ভিডিও সম্পাদনা ল্যাপটপেই

আগের সংবাদ

রামগড়ে ৩ পদে ৬ প্রার্থীর ভোট যুদ্ধ

পরের সংবাদ

নানা সমস্যায় জর্জরিত ঝিনাইগাতীর সরকারী মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয়

প্রকাশিত হয়েছে: মার্চ ১০, ২০১৯ , ৩:০৫ অপরাহ্ণ | আপডেট: মার্চ ১০, ২০১৯, ৩:০৫ অপরাহ্ণ

Avatar

শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলা সদরে অবস্থিত সরকারী মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয়টি নানা সমস্যায় জর্জরিত। শিক্ষক সংকট আসবাপত্রের অভাব ও জরাজীর্ণ ভবনের কারণে শিক্ষা ব্যবস্থা ব্যহত হওয়ার আশংকা দেখা দিয়েছে। কথা হয় বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি জেলা পরিষদ সদস্য আবু-তাহের, প্রধান শিক্ষক মনোয়ারা বেগম ও পঞ্চম শ্রেণীর শিক্ষার্থী সাহবিয়া তাহসিন, চতুর্থ শ্রেণীর শিক্ষার্থী, রুমিনাজ্জামান ও মরিয়ম আক্তারের সাথে। তারা জানায়, ১৯৩৮ সালে প্রতিষ্ঠিত ঐতিহ্যবাহি এ বিদ্যালয়ে করুণ অবস্থার কারণে অভিভাবকরা এ বিদ্যালয়ে পড়াতে চাচ্ছেন না। বর্তমানে এ বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী রয়েছে ২৬৫ জন। কাগজে কলমে শিক্ষক থাকার কথা ১১ জন। কিন্তু শিক্ষক রয়েছে ৮ জন। এ বিদ্যালয়ে রয়েছে আসবাপত্রের সল্পতা। মান্ধাতা আমলে নির্মিত ভবন দু’টি জরাজীর্ণ অবস্থা। একটি ভবনে বৃষ্টি এলেই ছাদ চুয়ে পানি পরে। অপর একটি পরিত্যক্ত ভবনে জীবনের ঝুকি নিয়ে চলছে পাঠদান। তারা বলেন, বিদ্যালয়ের চারপাশে সমতলের তুলনায় বিদ্যালয় মাঠ ও ভবনের মেঝে নিচু। ফলে সামান্য বৃষ্টি হলেই ভবনের মেঝেতে ও বিদ্যালয় মাঠে পানি উঠে। সৃষ্টি হয় জলাবদ্ধতার। ভবনের মেঝেতে জমে থাকে হাটু পানি। এতে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের দূর্ভোগের সীমা থাকে না। ব্যাহত হয় পাঠদান । এ সময় বন্ধ থাকে বিদ্যালয়। দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যালয়ে এ অবস্থা বিরাজমান থাকলেও তা দৃষ্টিগোচর হয়নি কতৃপক্ষের। উপজেলা শিক্ষা অফিসার রসিদা বেগম বিদ্যালয়ের এ সব সমস্যার কথা স্বীকার করে তিনি বলেন, বিদ্যালয়ের এ সব সমস্যার বিষয় নিয়ে তা সমাধানের লক্ষে বিভিন্ন সময় শিক্ষা অধিদপ্তরসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পত্রও প্রেরণ করা হয়েছে। কিন্তু কোন কাজে আসেনি। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ফেরদৌসি বেগম বলেন, বিদ্যালয়ে কোনো সমস্যা নেই। সুষ্ঠুভাবে পরিচালিত হচ্ছে বিদ্যালয় ও পাঠদান।