দুই বোর্ডের সমঝোতায় ক্রাইস্টচার্চ টেস্ট বাতিল

আগের সংবাদ

জামায়াত-ঐক্যফ্রন্ট ছাড়ার পক্ষে মত বিএনপিতে

পরের সংবাদ

চরম উৎকন্ঠায় বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা

প্রকাশিত হয়েছে: মার্চ ১৫, ২০১৯ , ১২:৩৮ অপরাহ্ণ | আপডেট: মার্চ ১৫, ২০১৯, ১২:৩৮ অপরাহ্ণ

Avatar

প্রধান সড়কে টিম বাস রেখে শুক্রবারের জুমার নামাজ আদায়ের জন্য পার্কের ভেতর থেকে হেটে আল নূর মসজিদের দিকে যাচ্ছিলেন বাংলাদেশ দলের ক্রিকেটাররা। কিন্তু মসজিদের কাছাকাছি যেতেই গোলাগুলির শব্দ। এক নারী সতর্কবার্তায় অনেকটা দৌড়ে ক্রিকেটাররা ফিরলেন টিম বাসে। এমন ভয়াবহ অভিজ্ঞতার মুখে আগে কখনও পড়েননি বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা।

শুক্রবারের অনুশীলন শেষ করেই জুমার নামাজ আদায়ের জন্য ক্রাইস্টচার্চের মসজিদ আল নূরে যায় ক্রিকেটাররা। তবে জানা গেছে ক্রিকেটাররা সবাই নিরাপদে ও সুস্থভাবে টিম হোটেলে পৌঁছেছেন।

এ ঘটনার পর টুইটারে নিজের অনুভূতি জানিয়ে ওপেনার তামিম ইকবাল লেখেন, ‘পুরো দল গোলাগুলির হাত থেকে বেঁচে গেলো। খুবই ভয়াবহ অভিজ্ঞতা, সবাই আমাদের জন্য দোয়া করবেন।’

মুশফিক লেখেন, ‘মসজিদে গোলাগোলির মধ্যেও আল্লাহ আমাদের নিরাপদে রেখেছেন। আমরা খুবই ভাগ্যবান। সর্বময়কর্তাকে ধন্যবাদ। আমরা এত কাছ থেকে এমন অভিজ্ঞতার মুখে আগে কখনও পড়িনি। আমাদের জন্য দোয়া করবেন।’

দলের ডাটা অ্যানালিস্ট শ্রিনিবাস তার টুইটার একাউন্টে লিখেছেন, ‘মাত্রই এক বন্দুকধারীর হাত থেকে রক্ষা পেলাম। এখনো শ্বাস-প্রশ্বাস স্বাভাবিক হচ্ছে না। ভয় কাজ করছে সর্বত্র।’

জাতীয় দলে ট্রেনার মারিও ভিল্লাভারায়েন বলেন, ‘আমি ঘটনার পরপরই ক্রিকেটারদের সবার সঙ্গে এক এক করে কথা বলেছি। তারা কিছু দেখেনি তবে গুলির আওয়াজ শুনে হাগলি পার্ক দিয়ে মাঠে ফিরে গেছে। কোচিং স্টাফের সবাই টিম হোটেলেই ছিলেন। খেলোয়াড়রা গোলাগুলির শব্দ শুনেই দৌড়ে নিরাপদ স্থানে গিয়েছেন।’

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) ওয়েবসাইট থেকে জানানো হয়েছে, ‘শহরের মসজিদে সন্ত্রাসী হামলার পর বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের সদস্যরা যারা নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চে তারা সবাই নিরাপদে হোটেলে পৌঁছেছেন। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডে পক্ষ থেকে তাৎক্ষনিক দলের সদস্য ও টিম ম্যানেজমেন্টের সঙ্গে কথা বলা হয়েছে।’

জানা গেছে, এ হামলায় ২৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। হামলাকারীর হাতে অটোমেটিক রাইফেল ছিল।