বিএনপির জরুরি সংবাদ সম্মেলন

আগের সংবাদ

এবার বুরকিনা ফাসোর গির্জায় হামলায় নিহত ৬

পরের সংবাদ

অনশনে বিনিয়োগকারীরা, ভাঙ্গালেন মেনন

প্রকাশিত হয়েছে: এপ্রিল ২৯, ২০১৯ , ৬:৫৪ অপরাহ্ণ | আপডেট: এপ্রিল ২৯, ২০১৯, ৭:১৭ অপরাহ্ণ

অনলাইন প্রতিবেদক

পুঁজিবাজারে অব্যাহত দরপতন ও বাজার স্থিতিশীলতায় ১২ দফা দাবি বাস্তবায়নে আজ ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রতীকী গণ অনশন করেছেন বিনিয়োগকারীরা। বেলা দুইটায় বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করে প্রতীকী গণ অনশনে যোগ দেন বাংলাদেশ ওয়াকার্স পার্টির সভাপতি ও সংসদ সদস্য রাশেদ খান মেনন।

গণ অনশনে পুঁজিবাজার নিয়ে রাশেদ খান মেনন বলেন, ২০১০ সালে পুঁজিবাজার ধসের তদন্ত রিপোর্ট হয়েছে। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত আজো সেই তদন্ত রিপোর্ট আমরা দেখতে পারিনি। মাননীয় অর্থমন্ত্রী তখন বলেছিলেন এদের হাত এতো লম্বা যে তার পক্ষে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়। কিন্তু বর্তমান শেখ হাসিনার সরকারের আমলে পুঁজিবাজারের খেলোয়ারদের নিয়ন্ত্রণ করা যাবে না এটা আমি বিশ্বাস করি না।

বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান তখন বলেছিলেন যে তিন মাসের মধ্যে বাজার স্থিতিশীল করতে না পারলে তিনি চলে যাবেন। কিন্তু যেখানে আইনে আছে বিএসইসির চেয়ারম্যান তৃতীয়বার হতে পারে না সেখানে কোন নীতি,কার সহায়তায় তিনি এখনো চেয়ারম্যান আছেন?

রাশেদ খান মেনন আরো বলেন, আমাদের অর্থমন্ত্রী সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনে এসেছিলেন। বিনিয়োগকারীরা আশা করেছিলেন যে এমন কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে যাতে পুঁজিবাজারে স্থিতিশীলতা ফিরে আসে। অর্থমন্ত্রীর ভাষায়, পুঁজিবাজার সিংহ ছাগলের খেলা। সাধারণ বিনিয়োগকারীরা যদি ছাগল হয় তাহলে ছাগলকে রক্ষা করার দায়িত্বও সরকারের আছে। আজকে বাংলাদেশে দেখছি ঋণ খেলাপিদের বিশেষ সুবিধা দেওয়া হচ্ছে। গত ১০ বছরে ঋণ খেলাপির পরিমাণ ২৬ হাজার কোটি টাকা থেকে দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা। আপনি খেলাপি ঋণ গ্রহীতা হয়ে ৯% সুদ দেবেন আর আমি ভালো ঋণ গ্রহীতা হয়ে ১০%-১৫% সুদ দেবো এটা কখনো হয় না।

গতকাল পার্লামেন্টে অর্থমন্ত্রী স্বীকার করেছেন, পুঁজিবাজারে সংকট রয়েছে। পুঁজিবাজারে কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। তাই সমস্যা চিহ্নিত করে এর সমাধান করতে হবে। আইপিও নিয়ে যারা ষড়যন্ত্র করছে তাদের বিচার করতে হবে। খন্দকার ইব্রাহীম খালেদের তদন্ত রিপোর্ট অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে হবে বলে জানান তিনি।

অর্থমন্ত্রীর উদ্দেশ্যে রাশেদ খান মেনন বলেন, সমস্যা যেহেতু স্বীকার করেছেন তাই এর সমাধানও বের করতে হবে। আগামী বাজেটে পুঁজিবাজারের জন্য কি প্রণোদনা দেওয়া হবে তার বিষয়ে তিনি বলবেন। আর জুন মাসে বাজেটের আগেই সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনে আমরা পরিবর্তন দেখতে চাই।