টাকি মাছের ভর্তা

আগের সংবাদ

গাড়িতে মোবাইল চার্জ দেবেন না

পরের সংবাদ

জ্বালানি খরচ কমাতে চাইলে

প্রকাশিত হয়েছে: জুন ৯, ২০১৯ , ৪:৫১ অপরাহ্ণ | আপডেট: জুন ৯, ২০১৯, ৪:৫১ অপরাহ্ণ

Avatar

মোটরবাইকেরও জ্বালানি খরচ রয়েছে। কারো কারো ক্ষেত্রে এ খরচটা একটু বেশিই হয়। এরও নির্দিষ্ট কিছু কারণ রয়েছে। এমনো হতে পারে, সঠিক নিয়মে না চালানোর কারণেই জ্বালানি অপচয় হচ্ছে। তবে একটু সচেতন হলেই মোটরবাইকের জ্বালানি সাশ্রয় করা সম্ভব। মোটরবাইকের জ্বালানি সাশ্রয়ের জন্য কিছু বিষয় মেনে চলতে হবে। সেগুলো হচ্ছে জ্বালানি খরচ অনেকটাই কমে যাবে, যদি সঠিক নিয়মে মোটরবাইক চালাতে পারেন। জেনে রাখা ভালো, মোটরবাইক যত নিচের গিয়ারে চালাবেন, তত বেশি তেল পুড়বে। এজন্য বাইক স্টার্ট করার পর গতি বাড়িয়ে টপ গিয়ারে রাখুন। এতে জ্বালানি খরচ কমে যাবে। যেহেতু মোটরবাইক স্টার্ট করলেই তেল খরচ করতে শুরু করে। টপ গিয়ার থেকে ফাস্ট গিয়ারে আনলেও জ্বালানি খরচ বেশি হয়। তাই সম্ভব হলে একই গতিতে বাইক চালাতে চেষ্টা করুন। মোটরবাইকের স্পিডো মিটারে ইকোনমি স্পিড দেয়া থাকে। এই ইকোনমি স্পিডে বাইক চালালে জ্বালানি খরচ কম হয়। জ্বালানি আরেক উপায়ে খরচ হয়।
তা হচ্ছে, রাস্তায় যানজটে পড়লে অনেকেই ইঞ্জিন বন্ধ করতে ভুলে যায়। এতে প্রচুর জ্বালানি খরচ হয়। তাই এ সময় ইঞ্জিন বন্ধ করে রাখুন। এতে জ্বালানি খরচ কমবে। মোটরবাইকের গতি যত বাড়বে, তত বেশি জ্বালানি পুড়বে। তাই গতি সবসময় মডারেটে রাখার চেষ্টা করতে হবে। সবচেয়ে ভালো হয় ৩০ থেকে ৫০ কিলোমিটার গতিতে গাড়ি চালালে। এ সময় গিয়ার টপে রাখতে হবে। এতে জ্বালানি খরচ কমবে।
বাইক ঠিকঠাক আছে কিনা, সেটা সবসময় পরীক্ষা করুন। নিয়মিত বাইক মেকানিক দিয়ে দেখিয়ে নিলে জ্বালানি খরচ কমিয়ে আনা সম্ভব। নিজেও কিছু কিছু বিষয় লক্ষ্য করুন। বাইক নিয়ে বের হওয়ার সময়ই ইঞ্জিনের শব্দ পরীক্ষা করুন। ইঞ্জিনের শব্দে কোনো গরমিল থাকলে সময় নিয়ে তা খেয়াল করুন। পাশাপাশি কার্বুরেটর প্লাগ, ব্যাটারি ও ক্ল্যাচ অ্যাডজাস্ট করুন। কয়েকদিন পরপর চাকার হাওয়া পরীক্ষা করুন। চাকায় বাতাসের চাপ কম হলে ইঞ্জিন বেশি তেল পুড়িয়ে ফেলতে থাকে। অনেকেই জানেন না, মোটরবাইক যদি নতুন হয়, তাহলে প্রথম ৫০০ কিলোমিটার চালিয়ে ইঞ্জিনের তেল পরিবর্তন করে ফেলতে হয়। এরপর থেকে প্রতি এক হাজার কিলোমিটার চালিয়ে তেল পরিবর্তন করুন। এতে গাড়ি কড়কড় শব্দ করবে না।
জ্বালারি খরচ কমাতে প্রতিমাসে অন্তত একবার টায়ারের চাপ পরীক্ষা করুন। কম চাপের টায়ার প্রথমত বিপজ্জনক। আর সেটা জ্বালানির ব্যবহার অনেক বাড়িয়ে দেয়। প্রতিদিন কী পরিমাণে মোটরবাইকটি ব্যবহার করছেন, তার ওপর নির্ভর করে কতদিন পর পর সার্ভিসিংয়ে দিতে হবে।