সবাই আন্তরিক হলে দুর্নীতি কমিয়ে আনা সম্ভব

আগের সংবাদ

মুক্তিযোদ্ধাদের ন্যূনতম বয়স নিয়ে জারি করা পরিপত্র অবৈধ : হাইকোর্ট

পরের সংবাদ

ছাপা শাড়িতে ঈদ

প্রকাশিত হয়েছে: মে ১৯, ২০১৯ , ২:৩৪ অপরাহ্ণ | আপডেট: মে ১৯, ২০১৯, ২:৩৪ অপরাহ্ণ

Avatar

উৎসবের আভিজাত্য ফুটিয়ে তোলা ছাড়াও আরামদায়ক হিসেবে এই ঈদে বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে ছাপা শাড়ি। হাফ সিল্ক, এন্ডি সিল্ক, সুতির মিশ্রণে শাড়িতে ব্যবহার করা হচ্ছে ব্লক ও স্ক্রিন প্রিন্ট।

মৌসুমটায় রোদ্দুরটাও কম তীব্র না। গরমে ঘামে ভিজে যখন একাকার অবস্থা, ঈদের চাঁদের উঁকি-ঝুকি তখন-ই। এই গরমে ঈদের আয়োজনে খানিকটা জৌলুস বাড়াতে তাই সবাই সুতির মিশ্রন ছাড়াও হাফ সিল্ক, এন্ডি সিল্ককে প্রাধান্য দিচ্ছেন।

বাঙালি নারীর সাজের পরিপূর্ণতা আসে শাড়িতেই। ঈদের এই গরমে নারীর জন্য স্বস্তিদায়ক পোশাক হতে পারে এসব শাড়ি। ঈদের দিন দুপুরে রান্না-খাওয়া, অতিথি আপ্যায়ন শেষে বিকেলের সোনারোদে তারা একটু গর্জিয়াস শাড়িতেই সাজিয়ে নিতেই এধরনের শাড়িতে আগ্রহী নারীরা।
এই ঈদে হাফ সিল্ক বা এন্ডি সিল্ক শাড়ির আঁচল এবং পাড়ে বৈচিত্র্য নিয়ে আসছেন ফ্যাশন ডিজাইনাররা। এ ছাড়া কুচিতেও থাকছে আলাদা ডিজাইন। এসব সুতির শাড়িতে থাকছে বাহারি নকশা। ফ্যাশন ডিজাইনাররা বর্তমানে এধরনের শাড়িতে এনেছেন কাঁথা স্টিচ, ফুলেল ও জামদানি প্রিন্ট, কুচি প্রিন্ট, অ্যাপ্লিক, গুজরাটি কাজের মতো বাহারি নকশা। এ ছাড়া তারা ফ্যাশনে এনেছেন কোটা, নেট সুতি এবং চোষা সুতির কিছু শাড়ি। ঈদের দিন কিংবা তার পরে যখন আপনি বেড়াতে বের হবেন, গরমে গাঢ় রঙ এড়িয়ে চলাই ভালো। এ সময় যে কোনো রঙের হালকা শেড দেখতে ভালো লাগে। যেমন সাদা, অফ হোয়াইট, লেমন, হালকা গোলাপি, হালকা হলুদ, আকাশি, হালকা সবুজ ইত্যাদি রঙের পোশাক পরলে বেশ স্নিগ্ধ ভাব আসে। অন্যদের চোখেও দেখতে ভালো লাগে। হালকা রঙের কাপড়ে দিনভর সতেজ ও স্বাচ্ছন্দ্য থাকা যায়।
দিনের বেলায় হালকা কাজ বা নকশার শাড়ি বেছে নেওয়াই ভালো। এক্ষেত্রে একরঙা জমিন, ছোট বা চিকন পাড় আর হালকা বা ছোট আঁচলের শাড়ি বেছে নেওয়া যেতে পারে। চাইলে হালকা প্রিন্ট বা জলছাপ, বাটিক বা ব্লক ইত্যাদিও বেছে নেওয়া যেতে পারে। তবে প্রিন্টের রঙ যেন বেশি গাঢ় না হয় সেদিকেও খেয়াল রাখতে হবে। তবে কোনো অনুষ্ঠান বা রাতের আয়োজনে ভিন্ন কিছু পরতে চাইলে পিওর সিল্ক মসলিন বা হাফ সিল্কের শাড়ি বেছে নেওয়া যেতে পারে।
শাড়ির সঙ্গে মিলিয়ে ব্লাউজটাও হতে হবে মানানসই। শাড়ির সঙ্গে মানিয়ে যায় এমন কোনো রঙের কাতান বা সিল্ক কাপড়ের ব্লাউজ পরলে একটা জমকালো ভাব আসবে। ব্লক প্রিন্ট, চুন্দ্রি প্রিন্ট, বাটিক, হাতের কাজ করা বা হাতে বোনা তাঁতের কাপড়ের ব্লাউজের মাধ্যমেও সুতির শাড়ির সঙ্গে স্টাইলিশ লুক আনা সম্ভব। ব্লউজের কাটিংয়েও থাকা চাই বৈচিত্র্য।

ফারজানা নীলা, ডিজাইনার, কার্পাস
গরমে যে কোনো রংয়ের হালকা শেইড দেখতে ভালো লাগে। এটি এক ধরনের মানসিক বিষয়। এই গরমে সাদা, লেমন, হালকা গোলাপি, হালকা হলুদ, আকাশি, হালকা সবুজ ইত্যাদি রংয়ের পোশাক পরলে দেখতে স্নিগ্ধ লাগে। অন্যদের চোখেও দেখতেও ভালো লাগে। আর হালকা রংয়ের কাপড়ে নিজেরও স্বস্তি অনুভ‚ত হয়। এ মৌসুমে হালকা কাজ বা নকশার শাড়ি পড়ার ভালো। এক্ষেত্রে এক রঙা জমিন, ছোট বা চিকন পাড় আর হালকা বা ছোট আঁচলের শাড়ি বেছে নেওয়া যেতে পারে। আর চাইলে হালকা প্রিন্ট বা জলছাপ, বাটিক বা ব্লক ইত্যাদিও বেছে নেওয়া যেতে পারে। পুরো শাড়ি হাফ বা এন্ডি সিল্কের হলেও আঁচল হতে পারে সুতির তবে গর্জাস। তবে প্রিন্টের রং যেন বেশি গাঢ় না হয় সেদিকেও খেয়াল রাখতে হবে।

মডেল : মাওয়া ও আঁখি শাড়ি : কার্পাস ছবি : পিয়ান