উদ্ভ্রান্ত পাখি

আগের সংবাদ

সন্দিগ্ধ আয়না

পরের সংবাদ

কে এই বং জুন-হো?

প্রকাশিত হয়েছে: জুন ২, ২০১৯ , ৪:১২ অপরাহ্ণ | আপডেট: জুন ২, ২০১৯, ৪:১২ অপরাহ্ণ

Avatar

সিনেমা দুনিয়ার বাঘা নির্মাতাদের হটিয়ে এবার কান জয় করেন বং জুন-হো। ‘প্যারাসাইট’ ছবির এই নির্মাতার হাত ধরে প্রথমবার স্বর্ণ পামের স্বাদ পেল দক্ষিণ কোরিয়া। গত ২৫ মে কানের সমাপনী মঞ্চে উঠে এক হাত উপরে তুলে এশিয়ার এই নির্মাতা বিজয় উদযাপন করেন। তার মুখে ছিল গর্বের হাসি। পুরস্কারটি গ্রহণ করে মঞ্চে দাঁড়িয়ে বং জুন-হো বলেন, আমার বক্তব্য ফরাসি ভাষায় তৈরি করিনি, এ জন্য দুঃখিত। সত্যি বলতে স্বর্ণ পাম জেতার প্রত্যাশা ছিল না আমার। আমি সত্যিই সম্মানিত বোধ করছি। আমি সবসময় ফরাসি চলচ্চিত্র দেখে অনুপ্রাণিত হয়েছি। দুই পরিচালক অঁরি-জর্জ ক্লুজো ও ক্লদ শ্যাবরোলকে ধন্যবাদ দিতে চাই। প্যারাসাইট অ্যাডভেঞ্চার ছিল খুব স্পেশাল। এই ছবির সব কলাকুশলী ও দক্ষিণ কোরিয়ার প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানকে ধন্যবাদ। অভিনয়শিল্পীদের ছাড়া এই ছবি কখনো হতো না। তারা সত্যিই দারুণ। আমার বয়স যখন ১২ বছর, তখন থেকে সিনেমার ভক্ত আমি। তখনই পরিচালক হওয়ার সিদ্ধান্ত নিই। এই পুুরস্কার জিতে আমি অভিভ‚ত। এটা অনেক বড় ব্যাপার।
পরিচালনায় আসার আগে কোরিয়ান একাডেমি অব ফিল্ম আর্টে সমাজবিজ্ঞান ও ফিল্ম বিষয়ে পড়াশোনা করেন বং জুন-হো। ২০০১ সালে হংকং চলচ্চিত্র উৎসবে তার প্রথম ছবি ‘বার্কিং ডগস নেভার বাইট’ ফিপরেস্কি পুরস্কার জেতে। দ্বিতীয় ছবি ‘মেমোরিস অব মার্ডার’ (২০০৪) কোরিয়ায় দর্শকপ্রিয়তা পায়। একই সঙ্গে এটি তাকে এনে দেয় সান সেবাস্তিয়ান উৎসবে সেরা পরিচালকের পুরস্কার। বং জুন-হোর ‘দ্য হোস্ট’ ২০০৬ সালে কানের প্যারালাল বিভাগ ডিরেক্টরস ফোর্টনাইটে স্থান পায়। ২০০৮ সালে মূল প্রতিযোগিতা বিভাগে ছিল তার ‘শেকিং টোকিও’। তার পরিচালিত ছবির মধ্যে ‘মাদার’ ২০০৯ সালে আঁ সাঁর্তে রিগারে ও ‘ওকজা’ ২০১৭ সালে ছিল কানের প্রতিযোগিতা বিভাগে। ২০১১ সালে ক্যামেরা দর বিভাগে বিচারকদের প্রধান ছিলেন তিনি। ওই বছর কান ক্ল্যাসিকসে দেখানো হয় কিংবদন্তি পরিচালক আকিরা কুরোসাওয়ার ওপর তার বানানো ‘কুরোসাওয়াস ওয়ে’।
মেলা ডেস্ক

বিষয়: