কালকিনিতে আড়াই শতাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নেই শহীদ মিনার

আগের সংবাদ

বিশ্বনাথে অগ্নিকান্ডে অর্ধকোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি

পরের সংবাদ

চট্টগ্রামে ফাগুনের আকাশে হঠাৎ দিনে নেমে এল রাতের আঁধার

প্রকাশিত হয়েছে: ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০১৯ , ৪:৩৭ অপরাহ্ণ | আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০১৯, ৪:৩৭ অপরাহ্ণ

Avatar

হঠাৎ করেই আকাশ অন্ধকার। অথচ ফাগুনের মাত্র ১৩তম দিনের সকাল এটি। গত রবিবার থেকেই আকাশে গুমোটাবস্থা বিরাজ করছিল। যেমন গুমোট পরিস্থিতি ছিল ছিনতাই নাটকের অবসান না হওয়া পর্যন্ত শাহ আমানত বিমানবন্দরে।
ফাগুনের সকালে যেখানে কোকিলের শব্দ শোনা যায়, তেমনটি শোনা যায়নি। গতকাল সোমবার সকালে আকাশের অবস্থা দেখে যেন কেকিলও ভুলে গেছে তার সুর। তবে কেকিলের ডাক না থাকলেও সকাল ৮টার পর পরই চট্টগ্রামের আকাশ কোকিল কালো হয়ে ওঠে। সেই সঙ্গে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি। সকালবেলা স্কুল আর অফিসগামী নাগরিকদের বিঘ্ন ঘটল স্বাভাবিক নিয়মের।
সকাল আনুমানিক সাড়ে ৮টা। পুরো আকাশ অন্ধকারাচ্ছন্ন হয়ে পড়ে। শো শো বাতাসের সঙ্গে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি। নগরীর রাস্তায় গাড়ির হেডলাইট দিয়েই চলতে হচ্ছিল তখন। হঠাৎ যে কারোরই মনে হতে পারে রাত নেমে এল বুঝি। সঙ্গে আবার বজ্রপাত। খানিকটা ঝড়ো বাতাসের সঙ্গে বৃষ্টিতে কিছুটা নাকাল নগরবাসী। তবে পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা গেল, এটি নাকি স্বাভাবিক একটি বিষয়। এ সময়ে কালবৈশাখীর মতো ঝড় হতে পারে। তখন বাতাসের গতিবেগ ছিল ৭০ নটিক্যাল মাইল। বৃষ্টি আর বাতাস বিঘ্ন ঘটিয়েছে চট্টগ্রাম বন্দরের পণ্য ওঠানামার কাজে এমনটাই বললেন বন্দরের কর্মকর্তারা।
এদিকে গত রবিবার শাহ আমানত বিমানবন্দরকে ঘিরে যে অস্বস্তিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছিল তা রাতেই সমাধান হয়েছে ত্বরিত হস্তক্ষেপে। তবে ২৫ ফেব্রুয়ারি সকালের এই বৃষ্টি আর ঝড়ো বাতাসে বিমান অপারেশনে খানিকটা বিলম্ব ঘটেছে বলে বিমানবন্দর সূত্র জানিয়েছে। প্রায় সকাল সোয়া ৯টা পর্যন্ত চট্টগ্রাম নগরীর আকাশে দিকচক্রবাল আঁধার থাকলেও পরে তা ধীরে ধীরে কেটে যায়। তবে রোদের দেখা মিলতে কিছুটা সময় লাগবে এমনটাই আভাস আবহাওয়াবিদদের।