বাহারি ও সুস্বাদু সব কাবাব

আগের সংবাদ

প্রথমবার একসঙ্গে

পরের সংবাদ

নুসরাত হত্যাকাণ্ড

ফেঁসে যাচ্ছেন ইউপি চেয়ারম্যান মিলনও

প্রকাশিত হয়েছে: মে ১৪, ২০১৯ , ২:২০ অপরাহ্ণ | আপডেট: মে ১৪, ২০১৯, ২:২০ অপরাহ্ণ

Avatar

মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত জাহান রাফি হত্যা মামলার অন্যতম প্রধান আসামি শাহাদাত হোসেন শামীমের সঙ্গে এবার উপজেলার চর ছান্দিয়া ইউপি চেয়ারম্যান মোশারফ হোসেন মিলনের ফোনালাপের প্রমাণ পেয়েছে পিবিআই। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের পর তাকে নজরদারিতে রাখা হয়েছে।
ফেনী পিবিআইর পরিদর্শক মো. শাহ আলম জানান, এজাহার নামীয় আসামি শাহাদাত হোসেন শামীম হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার ব্যাপারে ১৬৪ ধারায় আদালতে দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছিলেন। ওই জবানবন্দিতে উপজেলা আ. লীগের সভাপতি রুহুল আমিনের সঙ্গে ৬ সেকেন্ড ফোনালাপের কথা স্বীকার করেছিলেন তিনি। পরে শামীমের জব্দকৃত মোবাইল পরীক্ষা করে দেখা গেছে, ঘটনার দিন (৬ এপ্রিল) সকাল ১০টার পর চেয়ারম্যান মিলনের সঙ্গেও একাধিকবার কথা বলেছেন শামীম। এ ব্যাপারে গত মঙ্গলবার বিকেলে মিলনকে ফেনী পিবিআই কার্যালয়ে ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে পিবিআইয়ের সহকারী পুলিশ সুপার মনিরুজ্জামান।
তিনি আরো জানান, কললিস্টে দেখা গেছে ঘটনার দিন সকাল ১০টা ১৩ মিনিটে ৬৭ সেকেন্ড, দুপুর ১২টা ৪৪ মিনিটে ৭৮ সেকেন্ড, ২টা ৪ মিনিটে ৩০ সেকেন্ড ও ৫টা ৫৭ মিনিটে ৩৮ সেকেন্ড মিলন-শামীম কথা বলেছেন। তদন্তের স্বার্থে মিলন-শামীমের কথোপকথন এখনি প্রকাশ করা যাচ্ছে না। তাদের ফোনালাপ যাচাই করা হবে। এ ছাড়া আরো কয়েকজনের ফোনালাপের তথ্য পাওয়া গেছে। সেগুলোও যাচাই করা হচ্ছে। এই ঘটনায় যাদের নাম এসেছে সবাই নজরদারিতে রয়েছে।

নুসরাত হত্যাকাণ্ডের পর চেয়ারম্যান মোশারফ হোসেন মিলনের সঙ্গে শামীমের একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে ভাইরাল হয়। ওই ছবিতে দেখা যায়, মাদ্রাসার বিপরীতে মিলন তার ব্যক্তিগত কার্যালয়ে (সুফিয়া প্লাজা) শামীমকে মিষ্টি খাওয়াচ্ছেন। মোশারফ হোসেন মিলন সোনাগাজী উপজেলা আ.লীগের ক্রীড়াবিষয়ক সম্পাদক ও চর ছান্দিয়া ইউপি চেয়ারম্যান। শামীম ওই ইউনিয়নের ভুঞা বাজার সংলগ্ন আবদুর রাজ্জাকের ছেলে।
জানা গেছে, শামীম ওই মাদ্রাসায় ছাত্র শিবিরের রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন। ২০১৬ সালে চেয়ারম্যান মিলনের নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নেয়ার মাধ্যমে ছাত্রলীগে যুক্ত হন তিনি।
উল্লেখ্য, গত ৬ এপ্রিল সকালে সোনাগাজী ইসলামিয়া মাদ্রাসায় আলিম পরীক্ষা চলাকালে পরীক্ষা কেন্দ্রের একটি ভবনের ছাদে ডেকে নিয়ে পরীক্ষার্থী নুসরাত জাহান রাফির গায়ে দাহ্য পদার্থ ঢেলে আগুন দেয় দুর্বৃত্তরা। ১০ এপ্রিল ঢাকা মেডিকেলের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় সে। এ ঘটনায় রাফির বড় ভাই মাহমুদুল হাসান নোমানের দায়েরকৃত মামলায় এজাহার নামীয় ৮ আসামিসহ ২১ জনকে আটক করেছে পিবিআই। পিবিআইয়ের ডিআইজি বনজ কুমার মজুমদার জানান, চলতি মাসেই আদালতে চার্জশিট দেয়া হবে।

  • আরও পড়ুন
  • লেখকের অন্যান্য লেখা