নেত্রকোণায় ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক যুদ্ধাপরাধীর মৃত্যু

আগের সংবাদ

রহস্যময় কালো ট্রাঙ্ক ঘিরে উত্তপ্ত রাজনীতি

পরের সংবাদ

বিদ্বেষমূলক প্রচারণা

যোগী-মায়াবতীর প্রচার কার্যক্রমে নিষেধাজ্ঞা

প্রকাশিত হয়েছে: এপ্রিল ১৬, ২০১৯ , ৭:৩৭ পূর্বাহ্ণ | আপডেট: এপ্রিল ১৬, ২০১৯, ৪:৪০ অপরাহ্ণ

Avatar

ঘৃণাভরা ভাষণ এবং বিদ্বেষমূলক মন্তব্যের অপরাধে উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ এবং বহুজন সমাজ পার্টির নেত্রী মায়াবতীকে সাজা দিয়েছে ভারতের নির্বাচন কমিশন। সে অনুসারে যোগী আজ সকাল ৬টা থেকে ৭২ ঘণ্টার জন্য এবং মায়াবতী ৪৮ ঘণ্টার জন্য কোনো প্রকার নির্বাচনী প্রচারণামূলক কার্যক্রমে অংশ নিতে পারবেন না। ভোটের মৌসুমে রাজনীতিকদের বিরুদ্ধে বিদ্বেষপূর্ণ মন্তব্য নিয়ে সম্প্রতি সুপ্রিম কোর্টে একটি মামলা হয়। তা নিয়ে গতকাল সোমবার সকালেই নির্বাচন কমিশনকে তিরস্কার করেন শীর্ষ আদালত। এর কিছুক্ষণের মধ্যেই এ দুই নেতার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয় কমিশন। খবর আনন্দবাজার।
ভোটের প্রচারে বেরিয়ে সাম্প্রদায়িক মন্তব্য করার জেরেই নির্বাচন কমিশনের তোপের মুখে পড়লেন এ দুই শীর্ষ নেতা। নিষেধাজ্ঞা থাকা অবস্থায় কোনো জনসভা কিংবা পথসভা করতে পারবেন না তারা। কোনো সংবাদমাধ্যমেও কোনো সাক্ষাৎকার দিতে পারবেন না। এমনকি কোনো মন্তব্য করতে পারবেন না সোশ্যাল মিডিয়াতে। ভোটের মৌসুমে রাজনীতিকদের সম্পর্কে ঘৃণাভরা ভাষণ নিয়ে স¤প্রতি সুপ্রিম কোর্টে জনস্বার্থে মামলা করেন হরপ্রীত মনসুখানি নামের এক প্রবাসী ভারতীয়। তাতে ধর্ম ও জাতি নিয়ে বিদ্বেষপূর্ণ মন্তব্যের জন্য রাজনৈতিক দল ও নেতাদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপের আর্জি জানান তিনি। সেই মামলার শুনানিতে গতকাল সোমবার নির্বাচন কমিশনকে তিরস্কার করেন প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈ নেতৃত্বাধীন ডিভিশন বেঞ্চ। না ঘুমিয়ে তাদের কর্তব্য পালন করার কথা বলেন শীর্ষ আদালত।
বিদ্বেষপূর্ণ মন্তব্যের জন্য যোগী আদিত্যনাথ এবং মায়াবতীর বিরুদ্ধে কী পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে, নির্বাচন কমিশনের কাছে তা জানতে চান আদালত। কমিশন জানায়, তাদের ক্ষমতা সীমিত। বিদ্বেষপূর্ণ মন্তব্যের জন্য বড়জোর কাউকে নোটিস দিতে পারে তারা। জবাবদিহি চাইতে পারে। একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটলে সর্বোচ্চ তার বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করতে পারে। কিন্তু কোনো রাজনৈতিক দলের স্বীকৃতি বাতিল করা বা প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করার মতো ক্ষমতা তাদের হাতে নেই। কিন্তু তাদের দাবি মানতে চাননি হরপ্রীত মনুসুখানির আইনজীবী। নির্বাচন কমিশনের হাতে ব্যাপক ক্ষমতা রয়েছে এবং চাইলেই তা সঠিকভাবে প্রয়োগ করা যেতে পারে বলে পাল্টা দাবি করেন তিনি। এরপর নির্বাচন কমিশনের ক্ষমতা পর্যালোচনা করে দেখার সিদ্ধান্ত নেন প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈ। সেই মতো আজ মঙ্গলবার নির্বাচন কমিশনের প্রতিনিধিকে আদালতে হাজির থাকতে নির্দেশ দেন। তার কিছুক্ষণের মধ্যেই যোগী আদিত্যনাথ ও মায়াবতীর প্রচারে নিষেধাজ্ঞা বসায় নির্বাচন কমিশন।