পাটকল শ্রমিকরা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে যোগাযোগ করুন: অর্থমন্ত্রী

আগের সংবাদ

বিদ্রোহীদের হামলায় সৌদি ড্রোন ভূপাতিত

পরের সংবাদ

দূতাবাসের অপ্রয়োজনীয় কর্মচারীদের ইরাক ছাড়ার নির্দেশ যুক্তরাষ্ট্রের

প্রকাশিত হয়েছে: মে ১৫, ২০১৯ , ৫:৫৫ অপরাহ্ণ | আপডেট: মে ১৫, ২০১৯, ৫:৫৫ অপরাহ্ণ

Avatar

দূতাবাসে নিয়োজিত জরুরি নয়; এমন সরকারি কর্মচারীদের ইরাক ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছে ওয়াশিংটন। ইরাকের প্রতিবেশি ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের চলমান উত্তেজনার মাঝে বুধবার দূতাবাসের অপ্রয়োজনীয় কর্মচারীদের দেশে ফেরার এ নির্দেশ দেয়া হয়।

দূতাবাসের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ইরাকের রাজধানী বাগদাদ এবং এরবিলে নিয়োজিত দূতাবাসের অপ্রয়োজনীয় কর্মচারীদের দেশে ফেরার নির্দেশ দিয়েছে মার্কিন পররাষ্ট্র দফতর।

যত দ্রুত সম্ভব কর্মচারীদের যুক্তরাষ্ট্রে ফেরার তাগিদ দিয়ে বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘এই দুই দূতাবাসে সাময়িকভাবে সাধারণ ভিসা সার্ভিস বন্ধ থাকবে।’ তবে ঠিক কতসংখ্যক কর্মীকে ইরাক ছাড়তে হবে সে ব্যাপারে পরিষ্কার কোনো তথ্য দেয়নি মার্কিন পররাষ্ট্র দফতর।

এর আগে মঙ্গলবার ইরাকে অবস্থানরত মার্কিন সামরিক বাহিনীর সদস্যদের ওপর ইরানি হুমকি আসন্ন জানিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে ওয়াশিংটন। তবে ইরানকে যুক্তরাষ্ট্রের হুমকি বিবেচনার বিষয়ে দ্বিমত পোষণ করেছেন ইরাকে নিযুক্ত ব্রিটিশ সামরিক বাহিনীর কমান্ডার।

তেহরান যুক্তরাষ্ট্রের এমন পদক্ষেপকে মনস্তাত্ত্বিক যুদ্ধ বলে মন্তব্য করেছে। ইরানের তেল ক্রয় না করতে বিশ্বের কয়েকটি দেশের ওপর চাপ বাড়িয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ক্রমবর্ধমান আঞ্চলিক উত্তেজনার মাঝে যুক্তরাষ্ট্র মিত্রদের ওপর এই চাপ প্রয়োগ করছে।

এদিকে, ইরাকের প্রধানমন্ত্রী আদেল আবদুল মাহদি বলেছেন, তিনি ইরান এবং যুক্তরাষ্ট্রের কাছে থেকে আলোচনার ইঙ্গিত পেয়েছেন। আলোচনায় বসলে দুই দেশের মাঝে চলমান উত্তেজনা প্রশমিত হতে পারে বলে প্রত্যাশা করেছেন তিনি।

মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক বাহিনী ও যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থের ওপর ইরানি হুমকির কথা বিবেচনা করে যুদ্ধজাহাজের পাশাপাশি বোমারু বিমান বি-৫২ ও প্যাট্রিয়ট মিসাইল মোতায়েন করেছে ওয়াশিংটন।

যুক্তরাষ্ট্রের যেকোনো ধরনের আগ্রাসনের জবাব তেহরান দেবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর এক জ্যেষ্ঠ কমান্ডার।

মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরের এক মুখপাত্র বলেছেন, নিরাপত্তা পরিস্থিতি পর্যালোচনা করার পর ইরাক থেকে দূতাবাসের অপ্রয়োজনীয় কর্মীদের প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

তবে কতজনকে কর্মীকে ইরাক ছাড়া নির্দেশ দেয়া হয়েছে সে ব্যাপারে বিস্তারিত তথ্য দেননি তিনি। ওই মুখপাত্র বলেন, ‘এই হুমকি অত্যন্ত গুরুতর এবং আমরা ক্ষতির ঝুঁকি কমাতে চাই।

সূত্র: রয়টার্স, এএফপি।