স্ন্যাপচ্যাটের ফিচার

আগের সংবাদ

ইনস্টাগ্রামে ত্রুটি

পরের সংবাদ

বাড়ছে পাবলিক ক্লাউড বাজার

প্রকাশিত হয়েছে: এপ্রিল ১৪, ২০১৯ , ৪:২১ অপরাহ্ণ | আপডেট: এপ্রিল ১৪, ২০১৯, ৪:২১ অপরাহ্ণ

Avatar

ইন্টারনেটের মাধ্যমে সাধারণ ব্যবহারকারী কিংবা বিভিন্ন খাতের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে অ্যাপ্লিকেশন ও স্টোরেজের মতো সেবা প্রদানই পাবলিক ক্লাউড নামে পরিচিত। পাবলিক ক্লাউড সেবা বিনামূল্যে অথবা অর্থের বিনিময়ে সরবরাহ করা হয়। গার্টনারের প্রতিবেদন অনুযায়ী, পাবলিক ক্লাউড বাজারে সর্বোচ্চ প্রবৃদ্ধি আসবে ক্লাউড সিস্টেম অবকাঠামো সেবা (আইএএএস) খাত থেকে। চলতি বছর আইএএএস খাতে ২৭ দশমিক ৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধির আশা করা হচ্ছে। চলতি বছর ক্লাউড সিস্টেম অবকাঠামো সেবা খাতে ব্যয় গত বছরের ৩ হাজার ৫০ কোটি ডলারের চেয়ে বেড়ে ৩ হাজার ৮৯০ কোটি ডলারে পৌঁছাবে। ক্লাউড অ্যাপ্লিকেশন অবকাঠামো সেবা খাত বৈশ্বিক পাবলিক ক্লাউড বাজারের বড় একটি অংশ দখল করে আছে। চলতি বছর এ খাতে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ প্রবৃদ্ধির আশা করা হচ্ছে। চলতি বছর ক্লাউড অ্যাপ্লিকেশন অবকাঠামো সেবা খাতে ২১ দশমিক ৮ শতাংশ প্রবৃদ্ধির আশা করা হচ্ছে। গার্টনারের গবেষণা পরিচালক সিদ নাগ বলেন, ক্লাউড প্রযুক্তি নতুন নয়। সা¤প্রতিক সময় প্রযুক্তিটির ব্যবহার বেড়েছে। পাবলিক ক্লাউড বাজার দ্রুত প্রসারিত হওয়ার কিছু কারণ আছে। এগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো, বিভিন্ন অর্গানাইজেশন বা ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান এখন ক্লাউড ফার্স্ট স্ট্র্যাটেজি নিয়ে এগোচ্ছে। এর ফলে প্রতিষ্ঠানগুলোর পরিচালন ব্যয় সাশ্রয় হচ্ছে। ব্যবসা কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ক্লাউড প্রযুক্তি শুধু বাজেট সাশ্রয়ীই নয়, তুলনামূলক নিরাপদও। ২০২২ সালের মধ্যে পাবলিক ক্লাউড বাজারের আকার সামগ্রিকভাবে তথ্যপ্রযুক্তি বাবদ বৈশ্বিক ব্যয়ের তিনগুণ বেশি হবে। গার্টনারের পূর্বাভাস অনুযায়ী, চলতি বছরের শেষ নাগাদ ৩০ শতাংশ তথ্যপ্রযুক্তি সেবাদাতা নতুন সফটওয়্যার বাবদ বিনিয়োগের ক্ষেত্রে ক্লাউড ফার্স্টের পরিবর্তে শুধু ক্লাউড প্রযুক্তিতে গুরুত্ব দেবে। ফলে লাইসেন্সভিত্তিক সফটওয়্যার ব্যবহার কমবে। পরিবর্তে সাবস্ক্রিপশনভিত্তিক ক্লাউড সফটওয়্যারের চাহিদা বাড়বে। সিদ নাগ বলেন, বাজারে ক্লাউড প্রযুক্তির গ্রহণযোগ্যতার চেয়ে ব্যবহারের আকাক্সক্ষা অনেক বেশি। অর্থাৎ গ্রাহক চাহিদার তুলনায় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ক্লাউড সেবা দিতে পিছিয়ে আছে। গ্রাহকরা ক্লাউড সেবায় উন্নীত হতে চায় না এমনটি নয়। নিঃসন্দেহে বলা যায়, প্রতিষ্ঠানে ক্লাউড সেবা ব্যবহারের প্রবল চাহিদা বা ইচ্ছা রয়েছে। কিন্তু আগ্রহীদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হলো সেবাটিতে আপগ্রেড হওয়া। বিশ্বব্যাপী পাবলিক ক্লাউড সেবার গ্রহণযোগ্যতা বৃদ্ধির চালক হয়ে উঠেছে বিদ্যমান তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবস্থার আধুনিকায়ন। কারণ ক্লাউড প্রযুক্তি ব্যয়সংকোচন, নতুনত্ব, দ্রুততা ও নানা সুবিধা দ্বারা অনুসৃত। তথ্যপ্রযুক্তির আধুনিকায়নে গুরুত্ব পাবলিক ক্লাউড সেবার ব্যবহার বৃদ্ধির আরো একটি পরিশীলিত ও কৌশলগত ইঙ্গিত।
বিশ্লেষকদের মতে, ব্যয়সংকোচন ও উদ্ভাবনে নতুনত্বের জন্য পাবলিক ক্লাউড সেবায় আপগ্রেড সীমাবদ্ধ নয়।
বর্তমানে ক্লাউড সেবা আরো আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির পরিবেশ প্রতিষ্ঠার জন্যও ব্যাপক পরিসরে ব্যবহার হচ্ছে। এ পরিবেশই ভবিষ্যৎ অ্যাপ্লিকেশন ও ডিজিটাল ব্যবসা প্রক্রিয়াকে এগিয়ে নিতে কৌশলগত ভিত্তি হিসেবে কাজ করবে। বিশ্বব্যাপী পাবলিক ক্লাউড প্রযুক্তিবাজার ঘিরে নিরাপত্তা ও গোপনীয়তার বিষয়টি অনেকেরই নজর কেড়েছে। বিষয়টি ঘিরে খাতসংশ্লিষ্ট অনেকেই উদ্বিগ্ন।