কমলগঞ্জে সনাতন ধর্মালম্বীদের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত

আগের সংবাদ

জেট ফুয়েলের দাম বাড়ানোয় বিপাকে দেশীয় এয়ারলাইন্স

পরের সংবাদ

টেকনাফে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট গ্রহণ চলছে

প্রকাশিত হয়েছে: মার্চ ২৪, ২০১৯ , ৩:৪৩ অপরাহ্ণ | আপডেট: মার্চ ২৪, ২০১৯, ৩:৪৩ অপরাহ্ণ

Avatar

৫ম উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে সারাদেশের ন্যায় ৩য় ধাপে কক্সবাজার জেলার টেকনাফ সীমান্ত উপজেলা পরিষদ নির্বাচন নারী-পরুষ ভোটারদের সরব উপস্থিতিতে ভোট গ্রহণ চলছে। নির্বাচন কঠোর নিরাপত্তা, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়া নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এ পর্যন্ত এগিয়ে রয়েছে মোটর সাইকেল প্রতীকের স্বতন্ত্রপ্রার্থী ও উপজেলা যুবলীগের সভাপতি নুরুল আলম।
২৪ মার্চ সকাল ৮টা হতে উপজেলার ১টি পৌরসভা ও ৬টি ইউনিয়নের ৫৫টি ভোট কেন্দ্রের ভোট গ্রহণ চলছে। টেকনাফে ১লাখ ৪৫ হাজার ৮শ ৮জন ভোটারের মধ্যে ভোটাধিকার প্রয়োগ করা ভোটারদের ভোটে উপজেলা চেয়ারম্যান, ভাইস-চেয়ারম্যান ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হবে। সকাল হতে উপজেলার বিভিন্ন কেন্দ্রে নারী-পুরুষ ভোটারদের সরব উপস্থিতি বাড়ছে। তবে নারী উপস্থিতি তুলনামূলক কম। আবার মাঝে মধ্যে অনেক কেন্দ্রে ভোটার উপস্থিতি নেই।

এদিকে নির্বাচনে সম্ভাব্য অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে সার্বক্ষণিক ৩টি ভ্রাম্যমান আদালত, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর ১৩টি টিম, ৫টি স্ট্রাইকিং ফোর্স, ৬প্লাটুন বিজিবি ও পর্যাপ্ত পরিমাণ অনসার সদস্য ভোট কেন্দ্রের নিরাপত্তায় নিয়োজিত রয়েছে।
এই নির্বাচন ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ, সাবেক এমপি আব্দুর রহমান বদি, সাবেক সাংসদ, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি, নৌকা প্রতীকের প্রার্থী অধ্যাপক মোহাম্মদ আলী এবং অপরদিকে উপজেলা চেয়ারম্যান জাফর আহমদ ও উপজেলা যুবলীগের সভাপতি নুরুল আলমের প্রেস্ট্রিজ রক্ষার ইস্যু হয়ে দাড়িয়েছে। হেভিওয়েট ৩ প্রার্থীর প্রতিদ্বন্দ্বিতা আঞ্চলিকতার মর্যাদা রক্ষার লড়াই রূপ নিয়েছে। যে কেউ জয়ী হউক না কেন মোটরসাইকেল প্রতীকের প্রার্থী ও উপজেলা যুবলীগের সভাপতি নুরুল আলমের সাথে হাড্ডা হাড্ডি লড়াই করতে হবে। তবে যুবলীগ ছাত্রলীগ এক কথায় তারুন্য নরুল আলমের প্রতি রয়েছে।

ভোট গ্রহণ শেষে ফলাফল ঘোষণার পরই জানা যাবে আজকের টেকনাফ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে বিজয়ের শেষ হাসি কারা কারা হাসছে। কক্সবাজার জেলার ৫ টি উপজেলায় একই নিয়ম ভোট গ্রহণ চলছে।
এ দিকে নির্বাচন কমিশনারের নির্দেশনা মতে প্রায় ৩০টি রোহিঙ্গা ক্যাম্পে রোহিঙ্গাদের অবাধ বিচরণে সীলগালা দেয়া হয়েছে। কোনোভাবেই তাদের ব্যবহার করতে না পারে এমনই পরিবেশ বজায় রেখেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।