র্য বিমোচনে সরকারি-বেসরকারি খাতের বিনিয়োগ বাড়ানোর চেষ্টা করা হবে নতুন বাজেটে। মেগা প্রকল্পের কাজ দ্রুত শেষ করতে বাজেটে বরাদ্দ বেশি রাখা হবে। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম শতবার্ষিকী উদযাপনের বিষয়টিও থাকবে বাজেটে।
এবারের বাজেটে সাধারণ মানুষের আগ্রহ থাকবে সংসদের দিকে। বিএনপি, জাতীয় পার্টি, ওয়ার্কার্স পার্টি, জাসদ ও গণফোরামসহ কয়েকটি রাজনৈতিক দল সংসদে বিরোধী দলীয় ভূমিকায় রয়েছে।
জানা যায়, স্বাধীনতার ৪৮ বছরে জাতীয় বাজেটের আকার বাড়তে যাচ্ছে প্রায় ৬৭০ গুণ। সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশের বাজেট ছিল ৭৮৬ কোটি টাকা। এর মধ্যে গত ১০ বছরে বাজেটের আকার বেড়েছে সাড়ে ৪ গুণেরও বেশি। বাজেটের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে ঘাটতিও। তবে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর বছর ২০২১ সালের মধ্যে এই বাজেট ৭ লাখ কোটি টাকায় নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। ওই সময়ের মধ্যে জিডিপি প্রবৃদ্ধি দুই অঙ্কের ঘরে পৌঁছানোরও লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার। নির্বাচনী ইশতেহার ও আয়-ব্যয় তথা প্রবৃদ্ধির সুষম বণ্টনে বিশেষ নজর দেয়া হচ্ছে এ বাজেটে। রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ সংবিধানের ৭২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী গতকাল সোমবার এ অধিবেশনের আহবান করেন। আগামী বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টায় স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে অধিবেশন শুরু হবে। এটি হবে একাদশ জাতীয় সংসদের প্রথম বাজেট অধিবেশন। এবার দেশের ৪৮তম বাজেট ঘোষণা হবে। আর বর্তমান ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সরকারের ১৯তম ও তৃতীয় মেয়াদের প্রথম বাজেট।
অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকারের তৃতীয় মেয়াদে আগামী বৃহস্পতিবার সংসদে বাজেট উপস্থাপন করবেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। আগামী ১ জুলাই থেকে কার্যকর করা হবে নতুন ভ্যাট আইন ২০১২। রাজস্ব আওতা বাড়ানো এবং কর ফাঁকি রোধে অনলাইনে ভ্যাট আদায়ের অবকাঠামো তৈরি করা, ইসিআর মেশিন চালুসহ নানা পরিকল্পনা নেয়া হচ্ছে। আসন্ন অর্থবছরে বাজেটের আকার বাড়ার সঙ্গে বেড়েছে বাজেট ঘাটতির পরিমাণও। প্রস্তাবিত বাজেটে ঘাটতির পরিমাণ ধরা হয়েছে ১ লাখ ৪৫ হাজার ৯৫০ কোটি টাকা। যা চলতি অর্থবছরের থেকে ২০ হাজার ৬৫৭ কোটি টাকা বেশি। বাজেটের এই ঘাটতি পূরণে অভ্যন্তরীণ উৎসের ঋণই মূল ভরসা। এ ঋণ ব্যাংকিং খাত ও সঞ্চয়পত্র থেকে নেয়া হবে। এ ছাড়া নতুন বাজেটে সম্ভাব্য মোট রাজস্ব আয়ের লক্ষ্য ধরা হচ্ছে ৩ লাখ ৭৭ হাজার ৮১০ কোটি টাকা (জিডিপির ১৩.১ শতাংশ)। বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) খাতে ১ লাখ ৯৮ হাজার ৩০০ কোটি টাকা (জিডিপির ৬ দশমিক ৮ শতাংশ) ধরা হয়েছে। আসন্ন বাজেটে ৮ দশমিক ২০ শতাংশ জিডিপির প্রবৃদ্ধি লক্ষ্যমাত্রা ধরা হলেও বাজেটে ঘাটতি জিডিপির ৫ শতাংশের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকছে।
মেগা প্রকল্পে মেগা বরাদ্দ : উন্নয়নে গুরুত্ব দেয়া বর্তমান সরকারের প্রথম বাজেটে বড় অবকাঠামো প্রকল্পে হাত খুলে অর্থ বরাদ্দ রাখা হচ্ছে। ৩০ হাজার ১৯০ কোটি টাকা ব্যয়ের পদ্মা সেতু প্রকল্পে চলতি অর্থবছর সংশোধিত এডিপিতে বরাদ্দ রাখা রয়েছে ২ হাজার ৬৫৮ কোটি টাকা। গত ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ৭ মাসে খরচ হয়েছে এক হাজার ৭৯০ কোটি টাকা। আগামী ডিসেম্বর মাসে এ সেতুর নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। প্রকল্পটিতে নতুন বাজেটে ৫ হাজার ৩৭০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হচ্ছে। ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড

এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণ প্রকল্পে ব্যয় ধরা হয়েছে ১৬ হাজার ৯০১ কোটি টাকা। ২০১৭ সালে শুরু হওয়া এ প্রকল্পের কাজ শেষ হবে ২০২২ সালের জুন নাগাদ। চলতি অর্থবছরে প্রকল্পটিতে ৩০৫ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা রয়েছে। আগামী অর্থবছরে ৪০০ কোটি বাড়িয়ে বরাদ্দ রাখা হচ্ছে ৭০৫ কোটি টাকা। কর্ণফুলী নদীর তলদেশে টানেল নির্মাণ প্রকল্পে ব্যয় ধরা হয়েছে ৯ হাজার ৯৮০ কোটি টাকা। আগামী বছরের জুনের মধ্যে প্রকল্পের কাজ শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। চলতি অর্থবছরে এ প্রকল্পে ২ হাজার ১৭৭ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়, নতুন বাজেটে বরাদ্দ থাকছে এক হাজার ৩৫০ কোটি টাকা। গত ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এ প্রকল্পে ব্যয় হয়েছে ২ হাজার ৪৩৭ কোটি টাকা। গ্রেটার ঢাকা সাসটেইনেবল আরবান ট্রান্সপোর্ট প্রকল্পে (বিআরটিএ) ব্যয় ধরা হয়েছে ৪ হাজার ২৬৮ কোটি টাকা। চলতি অর্থবছরে বরাদ্দ রয়েছে ২ হাজার ৮৪২ কোটি টাকা। গত ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ব্যয় হয়েছে ৬৭৭ কোটি টাকা। আগামী অর্থবছরে বরাদ্দ রাখা হচ্ছে ৪৫৬ কোটি টাকা।
২০২৪ সালের জুন পর্যন্ত মেয়াদি ২১ হাজার ৯৮৫ কোটি টাকা ব্যয়ের ঢাকা ম্যাস র‌্যাপিড ট্রানজিট প্রকল্পের (লাইন-৬) কাজ গত ফেব্রæয়ারি পর্যন্ত ব্যয় হয়েছে ৫ হাজার ৮৮৬ কোটি টাকা। চলতি বছর প্রকল্পটিতে ২ হাজার ৪৮৮ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হলেও আগামী অর্থবছরের এডিপিতে রাখা হচ্ছে ৭ হাজার ২১২ কোটি টাকা। ঢাকা শহরের সাবওয়ে (আন্ডারগ্রাউন্ড মেট্রো) নির্মাণে সম্ভাব্যতা সমীক্ষা পরিচালনা প্রকল্পের জন্য এবার বরাদ্দ রয়েছে ১০৩ কোটি টাকা। চলতি অর্থবছরে ২২৮ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা প্রকল্পটিতে নতুন অর্থবছরে প্রায় ৮২ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হচ্ছে বলে জানা গেছে।
৪ হাজার ৮৭৯ কোটি টাকার ‘সাপোর্ট টু ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে পিপিপি’ প্রকল্পটিতে বরাদ্দ ছিল ১ হাজার ১০১ কোটি টাকা। আসছে বাজেটে প্রকল্পটিতে ১ হাজার ৩৮ কোটি টাকা বরাদ্দ দেয়া হচ্ছে। ঢাকা ম্যাস র‌্যাপিড ট্রানজিট (লাইন-১) প্রকল্পে ব্যয় ধরা হয়েছে ৫৭৮ কোটি টাকা। ২০১৬ সালে প্রকল্পের কাজ শুরু হয়ে চলতি বছরের জুনে মেয়াদ শেষ হচ্ছে। চলতি বছর এ প্রকল্পে বরাদ্দ রাখা হয়েছে ৯৬ কোটি টাকা। আগামী অর্থবছরে বরাদ্দ দেয়া হচ্ছে ১৬৮ কোটি টাকা। তৃতীয় কর্ণফুলী সেতু নির্মাণ প্রকল্পে ব্যয় ধরা হয়েছে ৭৯৭ কোটি টাকা। চলতি অর্থবছরের এডিপিতে এ প্রকল্পে বরাদ্দ রয়েছে ১৭৬ কোটি টাকা। আগামী অর্থবছরে বরাদ্দ রাখা হচ্ছে ৬০ কোটি টাকা।
বাড়ছে আকার : প্রাথমিকভাবে আসন্ন বাজেটের আকার ধরা হয়েছে ৫ লাখ ২৩ হাজার ১৯০ কোটি টাকা। যা জিডিপির ১৮ দশমিক ১ শতাংশ। চলতি বাজেটের (২০১৮-১৯ অর্থবছর) আকার ৪ লাখ ৬৪ হাজার ৫৭৩ কোটি টাকা। আসন্ন বাজেটে ব্যয়ের পরিমাণ বাড়ছে ৫৮ হাজার ৬১৭ কোটি টাকা। সে হিসেবে ২০১৮-১৯ অর্থবছরের মূল বাজেটের আকার থেকে নতুন বাজেট ১২ দশমিক ৬ শতাংশ বেশি।
ঘাটতি পরিমাণ এক লাখ ৪৫ হাজার ৯৫০ কোটি টাকা : নতুন অর্থবছরের বাজেটে ঘাটতির পরিমাণ ধরা হয়েছে ১ লাখ ৪৫ হাজার ৯৫০ কোটি টাকা। যা চলতি অর্থবছরের বাজেটের থেকে ২০ হাজার ৬৫৭ কোটি টাকা বেশি। সর্বশেষ ২০১৮-১৯ অর্থবছরের বাজেটের ঘাটতি ছিল এক লাখ ২৫ হাজার ২৯৩ কোটি টাকা। বাজেটে ঘাটতি পূরণে বৈদেশিক উৎস থেকে নিট ৫২ হাজার ২২০ কোটি টাকা ঋণ নেয়া হতে পারে। চলতি অর্থবছরের মূল বাজেটে এর পরিমাণ ৫০ হাজার ১৬ কোটি টাকা। এ ছাড়া অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে নিট ৯৩ হাজার ৭৩০ কোটি টাকা নেয়া হবে। এর মধ্যে ব্যাংক খাত থেকে ৬৮ হাজার ৪৬০ কোটি টাকা (চলতি অর্থবছরের মূল বাজেটে এর পরিমাণ ৪২ হাজার ২৯ কোটি টাকা) এবং সঞ্চয়পত্র খাত থেকে ২২ হাজার ২৭০ কোটি টাকা (চলতি অর্থবছরের মূল বাজেটে এর পরিমাণ ২৬ হাজার ১৯৭ কোটি টাকা) নেয়া হতে পারে। গত ৫ বছরে ঘাটতি সবচেয়ে বেশি বেড়েছে।
জিডিপি আকার ২৮ লাখ ২৬ হাজার কোটি টাকা : ২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেটে মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) আকার ধরা হচ্ছে ২৮ লাখ ২৬ হাজার কোটি টাকা। যা চলতি অর্থবছরের তুলনায় ২ লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকা বেশি। বর্তমান অর্থবছরে জিডিপির আকার ধরা হয় ২৫ লাখ ৩৭ হাজার কোটি টাকা। আর জিডিপির প্রবৃদ্ধি ধরা হচ্ছে ৮ দশমিক ২৫ শতাংশ। চলতি অর্থবছরের জিডিপি ৭ দশমিক ৬ শতাংশ ধরা হলেও ৭ দশমিক ৮৬ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে।
এডিপির ২ লাখ ২ হাজার ৭২১ কোটি টাকা : আসন্ন অর্থবছরের জন্য ২ লাখ ২ হাজার ৭২১ কোটি টাকার এডিপি অনুমোদন করেছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ। এর মধ্যে সরকারের নিজস্ব তহবিল থেকে এক লাখ ৩০ হাজার ৯২১ কোটি টাকা এবং বৈদেশিক সহায়তা থেকে নেয়া হবে ৭১ হাজার ৮০০ কোটি টাকা। চলতি অর্থবছরের মূল এডিপিতে বরাদ্দ রয়েছে ১ লাখ ৭৩ হাজার কোটি টাকা। সে তুলনায় নতুন অর্থবছরের এডিপির আকার বাড়ছে ১৭ দশমিক ১৮ শতাংশ। নতুন এডিপিতে মোট প্রকল্পের সংখ্যা ১ হাজার ৫৬৪টি। গুরুত্ব বিবেচনায় সর্বোচ্চ বরাদ্দ দেয়া হয়েছে পরিবহন খাতে।
রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ৩ লাখ ৭৭ হাজার ৮১০ কোটি টাকা : আসন্ন বাজেটে মোট রাজস্বের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হচ্ছে ৩ লাখ ৭৭ হাজার ৮১০ কোটি টাকা। যা জিডিপির ১৩ দশমিক ১ শতাংশের সমান। যেখানে কর রাজস্ব ৩ লাখ ৪০ হাজার ১০০ কোটি, করবহির্ভূত রাজস্ব ধরা হয়েছে ৩৭ হাজার ৭১০ কোটি টাকা। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে (এনবিআর) ৩ লাখ ২৫ হাজার ৬০০ কোটি টাকার রাজস্ব আয়ের লক্ষ্য দেয়া হচ্ছে। এনবিআর বহির্ভূত কর রাজস্ব প্রস্তাব করা হচ্ছে ১৪ হাজার ৫০০ কোটি টাকা। চলতি বাজেট থেকে রাজস্ব আয়ের পরিমাণ ৩৮ হাজার ৫৩০ কোটি টাকা বেশি। এ বছর রাজস্ব আয়ের লক্ষ্য হচ্ছে ৩ লাখ ৩৯ হাজার ২৮০ কোটি টাকা।
আরও ১৩ লাখ উপকারভোগী সামাজিক নিরাপত্তায় : সামাজিক নিরাপত্তার আওতায় আসন্ন বাজেটে উপকারভোগীর সংখ্যা ১৩ লাখ বাড়িয়ে ৮৭ লাখে উন্নীত করা হবে। বর্তমান বাজেটে সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর আওতায় সাড়ে ৭৩ লাখ মানুষ বিভিন্ন ভাতা পান।
বাড়ছে মুক্তিযোদ্ধা ভাতা : ২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেটে ২ হাজার টাকা মুক্তিযোদ্ধাদের ভাতা বাড়িয়ে ১২ হাজার টাকা করা হচ্ছে। বর্তমানে প্রায় দুই লাখ মুক্তিযোদ্ধা নগদ ১০ হাজার টাকা করে মাসিক ভাতা পান। এর বাইরে তারা বর্তমানে দুই ঈদে সমপরিমাণ দুটি বোনাস, স্বাধীনতা ও বিজয় দিবস ভাতা ও বৈশাখী ভাতা ভোগ করছেন।
গরিব রোগীদের ৫০ হাজার টাকা আর্থিক সুবিধা : দেশে ক্যান্সার, কিডনি, লিভার সিরোসিস, স্ট্রোক ও প্যারালাইসিসে আক্রান্ত গরিব রোগীদের ৫০ হাজার টাকা করে আর্থিক সুবিধা দেয়া হচ্ছে। আসন্ন বাজেটে তা আরও বাড়ানো হবে।

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়