সিঙ্গাপুরে গেলেন স্পিকার

আগের সংবাদ

শক্ত গ্রুপে বাংলাদেশ

পরের সংবাদ

শিশুদের সঙ্গে অর্থ মন্ত্রণালয়ের প্রাক-বাজেট আলোচনা

প্রকাশিত হয়েছে: মে ২৬, ২০১৯ , ৩:২৬ অপরাহ্ণ | আপডেট: মে ২৬, ২০১৯, ৩:২৬ অপরাহ্ণ

Avatar

আসন্ন জাতীয় বাজেট নিয়ে শিশুদের সঙ্গে সচিবালয়ে প্রাক-বাজেট আলোচনার আয়োজন করে অর্থ মন্ত্রণালয়। এরই আলোকে এ বছরের শুরু থেকেই আসন্ন জাতীয় বাজেট নিয়ে সারা দেশের শিশুরা তাদের নিজেদের সুপারিশগুলো তুলে ধরে।

সেভ দ্য চিলড্রেন ও প্ল্যান ইন্টারন্যাশনালের সহায়তায় শিশু সংগঠন ন্যাশনাল চিলড্রেন’স টাস্ক ফোর্স (এনসিটিএফ) সারা দেশের ৩৬২৬ জন শিশুর বাজেট ভাবনা ও চাহিদাগুলো সংগ্রহ করে।

সম্প্রতি শিশুদের প্রতি যৌন নির্যাতন ও সহিংসতার মাত্রা বেড়ে যাওয়ায় উদ্বেগ জানিয়ে নির্যাতন বন্ধে সরকারের সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনার প্রতিফলন বাজেটে দেখতে চায় শিশুরা। জাতীয় বাজেটের অন্তত ২০ শতাংশ শিক্ষাখাতে বরাদ্দ থাকা উচিত বলেও সুপারিশ করা হয়। দেশের সকল হাসপাতালে শিশু ওয়ার্ড স্থাপন এবং সেখানে শিশু বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক নিয়োগ দেওয়ার কথা বলে তারা। সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের জন্য বিশেষ সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচীর দাবি তুলে ধরা হয়। শিশুদের জন্য ইন্টারনেটে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং বিদ্যালয়ে তারা যাতে শারীরিক ও মানসিক শাস্তির সম্মুখীন না হয়, সেজন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জারিকৃত প্রজ্ঞাপনের বাস্তবায়ন চায় শিশুরা। শিশু বাজেট প্রনয়ণে শিশু অংশগ্রহণ আরও জোরালো করে, বাজেট বাস্তবায়নেও তাদের অংশগ্রহণের সুযোগের দাবি জানায় তারা।

শিশুদের দাবির প্রেক্ষিতে মো. হাবিবুর রহমান তুলে ধরেন শিশু অধিকার ও উন্নয়ন প্রতিষ্ঠায় সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের কথা। তিনি বলেন, সারা দেশে মিড-ডে মিলের আওতা বাড়ানো, মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুমের সুযোগ সুবিধা বৃদ্ধি, ঝুঁকিপূর্ণ শ্রমে শিশুদের অংশগ্রহণ বন্ধ করা, মাদক নির্মূল ও এ সম্পর্কিত সচেতনতা বাড়াতের সরকার যথেষ্ট আন্তরিক এবং শিশুদের এসব দাবি ২০১৯-২০ অর্থ বছরের বাজেট প্রনয়ণে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হবে।
মত বিনিময় সভায় অংশ নেয় সারা দেশ থেকে শিশুদের প্রতিনিধিত্বকারী ২৬ জন শিশু। সভায় উপস্থিত ছিলেন অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব বেগম রুবীনা আমীন, অতিরিক্ত সচিব মো. হাবিবুর রহমান; উপ-সচিব, ডক্টর খুরশীদ আলম; সেভ দ্য চিলড্রেনের চাইল্ড রাইটস গভর্নেন্স অ্যান্ড চাইল্ড প্রোটেকশন সেক্টরের পরিচালক আবদুল্লা আল মামুন; উপ পরিচালক, গভর্নেন্স ও পাবলিক ফাইন্যান্স, আশিক ইকবাল এবং অন্যান্য কর্মীরা।