গাড়ির যত্ন নিয়ে প্রয়োজনীয় টিপস

আগের সংবাদ

নারায়ণগঞ্জে প্রবীর হত্যা মামলার আসামি পিন্টুর মৃত্যুদণ্ড

পরের সংবাদ

গাড়ির অতিরিক্ত কিছু গ্যাজেট

প্রকাশিত হয়েছে: মে ২৯, ২০১৯ , ৩:৪৮ অপরাহ্ণ | আপডেট: মে ২৯, ২০১৯, ৩:৫২ অপরাহ্ণ

Avatar

মানুষের পছন্দের ভিন্নতা থাকে। ব্র্যান্ড নিউ গাড়ি বা রিকন্ডিশনড গাড়ি কেনার পর নিজের মনমতো বদলে নেয়ার অনেক বিষয় থাকে। এই আনুষঙ্গিক বিষয়গুলো শখের সঙ্গে প্রয়োজনও পূরণ করে। প্রতিটি গাড়ি উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান চলাচলের জন্য উপযুক্ত করে গাড়ি তৈরি করে। এরপরও বাড়তি নিরাপত্তা, গাড়িকে পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা অথবা আকর্ষণীয় করে উপস্থাপন করার জন্য দেশের বাজারেই রয়েছে প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র। হাতের নাগালে এবং সাশ্রয়ী মূল্যে গাড়িতে অতিরিক্ত কিছু গ্যাজেট বা পণ্য যোগ করে গাড়িকে করে নিতে পারেন অনন্য।

টায়ার প্রেশার মনিটর ইন্ডিকেটর : গাড়ির অবস্থান জানা, জরুরি প্রয়োজনে গাড়ি চালু বা বন্ধ করা, জিওফেন্স তৈরি করে নির্দিষ্ট এলাকায় গাড়ি ব্যবহারসহ বিভিন্ন সুবিধা পেতে জিপিএস ট্র্যাকার গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্র। দেশে এখন বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান জিপিএস সেবা দিয়ে থাকে। জিপিএস ট্র্যাকার কেনার পর প্রতিষ্ঠান অনুসারে মাসিক বিল দিতে হয়। কোনো কোনো প্রতিষ্ঠান মাসিক চার্জ ছাড়াও জিপিএস সেবা দিয়ে থাকে। ট্যাসলক এর মধ্যে অন্যতম। ফাইন্ডার, এমটুএম, এম স্টোর, মোবিট্র্যাক বিডি, ট্যাকার্স বিডিসহ বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান জিপিএস যন্ত্র ও সেবা প্রদান করে। সাড়ে ৩ থেকে ১০ হাজার টাকার মধ্যে জিপিএস ট্র্যাকার দেশের বাজারে পাওয়া যায়।

কার অ্যালার্ম সিস্টেম : দূর থেকে (রিমোট কন্ট্রোলড) যেসব গাড়ির দরজা খোলা ও বন্ধ করা যায়, সেসব গাড়িতে বাড়তি নিরাপত্তার জন্য অ্যালার্ম লক ব্যবহার করার সুযোগ রয়েছে। সাধারণ চাবি দিয়ে গাড়ি খোলা বা বন্ধ করার ব্যবস্থা থাকলে চাবিবিহীন অ্যালার্ম লক যন্ত্র ব্যবহার করে সহজেই গাড়ির দরজা খোলা বা বন্ধ করা যায়। স্বয়ংক্রিয় নিরাপত্তাসংকেত, বুটের লক খোলা থাকলে সতর্কতা সংকেত, অনেক গাড়ির মধ্যে সহজে গাড়ি খুঁজে পাওয়ার অপশনসহ অনেক কিছুই মিলে কার অ্যালার্ম সিস্টেমে।

আছে আরো যন্ত্রাংশ : রাস্তায় টায়ার পাংচার হয়ে গেলে বেশ বেগ পেতে হয়। টায়ার পরিবর্তনের নিয়মকানুনও জটিল। যদি গাড়িতে টিউববিহীন টায়ার থেকে থাকে, তাহলে সহজেই পাংচারের পরের সময়টুকুতে রক্ষা পাওয়া যাবে। টায়ার সিলার অ্যান্ড ইনফ্লেটর ডিভাইসের মাধ্যমে পাংচার হওয়া টায়ার তৎক্ষণাৎ ঠিক করে হাওয়া দেয়া যাবে। ৬ মিলিমিটার আকারের পাংচারও আটকে দিয়ে চাকা ব্যবহার করা যাবে। এই গ্যাজেটগুলো সাধারণত একবার ব্যবহার করা যায়। ইউএসবি পোর্টের মাধ্যমে হাওয়া দেয়ার জন্য টায়ার ইনফ্লেটর মেশিন পাওয়া যায়।

পার্কিং সেন্সর : সংকীর্ণ জায়গায় গাড়ি পার্ক করা বেশ কঠিন কাজ। চালানোর দক্ষতা ভালো না হলে যে কোনো সময় গাড়ি লেগে যেতে পারে। আর গাড়িতে আঁচড় বা দাগ লেগে গেলে গুনতে হবে বাড়তি খরচ। গাড়িতে যদি পার্কিং সেন্সর থাকে।
তাহলে গাড়ি কোথাও লেগে যাওয়ার আগেই সতর্কসংকেত দেবে। গাড়ির পেছনে ও সামনে এই সেন্সরগুলো ব্যবহার করা যায়। পার্কিং ছাড়াও অন্য গাড়ির সঙ্গে সংঘর্ষ এড়াতেও এই গ্যাজেট কার্যকর। নতুন মডেলের গাড়িগুলোতে পার্কিং সেন্সর বা ক্যামেরা থাকে। যেগুলোতে নেই, সেগুলোতে পার্কিং সেন্সর লাগানো যায়।

  • আরও পড়ুন
  • লেখকের অন্যান্য লেখা