১৮ বার কান সৈকতে পা ঐশ্বরিয়ার

আগের সংবাদ

সোনাগাজীতে চিত্রা হরিণ উদ্ধার

পরের সংবাদ

ইংল্যান্ড-ভারতের পরেই বাংলাদেশ

প্রকাশিত হয়েছে: মে ২১, ২০১৯ , ৩:০৯ অপরাহ্ণ | আপডেট: মে ২১, ২০১৯, ৩:০৯ অপরাহ্ণ

Avatar

অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডে ২০১৫ সালে বসেছিল বিশ্বকাপ ক্রিকেটের একাদশ আসর। ওই বিশ্বকাপের আগে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের ওয়ানডে দলের নেতৃত্বের দায়িত্ব তুলে দেয়া হয় মাশরাফি বিন মুর্তজার হাতে। ক্যাপ্টেন ম্যাশ নামক এক পরশ পাথরের ছোঁয়ায় যেন রাতারাতি বদলে যেতে থাকে বাংলাদেশের ক্রিকেটের চিত্র। ওই বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে খেলেছিল বাংলাদেশ। এরপর আর পেছন ফেরে তাকাতে হয়নি। সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে আরো বেশি দুর্দান্ত হয়ে উঠে বাংলাদেশ দল। ওয়ানডে এক সময় হয়ে উঠে টাইগার ক্রিকেটারদের পছন্দের সংস্করণ। ওয়ানডেতে বাংলাদেশ কতটা অপ্রতিরোধ্য দল হয়ে উঠেছে সেটা গত দেড় বছরের পরিসংখ্যান দেখলেই বোঝা যায়। দ্বাদশ বিশ্বকাপে অংশ নিতে যাওয়া দলগুলোর জয়-পরাজয়ের খতিয়ান পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, গত দেড় বছরের পারফরমেন্সের বিচারে সেরা তিনে আছে স্টিভ রোডসের শিষ্যরা। এ ক্ষেত্রে টাইগারদের ওপরে আছে ইংল্যান্ড ও ভারত।
দ্বাদশ বিশ্বকাপের আয়োজক ইংল্যান্ড এবং ওয়েলশ। কন্ডিশনটা মাশরাফি-সাকিবদের জন্য বেশ কঠিন। কেননা ইংল্যান্ডে খেলা হওয়া মানেই পেসবান্ধব উইকেট এবং ২২ গজের পিচে গতির ঝড়। তাই আসন্ন বিশ্বকাপে কঠিন চ্যালেঞ্জই অপেক্ষা করছে মাশরাফি বিন মুর্তজার দলের জন্য। গত শুক্রবার ফাইনালে উইন্ডিজকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজের শিরোপা জেতার পর টাইগার দলপতি বলেছিলেন, বিশ্বকাপটা আমাদের জন্য অনেক কঠিন হবে। নিশ্চিতভাবেই ইংলিশ কন্ডিশনে কঠিন এক চ্যালেঞ্জ অপেক্ষা করছে আমাদের জন্য। তবে বিশ^কাপের আগে বাংলাদেশ দলের খেলোয়াড়রা স্বস্তি পেতে পারেন নিজেদের গত দেড় বছরের সাফল্যের পরিসংখ্যান দেখে। বিশ্বকাপে অংশগ্রহণের সুযোগ পাওয়া ১০টি দলের মধ্যে গত দেড় বছরে ওয়ানডেতে জয়ের হিসেবে বাংলাদেশের অবস্থান তৃতীয়। এ তালিকায় শীর্ষে আছে ইংল্যান্ড এবং দুই নম্বরে রয়েছে ভারত। তালিকার চতুর্থ স্থানে থাকা দক্ষিণ আফ্রিকার জয় বাংলাদেশের সমান। তবে উইকেটপ্রতি রানের হিসাবে টাইগারদের চেয়ে পিছিয়ে আছে প্রোটিয়ারা। যে কারণে তাদের তালিকার চতুর্থ স্থানে রাখা হয়েছে। এ তালিকার পাঁচ নম্বরে রয়েছে আফগানিস্তান। আর ষষ্ঠ স্থানে আছে নিউজিল্যান্ড। দুবারের বিশ^ চ্যাম্পিয়ন উইন্ডিজের অবস্থান সাত নম্বরে। তালিকার অষ্টম, নবম ও দশম স্থানে আছে যথাক্রমে অস্ট্রেলিয়া, পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কা।
২০১৮ সালের জানুয়ারি থেকে ২০১৯ সালের মে মাসের ১৯ তারিখ (গত রবিবার) পর্যন্ত মাশরাফি বিন মুর্তজার দল ২৭টি ওয়ানডে ম্যাচ খেলেছে। এর মধ্যে জয় পেয়েছে ১৭টিতে এবং হেরেছে অবশিষ্ট ১০টি ম্যাচ। তালিকার শীর্ষে থাকা ইংল্যান্ড এই সময়ের মধ্যে ৩৫টি ম্যাচ খেলে ২৪টিতেই জিতেছে এবং হেরেছে ৮টি ম্যাচে। এ ছাড়া ইংলিশদের অবশিষ্ট ৩টি ম্যাচ পরিত্যক্ত হয়েছে। ভারত এই সময়ের মধ্যে ম্যাচ খেলেছে ৩৩টি। যেখানে ২২ জয়ের বিপরীতে ৭টি হার রয়েছে বিরাট কোহলির দলের, টাই হয়েছে ২টি ম্যাচ।
গত দেড় বছরের সাফল্যের ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে পারলে আসন্ন বিশ^কাপে ভালো করাটা খুব একটা কঠিন হবে না বাংলাদেশের জন্য। ধারাবাহিকতা ধরে রেখে দ্বাদশ বিশ^কাপে বাজিমাত করবে মাশরাফির দল-এমনটিই প্রত্যাশা ভক্তদের।